স্টাফ রিপোর্টার: বহুল আলোচিত এলিট ফোর্স র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব) বিলুপ্ত করে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) বিল ২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) বিকেলে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশনে কণ্ঠভোটে বিলটি পাস হয়। এদিন সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। দিনের কার্যসূচি অনুযায়ী আইন পাসের কার্যক্রম শুরু হলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি কর্তৃক সুপারিশকৃত সংশোধিত আকারে বিলটি চূড়ান্ত অনুমোদনের জন্য উত্থাপন করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
এর আগে ১৭ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভা বৈঠকে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি) আইন ২০২৬ এর খসড়া চূড়ান্ত অনুমোদন দেয়। ৩ সেপ্টেম্বর বিলটি প্রথম সংসদে উত্থাপনের পর যাচাই-বাছাইয়ের জন্য সংসদীয় কমিটিতে পাঠানো হয়। ৯ সেপ্টেম্বর কমিটির প্রতিবেদন সংসদে উত্থাপন করেন চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি।
বিলের ওপর বিরোধী দল সাতটি আপত্তি জানায়। নোট অব ডিসেন্টে বিরোধী সদস্যরা বলেন, র্যাব বিলুপ্ত করে নতুন বাহিনী গঠনের আগে যথাযথ জাতীয় পরামর্শ ও শক্তিশালী জবাবদিহির ব্যবস্থা নিশ্চিত করা প্রয়োজন। তাদের আপত্তির মধ্যে ছিল বিলটি দ্রুত পাস, র্যাবের জনবল-সম্পদ ও রেকর্ড সরাসরি এসআরবিতে হস্তান্তর, অভিযোগ তদন্তের কাঠামো, গ্রেফতার ও আটকের ক্ষমতা এবং বেআইনি আদেশ মানতে অস্বীকারকারী সদস্যদের সুরক্ষা। বিরোধীদলীয় নেতা আলোচনায় বলেন, র্যাব বিলুপ্ত করে নতুন নামে একই ধরনের বাহিনী গঠন জনগণ ও বিশ্ব সম্প্রদায়ের প্রত্যাশা পূরণ করবে না।
জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, র্যাব বিলুপ্ত করার বিষয়টি সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার ও ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের অঙ্গীকারের অংশ। র্যাবের সঙ্গে এসআরবির কোনও সংস্পর্শ নেই। র্যাব বিলুপ্ত হওয়ার পর রাষ্ট্রীয় সম্পদ অপচয় না করে নতুন সংস্থায় সেগুলো হস্তান্তর করা হবে।
পাস হওয়া আইন অনুযায়ী, এসআরবি পুলিশ বাহিনীর আওতাধীন একটি বিশেষায়িত ইউনিট হিসেবে কাজ করবে। এর সদর দফতর থাকবে ঢাকায়। বাংলাদেশ পুলিশের অন্যূন অতিরিক্ত আইজিপি পদমর্যাদার একজন কর্মকর্তা মহাপরিচালক হিসেবে নেতৃত্ব দেবেন। সরকার প্রয়োজন অনুযায়ী পুলিশ ও অন্যান্য শৃঙ্খলা বাহিনী থেকে পদায়ন বা প্রেষণে জনবল নিয়োগ করবে।
আইনের ১০ ধারা অনুযায়ী এসআরবির দায়িত্বের মধ্যে থাকবে জননিরাপত্তা রক্ষা, সন্ত্রাস ও সংঘবদ্ধ অপরাধ দমন, বেআইনি অস্ত্র, গোলাবারুদ ও বিস্ফোরক উদ্ধার, মাদক, সাইবার অপরাধ, গুম, ভূমিদস্যুতা, নারী ও শিশু নির্যাতন, ধর্ষণ, মানবপাচার ও অপহরণসহ মানবতাবিরোধী অপরাধের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ।
বিলের ১২ ও ১৩ ধারায় এসআরবিকে ফৌজদারি কার্যবিধি অনুসরণ করে কোনও স্থানে প্রবেশ, তল্লাশি, জব্দ ও গ্রেফতারের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। তবে গ্রেফতারকৃত ব্যক্তি বা জব্দকৃত আলামত এসআরবির কাছে রাখা যাবে না, অনতিবিলম্বে নিকটস্থ থানায় হস্তান্তর করতে হবে। এছাড়া নাগরিকদের অভিযোগ এবং এসআরবি সদস্যদের অভ্যন্তরীণ অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য একটি বহুদলীয় অভিযোগ প্রতিকার কমিটি গঠনের বিধান রাখা হয়েছে। র্যাবের বিদ্যমান জনবল, কর্তৃত্ব, সুবিধা, তহবিল, সম্পত্তি, হিসাব ও রেকর্ড এসআরবিতে হস্তান্তরিত হবে।
খুলনা থেকে মোঃ নূর আলমঃ বাংলাদেশের জ্বালানি খাত জীবাশ্ম জ্বালানি ও আমদানি নির্ভরতার বেড়াজালে আটকা। এলএনজি আমদানি ও ক্যাপাসিটি চার্জের মাধ্যমে যে বিপুল পরিমাণে টাকা খরচ হচ্ছে তার একাংশ নবায়নযোগ্য জ্বাল ...
স্টাফ রিপোর্টার: জাতীয় সংসদে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়; প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়; সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত এই চারটি সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে।ব ...
স্টাফ রিপোর্টার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গালাগালির সংস্কৃতির বিরুদ্ধে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেছেন, বর্তমানে দেশে গণতান্ত্রিক একটি পরিবেশ বিরাজ করছে, বাক স্বাধীনতা অবারিত। কিন্তু আমা ...
স্টাফ রিপোর্টার: অন্তর্বর্তী সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান গ্রামীণ কল্যাণকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) দাবি করা ৬৬৬ কোটি টাকা কর পরিশোধ করতে হবে বলে রায ...
সব মন্তব্য
No Comments