ডেস্ক রিপোর্ট: জার্মানী শনিবার শেষ তিনটি পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র বন্ধ করছে। গ্রিড থেকে বিচ্ছিন্ন করা হচ্ছে এসব বিদ্যুৎ কেন্দ্র। আর এর মধ্যদিয়ে দেশটিতে পরমাণু যুগের অবসান ঘটতে যাচ্ছে।
যদিও ছয়মাস আগে পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে সরে আসার কথা ছিল জার্মানির। কিন্তু রুশ-ইউক্রেন যুদ্ধের কারনে এক্ষেত্রে কিছুটা বিলম্ব ঘটে।
কারণ, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলে মস্কো থেকে গ্যাস সরবরাহ কার্যত বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর জার্মানিতে জ্বালানি–সংকটের আশঙ্কা বেড়ে গিয়েছিল। কিন্তু সরকারের তৎপরতা দ্রুত বিকল্প উৎসের ব্যবস্থা করা হয়। ফলে পারমানবিক উৎসের ওপর নির্ভরতা করার আর কোন কারন ছিল না।
এদিকে জার্মানির জ্বালানি প্রস্তুতকারক কোম্পানিগুলো পারমাণবিক বিদ্যুৎ বন্ধ হওয়ার পর ঘাটতি পূরণ করতে আরও দ্রুতগতিতে গ্যাসচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্র্র গড়ে তোলার ডাক দিয়েছে। ভবিষ্যতে এমন কেন্দ্র গ্যাসের বদলে হাইড্রোজেন দিয়েও চালানো সম্ভব হতে পারে। তবে এমন কেন্দ্রে বিনিয়োগের জন্য সরকার কোনো উৎসাহ না দেওয়ায় সেই উদ্যোগে গতি আসছে না।
জাপানের ফুকুশিমা পারমাণবিক কেন্দ্রে বিপর্যয়ের পর জার্মান সরকার ২০১১ সালে এ ধরনের বিদ্যুৎ কেন্দ্র পুরোপুরি বন্ধের সিদ্ধান্ত নেয়। এর আগে ২০০২ সালেও তৎকালীন সরকার নীতিগতভাবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। তবে চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের পর নতুন করে কোনো কেন্দ্রের অনুমতি দেওয়া হয়নি।
উল্লেখ্য, জার্মানীতে ১৯৬৭ সালে প্রথম পারমানবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের যাত্রা শুরু হয়।
বাসস
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: বিশ্ব বাণিজ্যের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ নৌপথ হরমুজ প্রণালি ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চলমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরান প্রণালিটি দিয়ে প্ ...
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের কেরালা, আসাম ও পুদুচেরিতে আজ বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল ২০২৬) একযোগে বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী সকাল ৭টা থেকে ভোটগ্রহণ ...
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল–কে ঘিরে ঘোষিত সাময়িক যুদ্ধবিরতি শুরুর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই তা ভেঙে পড়ার শঙ্কা দেখা দিয়েছে। সর্বশেষ পরিস্থিতিতে অঞ্চলজুড়ে নতুন করে উত্তেজনা ...
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: একটানা ৬২ দিনের তীব্র সংঘাতের পর মধ্যপ্রাচ্যে সাময়িক স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দুই সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করেছেন, যা আনুষ্ঠানিকভাবে ...
সব মন্তব্য
No Comments