স্কুল ধ্বংস করে গাজায় ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হচ্ছে

প্রকাশ : 12 Aug 2025
স্কুল ধ্বংস করে গাজায় ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে নিশ্চিহ্ন করে দেওয়া হচ্ছে

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইসরায়েলের নৃশংস হামলায় গাজায় গত দুই বছরে কমপক্ষে ৬১ হাজার ৪৯৯ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। ৭ অক্টোবর ২০২৩ থেকে শুরু হওয়া এ হামলায় আহত হয়েছেন ১ লাখ ৫৩ হাজারের বেশি মানুষ। নিহতদের মধ্যে সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী রয়েছেন অন্তত ২৭০ জন।


গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এবং ফিলিস্তিনের সংবাদ সংস্থা ওয়াফা থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, গাজায় গত ২৪ ঘণ্টায় দুই শিশুসহ আরও ছয় ফিলিস্তিনির অনাহারে মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে উপত্যকাটিতে অনাহারে মৃত্যুর সংখ্যা ২২২–এ পৌঁছাল, যাদের মধ্যে ১০১টি শিশু।


ফিলিস্তিনি শরণার্থীদের জন্য জাতিসংঘের সংস্থা ইউএনআরডব্লিউএ বলেছে, অনাহার আর বোমাবর্ষণে গাজার শিশুরা মারা যাচ্ছে।


বেশিরভাগ শিশুই কোনো ধরনের শিক্ষার সুযোগ পাচ্ছে না এবং বেশিরভাগ স্কুল ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।


সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক পোস্টে ইউএনআরডব্লিউএ আরও বলেছে, ‘পুরো পরিবার, আশপাশের লোকজন এবং একটি প্রজন্ম নিশ্চিহ্ন হয়ে যাচ্ছে। নিষ্ক্রিয়তা ও নীরবতা এ অপরাধকাণ্ডে সহায়তা করছে। একটি যুদ্ধবিরতির জন্য কথাকে কাজে পরিণত করার এখনই সময়।’


জাতিসংঘের বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচি (ডব্লিউএফপি) বলেছে, গাজায় ক্ষুধা ও অপুষ্টির মাত্রা এযাবৎকালের সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছেছে। সেখানে এক-তৃতীয়াংশের বেশি মানুষ কয়েক দিন ধরে না খেয়ে আছেন। আর ৫ লাখ মানুষ দুর্ভিক্ষের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছেন।


সংস্থাটি গাজায় আরও বড় মাত্রার বিপর্যয় এড়াতে প্রচুর পরিমাণে খাদ্যসহায়তা বৃদ্ধি করতে বলেছে।


কাতারভিত্তিক আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম আল-জাজিরা জানিয়েছে, গতকাল সোমবার (১১ আগস্ট) ভোর থেকে গাজাজুড়ে ইসরায়েলের হামলায় কমপক্ষে ৪৬ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন, যাঁদের মধ্যে ৬ জন ত্রাণপ্রত্যাশীও রয়েছেন।

সম্পর্কিত খবর

;