স্টাফ রিপার্টার: বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণে কোনো আইনি বা নীতিগত বাধা নেই বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
তিনি বলেছেন, যতদিন পর্যন্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পূর্ণাঙ্গ জাতীয়করণ না হচ্ছে, ততদিন শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নিতে বাধা নেই।
বৃহস্পতিবার সকালে রাজধানীর রমনায় ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোট আয়োজিত সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
স্থানীয় সরকার নির্বাচনে শিক্ষকদের অংশগ্রহণ নিয়ে চলমান বিতর্কের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পূর্ণাঙ্গ জাতীয়করণ না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষকদের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশগ্রহণে আইনি বা নীতিগত কোনো বাধা নেই। তবে এর আগে সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে তিনি জানিয়েছিলেন, এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা লাভজনক পদে থাকায় তাদের প্রার্থিতার বিষয়ে আইনি ব্যাখ্যা ও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশন দেবে।
সম্মেলনে বেসরকারি শিক্ষক ও কর্মচারীদের জাতীয়করণের দাবির সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষকদের পদমর্যাদা ও জীবনমান উন্নয়নের স্বার্থে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের জাতীয়করণ আজ হোক, কাল হোক, হবেই। বাংলাদেশের ইতিহাসে যতবার শিক্ষকদের বেতন-ভাতা, পেনশন এবং মান-মর্যাদা বৃদ্ধি হয়েছে, তা হয়েছে শহীদ জিয়া ও বেগম খালেদা জিয়ার হাত ধরে। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাত ধরে শিক্ষক-কর্মচারীদের জাতীয়করণের দাবি বাস্তবায়ন হতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
জাতীয়করণের দাবি বাস্তবায়নে শিক্ষকদের বড় পরিসরে কর্মসূচি নেওয়ার পরামর্শ দিয়ে মীর শাহে আলম বলেন, জাতীয়করণের জন্য বছরে অতিরিক্ত ৭০০ থেকে ৮০০ কোটি টাকার প্রয়োজন। শিক্ষকরা একটি সুশৃঙ্খল ও বড় পরিসরের জাতীয় সমাবেশ আয়োজন করে মানবিক ও গণতান্ত্রিক উপায়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাদের দাবি তুলে ধরলে বর্তমান সরকার অবশ্যই বিষয়টির গুরুত্ব উপলব্ধি করবে।
এ সময় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নবায়নযোগ্য শক্তি ব্যবহারের নতুন উদ্যোগের কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আর্থিক অনুদান দেওয়া হবে, যাতে প্রতিষ্ঠানের ছাদ ব্যবহার করে ৫ দশমিক ৫ কিলোওয়াট ক্ষমতার সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন প্যানেল স্থাপন করা যায়। এর ফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ নিশ্চিত হওয়ার পাশাপাশি ছুটির দিনে ও অতিরিক্ত সময়ে উৎপাদিত বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে বিক্রি করে প্রতিষ্ঠানগুলো মাসে ৫ থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারবে।
শিক্ষকদের সামাজিক মর্যাদার কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী বলেন, শিক্ষকই একমাত্র পেশা, যা পৃথিবীর অন্য সব পেশার জন্ম দেয়। আপনারাই সমাজের মূল চালিকাশক্তি এবং গণতন্ত্রের বার্তাবাহক। সমাজ ও রাষ্ট্রে শিক্ষকদের মর্যাদা ক্ষুণ্নকারী যেকোনো অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সবাইকে একযোগে প্রতিরোধ গড়ে তোলার আহ্বান জানান তিনি।
রংপুর অফিস: ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বী ৫ প্রার্থীর মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ অক্টোবর) দুপুর সাড়ে ১২টায় জেলা নির্বাচন অফিসের সভাকক্ষে প্রার্থী ও তাদের প্রতিনিধিদ ...
স্টাফ রিপোর্টার: দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলে মোটামুটি নিষ্ক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে দুর্বল অবস্থায় রয়েছে। ইতিমধ্যে দেশের পশ্চিমাঞ্চল থেকে মৌসুমি বায়ু বিদায় নিয়েছে এবং ...
স্টাফ রিপোর্টার: বিমানের লাগেজ জটিলতা নিয়ে তীব্র আলোচনা-সমালোচনার মধ্যে এবার রাজধানীর বিমানবন্দর এলাকায় বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের প্রধান কার্যালয় বলাকা ভবনে সাংবাদিক প্রবেশে অলিখিত নিষেধাজ্ঞা দেওয়া ...
স্টাফ রিপোর্টার: ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এয়ারবাসের কাছ থেকে ১০টি নতুন উড়োজাহাজ কেনার চুক্তি সম্পন্ন করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। বুধবার (৭ অক্টোবর) সন্ধ্যায় রাজধানীর রেডিসন ব্ল ...
সব মন্তব্য
No Comments