সাইফুল আলম ছদরুল।।
রাজনৈতিক মঞ্চের বাগাড়ম্বর, সুশীল সমাজের চটকদার বুদ্ধিবৃত্তিক আলোচনা কিংবা শহরের ঝলমলে রেস্তোরাঁর রঙিন আলোর আড়ালে ঢাকা পড়ে থাকে এক নির্মম সত্য। যে শ্রমিকদের নিরলস পরিশ্রমে নামীদামি রেস্তোরাঁয় রাজনীতিবিদ, আইনজীবী ও বুদ্ধিজীবীদের জন্য সুস্বাদু খাসির বিরিয়ানি, পোলাও কিংবা কোফতা তৈরি হয়, সেই শ্রমিকদের জীবনে কী পরিমাণ অমানবিক বঞ্চনা বিরাজ করছে, তার খবর কেউ রাখে না। রাজকীয় বিয়ের অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে দৈনন্দিন আড্ডায় যেসব হোটেল শ্রমিকের হাত না লাগলে সমাজের উচ্চবিত্তের এক মুহূর্ত চলে না, তাঁদের অধিকার কেবল ভোটের মৌসুমে রাজনৈতিক প্রতিশ্রুতির রঙিন ঝুড়িতে স্থান পায়। বাস্তবে তারা প্রচলিত রাষ্ট্র ও সমাজে অনালোকিত ও অনালোচিত কাঠামোগত সহিংসতার এক করুণ শিকার।
১. নিচুতলার মানুষ এবং রাজনৈতিক ব্যবহারের শিকার
হোটেল ও রেস্তোরাঁ শ্রমিকদের সমাজ ও রাষ্ট্রব্যবস্থা সর্বদাই 'নিচুতলার মানুষ' হিসেবে চিহ্নিত করে রেখেছে। ফলে তাঁদের ন্যায্য অধিকার বা ন্যূনতম জীবনযাত্রার মান নিয়ে কারও মাথাব্যথা নেই। রাজনীতিবিদ ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের কাছে তাঁদের সামাজিক মর্যাদা নেই বললেই চলে; কিন্তু ভোটের সময় এলেই দৃশ্যপট বদলে যায়। সুললিত কণ্ঠে শোনা যায় রঙিন প্রতিশ্রুতি ও শ্রমিকদের ভাগ্যোন্নয়নের সুন্দর সুন্দর বক্তব্য। কিন্তু নির্বাচন শেষ হতেই তাঁরা আবার হারিয়ে যান বিস্মৃতির অতলে। রাজনীতিবিদদের নির্বাচনী পুঁজি হিসেবে ব্যবহৃত হওয়ার পর তাঁদের স্থান হয় সেই আগের বৈষম্যমূলক সমাজব্যবস্থার তলানিতে।
২. "কাজির গরু কিতাবে আছে, গোয়ালে নেই"
শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের দাবির মুখে সরকার ২০২৫ সালের ৫ মে হোটেল, রেস্তোরাঁ ও মিষ্টি বেকারি শ্রমিকদের জন্য সর্বনিম্ন মজুরি ১৩,০৫০ টাকা নির্ধারণ করে একটি গেজেট প্রকাশ করে। এই গেজেটে কেবল ন্যূনতম মজুরিই নয়, বরং কর্মঘণ্টা ও ছুটির বিষয়েও সুস্পষ্ট নির্দেশিকা ছিল। প্রচলিত শ্রম আইনে নিয়োগপত্র, পরিচয়পত্র, সার্ভিস বুক প্রদান, দৈনিক ৮ ঘণ্টা কর্মদিবস, অতিরিক্ত কাজের জন্য দ্বিগুণ মজুরি, বছরে ২টি উৎসব বোনাস, মজুরিসহ সাপ্তাহিক দেড় দিন ছুটি, বছরে ১০ দিন নৈমিত্তিক ছুটি, ১৩ দিন উৎসব ছুটি, ১৪ দিন চিকিৎসা ছুটি, প্রতি ১৮ দিন কাজের জন্য ১ দিন অর্জিত ছুটি এবং ১২০ দিন মাতৃত্বকালীন ছুটি পাওয়ার কথা থাকলেও হোটেল সেক্টরে মূলত তা বাস্তবায়ন করা হয় না।
