ফরিদপুর অফিস: পানিসম্পদ উপ-মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম এনামুল হক শামীম এমপি বলেছেন, আওয়ামী লীগকে ধাক্কা দিয়ে ফেলা যাবে না। এ দলের শিকড় অনেক গভীরে। আওয়ামী লীগ গণমানুষের দল। উর্দি পরে ক্ষমতারোহণ করা দল নয়। এই দলের জন্মই হয়েছিল মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য, মুক্তির জন্য। দেশের ৭০ ভাগ মানুষ এখনো বঙ্গবন্ধুকন্যাকে সমর্থন করে। কাজেই এই দলকে ধাক্কা দিয়ে ফেলা সম্ভব না। আন্দোলনে ব্যর্থ, নির্বাচনে পরাজিত হতাশ বিএনপির নেতাকর্মীরা সরকারকে ধাক্কা দিয়ে ফেলতে চাইছেন। কিন্তু সম্ভব না।
জাতীয় শোক দিবস ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের শাহাদাত বার্ষিকী উপলক্ষে আজ শরীয়তপুরের সখিপুর ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে থানা আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠন আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এনামুল হক শামীম বলেন, বিএনপি সেনা ছাউনিতে জন্ম। খুনি জিয়াউর রহমান উর্দি পরে ক্ষমতা দখল করে। পরে নিজেকে রাজনীতিবিদ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করারও চেষ্টা করে। আর্মি রুলস ভঙ্গ করে একটা রাষ্ট্রপতি নির্বাচনও করে। ভোট কারচুপি ও ভোটচুরির কালচার তো সেখান থেকে শুরু। এরপর বিএনপি নামক সেই দল করে। সেই দলের নেতারা বলেন, সরকারকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেবে। তিনি বলেন, আপনারা তো কত বছর হলো আন্দোলন করছেন? একদফা দিয়ে পতন ঘটাবেন? পেরেছেন? জনগণ আপনাদের সাথে আছে? কারণ আপনারা তো জনগণের কল্যাণে রাজনীতি করেন না।
বিএনপি নেতাদের উদ্দেশে ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শামীম বলেন, আপনারা ক্ষমতায় থাকলে অর্থ লুটপাট, দুর্নীত। আর ক্ষমতার বাইরে থাকলে মানুষ হত্যার রাজনীতি করেন। অন্যদিকে আওয়ামী লীগ জনগণের কল্যাণে রাজনীতি করে। সে কারণে বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশের মানুষের কথা চিন্তা করে সর্বজনীন পেনশন ঘোষণা করেছেন। মানবিক ও সামাজিক কল্যাণ রাষ্ট্র গঠন করার লক্ষ্যেই ১৯৯৬ সালে সরকার গঠন করার পর বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বয়স্ক ভাতা ও বিধবা ভাতা চালু করেছেন। সরকার ২২ প্রকার ভাতা দেয়া হয়।
তিনি বলেন, যে কুষ্ট রোগীর পাশে আত্মীয়-স্বজনও যায় না, যে বেদে সম্প্রদায় নৌকায় বসবাস করে, যারা ঘর বাঁধে না, যে মানুষটি মানুষের ধারে ধারে ভিক্ষা করতো, রোদে পুড়ে বৃষ্টিতে ভিজতো, সে কখনো পাকা দালানের স্বপ্ন দেখতো না। সে স্বপ্ন দেখতো আমার যদি একটি দোচালা ঘর হতো, তাদের স্বপ্নকেও হার মানিয়ে শেখ হাসিনা জমির মালিকানাসহ ইতোমধ্যে সাড়ে আট লাখ পাকা টিনশেড ঘর করে দিয়েছেন। এটাই হচ্ছে শেখ হাসিনার রাজনীতি। এখানেই আওয়ামী লীগ আর বিএনপির রাজনীতির পার্থক্য।
সখিপুর থানা আওয়ামী লীগ ও ভেদরগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. হুমায়ুন কবির মোল্যার সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান মানিক সরকারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক অনল কুমার দে, সহ-সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবুর রহমান সিকদার। এসময় জেলা পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান এমএ কাইউম, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক উপ কমিটির সদস্য জহির সিকদার, সখিপুর থানা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি জিতু মিয়া বেপারী, আলী আকবর পাইক, সহ-কহিনুর সুলতানা দোলা, আনোয়ার হোসেন বালা, নাসির সরদার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান মানিক সরদার প্রমূখ।
স্টাফ রিপোর্টার: জুলাই গণঅভ্যুত্থানের অঙ্গীকার ও সংকল্প রক্ষায় আন্দোলনরত বিভিন্ন সংগঠনের সংগঠকদের সঙ্গে মতবিনিময় করেছে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)। আজ বিজয়নগরস্থ কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এ সভায় জুলাই ...
স্টাফ রিপোর্টার: জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য প্রস্তাবিত বাজেটের ওপর সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে পরস্পরের কঠোর সমালোচনা করেছেন সরকার ও বিরোধী দলের সদস্যরা। জুলাই অভ্যুত্থানের চেতনাকে ব্যক্তিগত স্বা ...
ডেস্ক রিপোর্ট: বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপি এবং চীনের কমিউনিস্ট পার্টির সিপিসির মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক এমওইউ স্বাক্ষরিত হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন চীনের স্থানীয় সময় সকাল ৮টা ৪৫ মিনিটে বেইজিংয়ে ...
স্টাফ রিপোর্টার: ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট নিয়ে জাতীয় সংসদে সাধারণ আলোচনায় সরকারি ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের মধ্যে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য উঠে এসেছে। সরকারি দলের সদস্যরা বাজেটকে গণমুখী ও ‘ইতিহ ...
সব মন্তব্য
No Comments