প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

বৃত্তি পেল ৮২ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী, ট্যালেন্টপুলে ৩৩ হাজার

প্রকাশ : 12 Jul 2026
বৃত্তি পেল ৮২ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী, ট্যালেন্টপুলে ৩৩ হাজার

স্টাফ রিপোর্টার: প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর ২০২৫ সালের পঞ্চম শ্রেণির বৃত্তি পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেছে। এ বছর মোট ৮২ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থীকে বৃত্তি দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ট্যালেন্টপুলে ৩৩ হাজার এবং সাধারণ গ্রেডে ৪৯ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে। মেধা তালিকায় ছাত্র ও ছাত্রীর সংখ্যা সমান ৫০ শতাংশ করে রাখা হয়েছে।


এবার সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়ের জন্য আলাদা কোটা নির্ধারণ করা হয়েছে। মোট বৃত্তির ৮০ শতাংশ অর্থাৎ ৬৬ হাজার শিক্ষার্থী নির্বাচিত হয়েছে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে। বাকি ২০ শতাংশ বা ১৬ হাজার ৫০০ শিক্ষার্থী বৃত্তি পেয়েছে বেসরকারি কিন্ডারগার্টেন থেকে। ট্যালেন্টপুলের ৩৩ হাজার বৃত্তির মধ্যে সরকারি বিদ্যালয়ের জন্য ২৭ হাজার ৫০০ ও বেসরকারি বিদ্যালয়ের জন্য ৫ হাজার ৫০০টি নির্ধারিত। সাধারণ গ্রেডের ৪৯ হাজার ৫০০টির মধ্যে সরকারি ৪১ হাজার ২৫০ ও বেসরকারি ৮ হাজার ২৫০টি।


ট্যালেন্টপুলে বৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীরা মাসে ৩০০ থেকে ৩৫০ টাকা এবং বছরে এককালীন ২২৫ টাকা পাবে। সাধারণ গ্রেডে মাসিক ২২৫ থেকে ২৫০ টাকা এবং বছরে এককালীন ২২৫ টাকা দেওয়া হবে। ষষ্ঠ থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পরবর্তী তিন বছর এই আর্থিক সুবিধা ভোগ করবে শিক্ষার্থীরা। ভবিষ্যতে বৃত্তির টাকার পরিমাণ দ্বিগুণ থেকে চার গুণ পর্যন্ত বাড়ানোর প্রস্তাবও সরকারের বিবেচনাধীন রয়েছে।


গত ১৫ থেকে ১৮ এপ্রিল ২০২৬ সারাদেশে প্রাথমিক বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। তিন পার্বত্য জেলায় ১৭ থেকে ২০ এপ্রিল বিশেষ সূচিতে পরীক্ষা নেওয়া হয়। মোট পরীক্ষার্থী ছিল ৬ লাখ ৪০ হাজারের বেশি। ফল প্রকাশ করা হয়েছে ৯ জুলাই ২০২৬, বৃহস্পতিবার। শিক্ষার্থীরা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইট www.dpe.gov.bd এবং IPEMIS পোর্টাল ipemis.dpe.gov.bd-তে রোল নম্বর দিয়ে ফল দেখতে পারবে। এছাড়া মোবাইলে DPE <স্পেস> রোল নম্বর <স্পেস> ২০২৫ লিখে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়েও ফল জানা যাবে।


নতুন নীতিমালা অনুযায়ী সরকারি ও বেসরকারি বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির সর্বোচ্চ ৪০% শিক্ষার্থী বৃত্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে পেরেছে। পরীক্ষা হয়েছে বাংলা, ইংরেজি, প্রাথমিক গণিত এবং বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয় ও প্রাথমিক বিজ্ঞান বিষয়ে। মোট ১০০ নম্বরের পরীক্ষা ২ ঘণ্টায় নেওয়া হয়েছে। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ঝরে পড়া বন্ধ, শ্রেণিকক্ষে উপস্থিতি বাড়ানো ও মেধা বিকাশের লক্ষ্যে এই বৃত্তি দেওয়া হয়।


সম্পর্কিত খবর

;