প্রবাদ আছে— "কাজির গরু কিতাবে আছে, গোয়ালে নেই।" ঠিক একইভাবে সরকারের গেজেট প্রজ্ঞাপনেই সীমাবদ্ধ রয়েছে, যা বাস্তবায়নে মালিকপক্ষ বা প্রশাসন কারও বিন্দুমাত্র মাথাব্যথা নেই। শ্রম আইন ও গেজেট বাস্তবায়নে রাজধানী ঢাকাসহ দেশের কয়েকটি জেলায় কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর নামের সরকারি প্রতিষ্ঠান রয়েছে। এসব দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ হয় এই হোটেল শ্রমিকদের পরোক্ষ কর বা ভ্যাটের টাকায়। যে প্রতিষ্ঠান শ্রমিকদের কোনো কাজেই আসে না, সেই সব দপ্তরের কর্মকর্তাদের শ্রমিকের টাকায় লালন-পালন করা কতটা যৌক্তিক— এমন প্রশ্ন আজ প্রতিটি শ্রমিকের মনে।
৩. অমানবিক জীবনযাপন ও 'স্টাফ খাবার'-এর নামে উচ্ছিষ্ট বঞ্চনা
যে শ্রমিকেরা কাকডাকা ভোর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত কায়িক পরিশ্রম করে অন্যের মুখে সুস্বাদু খাবার তুলে দেন, তাঁদের নিজেদের আহারের দৃশ্যটি অত্যন্ত করুণ। গ্রাহকদের পরিবেশন করা পুষ্টিকর বা সুস্বাদু খাবারের স্বাদ পাওয়া দূরে থাক, তাঁদের জন্য বরাদ্দ থাকে 'স্টাফ খাবার' নামক এক প্রকার নিম্নমানের ও অপ্রতুল উচ্ছিষ্ট। দীর্ঘ ক্লান্তিকর কাজ শেষে রাত যাপন করতে হয় স্যাঁতসেঁতে, দুর্গন্ধময় ও চরম অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে। সামান্য দেরি করে কাজে যোগ দিলেই প্রতিনিয়ত বেতন কেটে নেওয়া হয়, যা তাঁদের দৈনন্দিন জীবনকে আরও সংকটাপন্ন করে তোলে।
৪. আইনগত অধিকার চাওয়ার শাস্তি: নোটিশহীন ছাঁটাই
সংগঠিত হয়ে আইনি অধিকার দাবি করার কোনো সুযোগ বেশিরভাগ ক্ষেত্রে হোটেল শ্রমিকদের নেই। কোনো শ্রমিক নিজের কিংবা সহকর্মীদের ন্যায্য মজুরি বা ছুটির দাবি তুললেই তাঁকে তাৎক্ষণিকভাবে চাকরিচ্যুত করা হয়। কোনো প্রকার অগ্রিম নোটিশ বা শ্রম আইনের তোয়াক্কা না করেই অহরহ শ্রমিকদের বের করে দেওয়া হয়। এই ভয়ভীতি ও অনিশ্চয়তার সংস্কৃতি মালিকদের স্বেচ্ছাচারিতাকে অনায়াসে টিকিয়ে রাখতে সাহায্য করছে।
৫. উৎসবের দিনে অর্ধাহার ও অমানবিক নিপীড়ন
ঈদুল ফিতর, ঈদুল আজহা কিংবা দুর্গাপূজার মতো প্রধান ধর্মীয় উৎসবগুলোতে রেস্তোরাঁ মালিকেরা নিজেদের পরিবারের জন্য লাখ লাখ টাকা খরচ করে জমকালো আয়োজন করেন এবং মোটা অঙ্কের মুনাফা অর্জন করেন। অথচ এই উৎসবগুলো হোটেল শ্রমিকদের জীবনে অভিশাপ হয়ে নেমে আসে। উৎসবের বেতনের সমপরিমাণ বোনাস তো দূরের কথা, এ সময় শ্রমিকদের বিনাবেতনে ছুটি নিতে বাধ্য করা হয়। উৎসব ছুটি শেষে সময়মতো কাজে যোগদানের ফন্দি হিসেবে বকেয়া বেতনও আটকে রাখা হয়। ফলে সমাজের অন্যান্য মানুষ যখন আনন্দে মেতে ওঠে, তখন হোটেল শ্রমিকদের দিন কাটে অর্ধাহারে ও অনাহারে।
