স্টাফ রিপোটার: বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, যে মানুষটি আজীবন গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছে তাকে আজ গৃহবন্দী করে রেখেছে। তার সুচিকিৎসার ব্যবস্থা করা হচ্ছে না। আমরা আশা করি তার পরিবার খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর যে আবেদন করছে তা সরকার বাস্তবায়ন করবে।
তিনি বলেন, বেগম খালেদাকে আটক রাখা হয়েছে, কারণ উনি মুক্ত থাকলে উনাদের ক্ষমতা থাকা কঠিন হয়ে যাবে। উনি মুক্ত থাকলে দেশের গণতন্ত্র মুক্ত থাকবে। উনি মুক্ত থাকলে জনগণের ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া যাবে না।
শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর নয়াপল্টন বিএনপি কার্যালয়ের সামনে জাতীয়তাবাদী মহিলা দল আয়োজিত খালেদা জিয়ার মুক্তি, তারেক রহমানের মামলা প্রত্যাহার এবং সরকার পতনের একদফা দাবিতে মহিলা সমাবেশে প্রধান অতিথির অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, সমগ্র দেশের মানুষ যখন এই ফ্যাসিবাদী সরকারের বিরুদ্ধে জেগে ওঠেছে তখন এই মহিলা সমাবেশ আমাদের আরো সাহস যুগিয়েছে। আজকে এই সরকারের অত্যাচার থেকে মা বোনদের রক্ষা পায় নাই। সাইবার সিকিউরিটি আইনের নামে আটক করা হচ্ছে মা-বোনদের। আজকে সত্য লেখার অপরাধে মা-বোনদের পিটিয়ে মারা হচ্ছে।
তিনি বলেন, প্রতিটি দ্রব্যমূল্য আজ আকাশচুম্বী। সরকারের বেধে দেওয়া দর কেউ মানছে। সব জায়গায় আওয়ামী লীগের সিন্ডিকেট। সংসার চালাতে মহিলারা হিমশিম খাচ্ছে। এ সরকারের আমলে আজ কেউ নিরাপদ নয়।
তিনি বলেন, এরা জনগণের নির্বাচিত নন। খালেদা মেয়েদের দশম শ্রেণি পর্যন্ত বিনামূল্যে পড়ার ব্যবস্থা করেছেন, চাকরি ক্ষেত্রে মেয়েদের কোটা প্রথা চালু করেছেন। আজকে এ সরকার গায়ের জোরে সবকিছু ধ্বংস করে দিচ্ছে। গণতন্ত্র ও দেশ ধ্বংস করে ফেলছে। তারা মানুষের কথা চিন্তা করছে না। মানুষের দাবি তত্ত্বাবধায়ক সরকার এরা চায় না। এ সরকার যদি আবার ক্ষমতায় আসে তাহলে দেশের স্বাধীনতা থাকবে না। তাই আসুন সকল নারী পুরুষ ঐক্যবদ্ধ হই। ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে এই একদলীয় বাকশালী সরকারকে বিদায় করে জনগণের রাষ্ট্র কায়েম করি।
মহিলা দলের সভানেত্রী আফরোজা আব্বাসের সভাপতিত্বে সাধারণ সম্পাদক সুলতানা আহমেদের সঞ্চালনায় এতে আরো বক্তব্য রাখেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য বেগম সেলিমা রহমান, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আফরোজা আক্তার রিতা, প্রচার সম্পাদক শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, মহিলা দল নেত্রী হেলেন জেরেন খান প্রমুখ।
সভাপতির বক্তব্যে আফরোজা আব্বাস বলেন, সরকার স্যাংশন নাকি মানেন না। মানবেন কেনো? দেশের মানুষ না খেয়ে থাকলে, মারা গেলে আপনাদের কি? আপনারাতো জনগণের ভোটে নির্বাচিত নয়। ওবায়দুল কাদের ও হাছান মাহমুদ তারেক রহমান এবং খালেদা জিয়াকে নিয়ে যেভাবে অশ্লীল ভাষায় কথা বলেন আপনাদের ঘরে কি মা-বোন নেই? আপনারা শুধু রাষ্ট্র, সমাজ নয়, পরিবার থেকেও বিচ্ছিন্ন হয়ে যাচ্ছেন।
এসময় উপস্থিত ছিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আব্দুল মঈন খান, আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী, চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম প্রমুখ।
ডেস্ক রিপোর্ট: জাসদের (ইনু) কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে দলীয় প্রতিনিধি সভা চলাকালে পুলিশি অভিযান ও রাজনৈতিক কর্মীদের আটকের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ জাসদ।রবিবার এক বিবৃতিতে দলের সভাপতি ...
স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর গুলিস্তানে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) প্রধান কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে আটক ২৭৮ জনের মধ্যে ২৫১ জনকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। এরমধ্যে ২৭ জনকে আজ রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্য ...
ডেস্ক রিপোর্ট: রাজধানীতে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার গুঁড়িয়ে দেওয়া, নয়া পল্টনের ইসলামী ব্যাংক স্পেশালাইজড অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালে ভাঙচুর এবং ইসিবি চত্বরে কন্টেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স ...
ডেস্ক রিপোর্ট: রাজধানীর মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে মধ্যরাতে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও গভীর উদ্বেগ জানিয়েছেন এবি পার্টির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ...
সব মন্তব্য
No Comments