ডেস্ক রিপোর্ট: দেশের চলমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় প্রধান উপদেষ্টা সকল নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের সাথে আলোচনার সিদ্ধান্ত নিলেও বিশেষ কিছু রাজনৈতিক দলের সংগে আলোচনা বসবে না। তন্মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক জননেতা রাশেদ খান মেননের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টিকে ডাকা হবে না বলে আমরা শুনেছি। এক যাত্রার পৃথক ফলের এরূপ সিদ্ধান্ত অন্তবর্তী সরকার কেন নিচ্ছেন তা আমাদের বোধগম্য নয়। এদেশের প্রতিটি গণসংগ্রামের লড়াকু, আইনী নিবন্ধিত পার্টি যার রাজনৈতিক ইতিহাস বাংলাদেশের ইতিহাসের বাকমোড়ে তাদের নাম লেখা রয়েছে, সেরূপ একটি পার্টির মতামত অগ্রাহ্য করার বিষয়টি পরিপূর্ণভাবেই বৈষম্যমূলক ও অগণতান্ত্রিক। আইনী কোন বিধি নিষেধ না থাকার পরও ওয়ার্কার্স পার্টিকে আলোচনা থেকে বঞ্চিত করার অধিকার এই অন্তবর্তী সরকারের নেই। একটি রাষ্ট্রীয় নিবদ্ধিত পার্টির অধিকারকে অস্বীকার করা হচ্ছে যা স্থিতিশীলতা ও গণতন্ত্রের জন্য সহায়ক নয়। আমরা দাবী করবো দেশের চলমান রাজনৈতিক আলোচনায় দলগুলোর সাথে ওয়ার্কার্স পার্টিকে অন্তর্ভুক্ত করা হোক।
স্টাফ রিপোর্টার: জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি, নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের লাগামহীন ঊর্ধ্বগতি, গ্যাস-বিদ্যুৎ-পানি সংকট এবং বেহাল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির প্রতিবাদে সমাবেশ করেছে গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট।মঙ্গ ...
পঞ্চগড় প্রতিনিধি: পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ বলেছেন, ফ্যাসিবাদের সঙ্গে কোনো ধরনের আপস বা আতাত না করে দলীয় নেতাকর্মীদের সতর্ক থাকতে হবে। একই সাথে তিনি বলেছেন, আসন্ন স্থানীয় নির্বাচনে জয় ...
স্টাফ রিপোর্টার: মিরপুরে রাড্ডা স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্র পরিদর্শন করেছে গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল।আজ মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬) গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী (ভারপ্রাপ্ত) দেওয়ান আ ...
স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর মগবাজারের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি নিয়ে জরুরি ব্রিফিং করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। আজ ২৮ সেপ্টেম্বর সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় আয়োজিত এই ব্রিফিংয়ে বক ...
সব মন্তব্য
No Comments