৬. মালিকদের সীমাহীন মুনাফা ও রাষ্ট্রের নীরব প্রহরা
নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দামের সাথে তাল মিলিয়ে এক কাপ চায়ের দাম ৫ টাকা থেকে বেড়ে ২০ টাকা হয়েছে, ৫ টাকার রুটি হয়েছে ১০ টাকা। রেস্তোরাঁর মেন্যুর দাম প্রতিনিয়ত বাড়লেও বাড়েনি কেবল শ্রমিকের মজুরি। শ্রমিকদের গায়ের ঘাম আর রক্ত পানি করা শ্রমের ওপর দাঁড়িয়ে মালিকেরা মুনাফার পাহাড় গড়ে তুলছেন।
এই বিশাল মুনাফার শক্তিতে মালিকপক্ষ আইনি যেকোনো ঝামেলা এড়াতে বড় অঙ্কের টাকা দিয়ে দামি আইনজীবী নিয়োগ করেন। আইনের শত ফাঁকফোকর গলে মালিকেরা বেকসুর খালাস পেয়ে যান। অন্যদিকে, রাষ্ট্র ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলো সাধারণ শ্রমিকের পক্ষে না দাঁড়িয়ে সর্বদাই ধনাঢ্য মালিকপক্ষের পাহারাদার ও রক্ষক হিসেবে ভূমিকা পালন করে।
ক্ষেত্রবিশেষে মালিকের অবাধ্য হলে বা ন্যায্য পাওনা চাইতে গেলে শ্রমিকদের ওপর নেমে আসে ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের হামলা, এমনকি প্রাণ হারানোর ঝুঁকিও তৈরি হয়। শ্রমিকদের ধারাবাহিক সংগঠিত আন্দোলন-সংগ্রামের ফলে কিছু কিছু ন্যায্য দাবি আদায় ও অধিকার অর্জিত হলেও হোটেল শ্রমিকদের যেমন নেই চাকরির নিশ্চয়তা, তেমনি নেই জীবনের নিরাপত্তা। শ্রমিকদের জীবন কতটা অনিশ্চয়তায় ভরা, তা বুঝতে আর বাকি থাকে না যখন জানা যায়— সিলেটের কাজিরবাজারে হোটেল শ্রমিক দিনার আহমদ রুমনের হত্যাকাণ্ড, মৌলভীবাজারে খানদানি রেস্টুরেন্টের শ্রমিক তামিম হত্যা, হোটেল মালিকের পিস্তলের গুলিতে ঢাকার ঘরোয়া হোটেলের শ্রমিক রিয়াদ হত্যাকাণ্ড, এমনকি যশোরের নারী হোটেল শ্রমিক ছায়রা বানুকে নির্যাতন করে হত্যার ঘটনা ঘটে। কিন্তু হত্যাকারী মালিক বা ম্যানেজারের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না করায় সম্প্রতি ১৬ জুন রংপুরে আরেকজন হোটেল শ্রমিক শাওনকে একইভাবে হত্যা করা হয়।
শ্রমিকদের জীবনের নিরাপত্তা ঝুঁকির সর্বসাম্প্রতিক উদাহরণ হলো— ঢাকার মতিঝিলে অবস্থিত হিরাঝিল হোটেলের শ্রমিকদের ওপর ২০ সেপ্টেম্বর গভীর রাতে মালিকদের লেলিয়ে দেওয়া ভাড়াটে সন্ত্রাসীদের হামলার ঘটনা। অথচ শ্রমিকদের দাবির মুখে হিরাঝিল হোটেল মালিক ১২ এপ্রিল থানায় বসে শ্রমিকদের সাথে চুক্তি করেছিলেন যে মজুরি গেজেট