সামসুল আলম সজ্জন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচন এবং হল সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ৯ সেপ্টেম্বর। আগামীকাল সোমবার (২৫ আগস্ট) পর্যন্ত প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সুযোগ পাবেন প্রার্থীরা। এরপর ২৬ আগস্ট চূড়ান্ত প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হবে। তারপর থেকে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণায় নামবেন প্রার্থীরা। এর আগে কেউ প্রচার চালালে সেটি ডাকসু নির্বাচনের আচরণ বিধি ভঙ্গ হিসেবে বিবেচিত হবে এবং শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। যদিও এরইমধ্যে বিভিন্ন দল ও জোটের প্রার্থীরা শিক্ষার্থীদের সাথে সালাম ও কুশল বিনিময় শুরু করেছেন।
এবারের ডাকসু নির্বাচনে মোট ভোটার ৩৯ হাজার ৭৭৫ জন । এর মধ্যে নারী ভোটার ১৮ হাজার ৯০২ জন আর পুরুষ ভোটার ২০ হাজার ৮৭১ জন।
ডাকসু নির্বাচনে বিভিন্ন ছাত্রসংগঠন, স্বতন্ত্রসহ ১০টির মতো প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। ভিপি, জিএস, এজিএসসহ ডাকসুর কেন্দ্রীয় সংসদে পদ রয়েছে ২৮টি। এসব পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে ৫০৯টি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছিল। বৈধ প্রার্থী তালিকা অনুযায়ী মোট প্রার্থী চূড়ান্ত হয়েছে ৪৬২ জন। ডাকসুর ভিপি পদে ৪৮ জন, জিএস পদে ১৯ জন ও এজিএস পদে ২৮ জনের প্রার্থিতা প্রাথমিকভাবে বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে। ১২টি সম্পাদকীয় পদে প্রার্থী হয়েছেন সর্বনিম্ন ৯ থেকে সর্বোচ্চ ১৯ জন। আর ১৩টি সদস্যপদের জন্য ২১৫ জনের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে।
যাচাই-বাছাইয়ে ৪৭টি মনোনয়নপত্র প্রাথমিকভাবে ত্রুটিপূর্ণ বিবেচিত হয়। গত ২২ ও ২৩ আগস্ট দুইদিনে খসড়া তালিকা থেকে বাদ পড়া মোট ৩৪ জন প্রার্থী আপিল করেন। তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আপিল নিষ্পত্তির শেষ সময়সীমা আজ। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষদিন আগামীকাল সোমবার। ২৬ আগস্ট চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশিত হবে। এরপর থেকে আনুষ্ঠানিক প্রচারণা শুরু করা যাবে। এবারের নির্বাচনে রেকর্ড সংখ্যক প্রার্থীরা লড়াই করবেন। ৫ পৃষ্ঠার ব্যালট পেপারে ভোট দিতে একেকজন ভোটারের সময় লাগবে কমপক্ষে ৭ মিনিট।
ছাত্রীদের জন্য ৫টিসহ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট হল আছে ১৮টি। প্রতিটি হল সংসদে ভিপি (সহসভাপতি) ও জিএসসহ (সাধারণ সম্পাদক) পদ আছে ১৩টি। সে হিসাবে সব হল মিলিয়ে মোট ২৩৪টি পদ আছে। এর বিপরীতে প্রাথমিক যাচাই-বাছাইয়ে ১ হাজার ১০৮ জন শিক্ষার্থীর মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে।
কেন্দ্রীয়ভাবে ১০টির মতো প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও কোনো ছাত্রসংগঠন বা জোটের পক্ষ হতে হল সংসদের নির্বাচনে পূর্ণাঙ্গ প্যানেল দিতে পারেনি। ১৮টি হলের মধ্যে ছাত্রদল সর্বোচ্চ ১৪টিতে পূর্ণাঙ্গ প্যানেল দিতে পেরেছে। তবে প্যানেল ঘোষণা না করলেও বিভিন্ন হল সংসদে অনেক স্বতন্ত্র প্রার্থীকে সমর্থন দিচ্ছে প্রতিরোধ পর্ষদ, অপরাজেয় ৭১-অদম্য ২৪ প্যানেল, ঐক্যবদ্ধ শিক্ষার্থী জোট সহ বিভিন্ন প্যানেল।
প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় ইতিমধ্যে হল সংসদের নির্বাচনে দুটি সম্পাদকীয় পদে ভোট ছাড়াই নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন দুই প্রার্থী। তাদের একজন বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল সংসদের নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দেয়া রেহেনা আক্তার এবং অপরজন শামসুন নাহার হল সংসদের নির্বাচনে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের প্যানেলের প্রার্থী লামিয়া আক্তার (লিমা)। উল্লিখিত উভয় প্রার্থীর ক্ষেত্রেই উক্ত দুই ছাত্রী হলে বহিরঙ্গন ক্রীড়া সম্পাদক পদে একটি করে মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে।
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি: বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল অনকোলজি বিভাগে বিদেশি ফ্যাকাল্টির অংশগ্রহণে নিয়মিত অনলাইন ক্লাস কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন বিএমইউ এর মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ...
রাহাদ সুমন বিশেষ প্রতিনিধি: শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
...
বিশ্বিবদ্যালয় প্রতিনিধি: বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় বিএমইউ এর নবনিযুক্ত উপাচার্য প্রখ্যাত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী রবিবার ৫ এপ্রিল ২০২৬ইং তারিখ অপরাহ্নে অ ...
স্টাফ রিপোর্টার: শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন জানিয়েছেন, শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করে আবারও সপ্তাহে ছয় দিন শ্রেণিকক্ষ খোলা রাখার বিষয়ে ভাবনা চলছে।
মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) ...
সব মন্তব্য
No Comments