মেধার স্বীকৃতি দিল সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজ ‘প্রিন্সিপাল অ্যাওয়ার্ড’ পেল শীর্ষ ১০ শিক্ষার্থী

প্রকাশ : 22 Aug 2026
মেধার স্বীকৃতি দিল সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজ ‘প্রিন্সিপাল অ্যাওয়ার্ড’ পেল শীর্ষ ১০ শিক্ষার্থী



স্টাফ রিপোর্টার: উৎসবমুখর ও আনন্দঘন পরিবেশে দেশসেরা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সামসুল হক খান স্কুল অ্যান্ড কলেজের অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষায় মেধা তালিকায় শীর্ষ স্থান অর্জনকারী শিক্ষার্থীদের প্রদান করা হয়েছে ‘প্রিন্সিপাল অ্যাওয়ার্ড’। গতকাল শনিবার পরীক্ষায় কৃতিত্বপূর্ণ ফলাফলের স্বীকৃতিস্বরূপ শীর্ষ ১০ (টপ টেন) শিক্ষার্থীর হাতে এই বিশেষ সম্মাননা তুলে দেওয়া হয়। 

এসময় অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্যে রাখেন প্রতিষ্ঠানের প্রিন্সিপাল ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা। এ সময় শিক্ষার্থীদের পড়ালেখার গুণগত মান ও ফলাফলের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা দেন তিনি। সমসাময়িক বিশ্বায়নের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শিক্ষার্থীদের শুধু পাঠ্যবইয়ে সীমাবদ্ধ না থেকে ডিজিটাল প্রযুক্তি ও নৈতিক শিক্ষায় দক্ষ হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন ড. মাহবুবুর রহমান মোল্লা। তিনি বলেন, সম্প্রতি একটি বিশেষ স্বার্থান্বেষী মহল সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও কিছু গণমাধ্যমে আমাদের প্রিয় প্রতিষ্ঠানকে নিয়ে মিথ্যা, মনগড়া ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রচার করছে। এসব অসত্য সংবাদ ও অপপ্রচারে কান না দিয়ে সত্যতা যাচাই করার জন্য আমি সম্মানিত অভিভাবকদের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানাচ্ছি। প্রতিষ্ঠানের সার্বিক উন্নয়ন ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ বজায় রাখতে আপনাদের সহযোগিতা আমাদের পথচলাকে আরও সুদৃঢ় করবে। অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত অভিভাবকগণও তাঁদের মতামত ব্যক্ত করেন। নবম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক বলেন,শিক্ষকদের আন্তরিকতা ও সঠিক দিকনির্দেশনার কারণেই আজ আমাদের সন্তানরা এই শুভ মুহূর্তে পৌঁছাতে পেরেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ভুল তথ্য দেখে আমরা কিছুটা উদ্বিগ্ন হলেও কর্তৃপক্ষের বস্তুনিষ্ঠ ভূমিকা আমাদের আশ্বস্ত করেছে। আমরা সব সময় প্রতিষ্ঠানের ইতিবাচক অগ্রযাত্রায় পাশে থাকব। পুরস্কারপ্রাপ্ত একাধিক শিক্ষার্থী তাদের উচ্ছ্বসিত অনুভূতি ব্যক্ত করে। অর্ধ-বার্ষিক পরীক্ষায় প্রথম স্থান অর্জনকারী এক শিক্ষার্থী বলেছেন, প্রিন্সিপাল স্যারের কাছ থেকে এই অ্যাওয়ার্ড পেয়ে আমার অনেক আনন্দ লাগছে। এই স্বীকৃতি আমাদের আগামী দিনের চূড়ান্ত পরীক্ষার প্রস্তুতিকে আরও বেগবান করবে। আমরা আমাদের ফলাফলের এই ধারাবাহিকতা ধরে রাখার আপ্রাণ চেষ্টা করব। আরেক শিক্ষার্থী বলেন,আজকে প্রিন্সিপাল স্যারের হাত থেকে পুরস্কার পাওয়া মানে জীবনের অন্যতম সেরা ও মধুর অনুভূতি। এটি কঠোর পরিশ্রম ও সাফল্যের এক দারুণ স্বীকৃতি, যা শিক্ষার্থী বা কর্মীর আত্মবিশ্বাস বহুগুণ বাড়িয়ে দেয় এবং ভবিষ্যতে আরও ভালো করার অনুপ্রেরণা জোগায়। তিনি বলেন, সামনের দিনগুলোতে লেখাপড়ার গুণগতমান অনেক বেড়ে যাবে আমার। তৃতীয়স্থান অর্জন করা আরেক শিক্ষার্থী বলেন, আমার শ্রদ্ধেয় প্রিন্সিপাল স্যারের কাছ থেকে অ্যাওয়ার্ড পেয়ে অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত বোধ করছি। শিক্ষকের হাত থেকে কোনো সম্মাননা বা পুরস্কার পাওয়া যেকোনো শিক্ষার্থীর জন্য বড় অর্জন ও অনুপ্রেরণা বলে জানান তিনি।

সম্পর্কিত খবর

;