বাস্তবায়ন করবেন। কিন্তু মুনাফায় টান পড়বে বলেই মালিক তাঁর মুনাফার হার ঠিক রাখতে শ্রমিকদের ওপর সন্ত্রাসী হামলা চালিয়েছে। রাষ্ট্র ও সরকার এ বিষয়ে নীরব। রাষ্ট্রের এই নীরবতায় হোটেল মালিকদের কাছে শ্রমিকের জীবন এতটাই তুচ্ছ যে, চুন থেকে পান খসলেই শ্রমিককে খুন করতে তাঁদের দ্বিধা হয় না। শাওন নামের এই হতভাগা হোটেল শ্রমিক রংপুর খামারবাড়ি মোড়ে আলম হোটেলে কাজ করতেন সহকারী বাবুর্চি হিসেবে। হোটেলের রান্নার দায়িত্ব ছিল তাঁর কাঁধে। দীর্ঘ ৫ বছর যাবৎ সাজন মিয়া (শাওন) আলম হোটেলে কাজ করে আসছেন। মালিকের ভাষ্যমতে, "ছেলেটা অনেক ভালো, নিজের মতো করেই সে দোকানের হাঁড়ি-পাতিল ধোয়া থেকে শুরু করে সকল কাজ করে। কাজের জন্য তার কোনো সময় অলসতা দেখি না।" কিন্তু হায়, এই মালিকের হাতুড়ির আঘাতে ১৬ জুন ২০২৬ তারিখে হোটেলের শ্রমিক শাওন খুন হয়ে গেল। শাওন তাঁর পরিবারের জীবিকার একমাত্র অবলম্বন। শাওনের একটি কন্যাশিশু আছে। অবুঝ শিশুটি জানে না যে তাঁর বাবা আর ফিরবেন না। একমাত্র ছেলেকে হারিয়ে শাওনের বৃদ্ধ বাবা-মা দিশেহারা। কীভাবে চলবে নিহত শাওনের পরিবার?
৭. লুম্পেন দালাল নেতৃত্ব ও নেতৃত্বের অভাব
সারাদেশে আনুমানিক ৪০ লক্ষ হোটেল, রেস্তোরাঁ ও বেকারি শ্রমিক কাজ করছেন। বিশাল এই শ্রমিকগোষ্ঠী সুসংগঠিত না হওয়ার প্রধান কারণ হলো শহরাঞ্চলে ছড়িয়ে থাকা লুম্পেন বা স্বার্থান্বেষী দালাল শ্রমিক নেতা। এই তথাকথিত নেতারা শ্রমিকের স্বার্থ বিকিয়ে দিয়ে মালিকদের উচ্ছিষ্ট ভোগ করে এবং সমাজের কীট হিসেবে কাজ করে। এরা শ্রমিকদের ঐক্যবদ্ধ হতে দেয় না, শ্রমিকদের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়ায় এবং মালিকদের শোষণ প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করতে সাহায্য করে।
৮. কাঠামোগত সহিংসতা ও নীরব অকালমৃত্যু
হোটেল, রেস্তোরাঁ ও বেকারি শ্রমিকদের এই পুঞ্জীভূত দুর্দশা কেবল কোনো একক অন্যায় বা অনিয়ম নয়; এটি একটি গভীর কাঠামোগত সহিংসতা (Structural Violence)। সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রশাসনিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক ব্যবস্থা এমনভাবে গড়ে উঠেছে, যা এই বিপুল শ্রমিকগোষ্ঠীকে অনাহার, অপুষ্টি, চিকিৎসাহীনতা ও চরম অনিশ্চয়তার দিকে ঠেলে দেয়। এই কাঠামোগত সহিংসতার কারণে প্রতিবছর বহু শ্রমিক নীরবে-নিভৃতে অনাহার, অর্ধাহার, অপুষ্টি, চিকিৎসার অভাব এবং চরম অবহেলায় মারা যাচ্ছেন। অথচ মিডিয়া, সুশীল সমাজ বা রাষ্ট্রীয় নীতিনির্ধারণে এই নীরব ঘাতক ব্যবস্থাটি সম্পূর্ণ অনালোকিত ও অনালোচিত থেকে যাচ্ছে।
শ্রমিকদের পথ: সমাজ সচেতনতা ও সংগ্রামী চেতনার বিকাশ
এলিট শ্রেণির প্রতিনিধি, সুবিধাবাদী রাজনীতিবিদ কিংবা সুশীল সমাজের করুণার মায়াকান্না হোটেল শ্রমিকদের দীর্ঘদিনের সংকট সমাধান করতে পারবে না। কারণ তাদের স্বার্থ সরাসরি শোষক মালিক শ্রেণির স্বার্থের সাথে যুক্ত। হোটেল, রেস্টুরেন্ট ও মিষ্টি বেকারি শ্রমিকদের এই বঞ্চনার মূলে রয়েছে প্রচলিত রাষ্ট্র ও সমাজ এবং সেখানে মালিক শ্রেণির আধিপত্য। মালিক শ্রেণির এই আধিপত্যের বিরুদ্ধে রাষ্ট্র ও সমাজে শ্রমিক শ্রেণির আধিপত্য কায়েম করতে হবে। ৪০ লক্ষ হোটেল শ্রমিকের এই তীব্র সামাজিক ও অর্থনৈতিক দুর্ভোগ লাঘব করতে হলে যা করা প্রয়োজন:
১. দালাল নেতাদের স্বরূপ উন্মোচন করে শ্রমিক আন্দোলন থেকে তাঁদের চিরতরে বিতাড়িত করতে হবে।
২. শ্রমিকদের সমাজসচেতনতা বৃদ্ধির পাশাপাশি রাজনৈতিক সচেতন করে তুলতে হবে এবং শ্রমিকদের মধ্য থেকেই সৎ, সংগ্রামী, শ্রেণি-সচেতন ও আপসহীন নেতৃত্ব গড়ে তুলতে হবে।
৩. ট্রেড ইউনিয়ন অধিকার প্রতিষ্ঠা করে সরকারি মজুরি গেজেট ও শ্রম আইন বাস্তবায়নে বাধ্য করতে হবে।
নিজের অধিকার আদায়ের লড়াই নিজেকেই করতে হবে— এই সত্য অনুধাবন করে সংগঠিত আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমেই কেবল এই কাঠামোগত সহিংসতা ও পুঁজির শোষণের শেকল ভাঙা সম্ভব।
-লেখক: রাজনৈতিক কর্মী
তারিখ: ০১/১০/২০২৬ ইং
নাসরীন জাহান লিপি:টেলিভিশনের পর্দায় চলছে টক শো। মনোযোগ দিয়ে শুনছিলেন আলতাফ সাহেব। প্রবীণদের মর্যাদা ও অধিকার নিয়ে কথা হচ্ছে। আধুনিক সমাজের দায়বদ্ধতার নানা দিক নিয়ে আলোচনা, তর্ক-বিতর্ক চলছে। সবার সব কথ ...
মুহম্মদ জসীম উদ্দিন:একটা দিন ইন্টারনেট ছাড়া কল্পনা করুন তো। আবহাওয়ার খবর জানা, প্রিয়জনের সঙ্গে যোগাযোগ, অফিসের কাজ, অনলাইন লেনদেন, শিক্ষার্থীর ক্লাস কিংবা চিকিৎসাসেবা, কত কিছুই না থেমে যাবে! হঠাৎ মোবা ...
ধ্রুপদী টপ্পা, রাগভিত্তিক নজরুলগীতি, রবীন্দ্রসংগীত থেকে শুরু করে উদাস করা বাউল ও সুফি সুর—বাংলা সংগীতের সমৃদ্ধ ও বৈচিত্র্যময় রূপকে একই মঞ্চে প্রত্যক্ষ করল রাজধানীর গানপ্রেমী মানুষ। শনিবার (২৬ সেপ্টেম ...
জাতিসংঘে জিয়া পরিবারের তিন অধ্যায় :আন্তর্জাতিক অর্থনৈতিক ন্যায়বিচার থেকে নতুন বৈশ্বিক বাস্তবতা—বাংলাদেশের কূটনৈতিক অগ্রাধিকারের বিবর্তনকৃষিবিদ নিয়াজ ইকবাল পাভেল।।১৯৮০ থেকে ২০২৬—সময়ের হিসাবে ৪৬ বছর। এই ...
সব মন্তব্য
No Comments