ভেনেজুয়েলার ভবিষ্যৎ ঐক্য রক্ষায় জনগণের রায়: মার্কিন চাপ উপেক্ষা করে
ডেস্ক রিপোর্ট: ভেনেজুয়েলায় টানা তৃতীয়বারের মতো প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হয়েছেন সমাজতান্ত্রিক ইউনাইটেড সোশ্যালিস্ট পার্টি অব ভেনেজুয়েলার (পিএসইউভি) প্রার্থী নিকোলাস মাদুরো।
মার্কিন সাম্রাজ্যবাদের সরাসরি বিরোধিতা করে ভোটের ময়দানে ছিলেন মাদুরো। তিনি বাম ও গণতান্ত্রিক দলগুলোর একটি বিশাল জোটের নেতৃত্ব রয়েছেন, যারা ২৫ বছর আগে সংঘটিত বলিভারিয়ান বিপ্লবকে রক্ষা করতে একত্র হয়েছে। কারাকাসের মাউন্টেন বারাকের ভোটকেন্দ্রে নিজের ভোট দিয়ে মাদুরো বলেছেন, ‘‘ভেনেজুয়েলার ভবিষ্যৎ ঐক্য ঠিক করবে এই নির্বাচন। ভোট দিন তার জন্য।’’
আর তাঁর প্রতিদ্বন্দী ছিলেন দক্ষিণপন্থী ইউনিটারি ডেমোক্র্যাটিক প্ল্যাটফর্মের প্রার্থী এডমুন্ডো গনজালেজ। এবার সব বিরোধী দল ঐক্যবদ্ধ হয়ে এডমুন্ডো গনজালেজকে প্রেসিডেন্ট পদে প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করেছে। মার্কিন মদতে গনজালেজের পক্ষে ভেনেজুয়েলার মাটিতে সরাসরি প্রচারে নেমেছিল পশ্চিমা সংবাদমাধ্যম।
কয়েক সপ্তাহের জোর প্রচার শেষে গতকাল রোববার স্থানীয় সময় সকাল থেকে শুরু হয় ভোটগ্রহণ। দেশটির নির্বাচনে ২ কোটি ১০ লাখ নিবন্ধিত ভোটার রয়েছেন। সন্ধ্যা ৬টায় ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও ভোটার বেশি থাকায় তা অতিরিক্ত সময়ে গড়ায়। দেশটির আইন অনুসারে, নির্বাচনে ইলেকট্রনিক পদ্ধতি ব্যবহার করে ভোট হয়। তবে প্রতিটি ভোটের জন্য একটি কাগজের রসিদও প্রিন্ট করা হয়, যা পরে ব্যালট বাক্সে রাখা হয়। সেই ব্যালট গণনা করতে দলগুলো প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে সাক্ষী নিয়োগ দিতে পারবে।
দেশটির ন্যাশনাল ইলেক্টোরাল কাউন্সিলের (সিএনই) প্রধান এলভিস আমরোসো জানিয়েছেন, প্রাথমিক ফলাফলে ৫১ দশমিক ২ শতাংশ ভোট পেয়েছেন মাদুরো, আর তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী এডমুন্ডো গনজালেজ পেয়েছেন ৪৪ দশমিক ২ শতাংশ ভোট।
নির্বাচনের ফলাফল অনুযায়ী নিকোলাস মাদুরো টানা তৃতীয় মেয়াদে দেশটির প্রেসিডেন্ট হতে চলছেন, যা ২০২৫ সালে শুরু হয়ে ছয় বছর চলবে।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালে বলিভারিয়ান বিপ্লবের প্রবক্তা বামপন্থী নেতা প্রেসিডেন্ট হুগো শ্যাভেজের মৃত্যুর পর থেকে নির্বাচিত হয়ে ১১ বছর ধরে প্রেসিডেন্ট পদে রয়েছেন নিকোলাস মাদুরো। এই নির্বাচনকে মাদুরোর রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে বড় পরীক্ষা হিসেবে বিবেচনা করা হয়। কারণ, নির্বাচনী প্রচারণায় মাদুরোকে সামলাতে হয়েছে একের পর এক ঝড়। গত এক দশক ধরেই একের পর এক হামলা চলছে। তাঁর বিরুদ্ধে অভ্যুত্থান হয়েছে, আধা সামরিক বাহিনীকে ব্যবহার করা হয়েছে। দেশের অর্থনীতি ভাঙতে তেলের উৎপাদন স্তব্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা হয়েছে। আমেরিকারই সরাসরি নির্দেশে জারি হয়েছে বৈদেশিক লেনদেনে নিষেধাজ্ঞা। তার প্রভাব পড়েছে অর্থনীতিতে, মানুষের জীবনে। বলা হয়েছে, মাদুরোকে হটালেই মিলবে উন্নত জীবনের প্রতিশ্রুতি। সংবাদমাধ্যমে এমন পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে যে মাদুরো জিতলেই বলা হবে ‘জালিয়াতি’। আর হারলে বলা হবে ‘গণতন্ত্রের জয়।’
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইরানের কেশম দ্বীপে সোমবার হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের বরাত দিয়ে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাগুলো এ তথ্য জানিয়েছে। খবর বার্তা সংস্থা এ ...
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য মণিপুরে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়েছে। পৃথক দুই ঘটনায় রাজ্যে অন্তত ৫ জন নিহত হয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্সের বরাত দিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ডেকান ...
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে সংঘাত শুরু হলে তা আগের চেয়ে অনেক বেশি ধ্বংসাত্মক রূপ নিতে পারে বলে সতর্ক করেছে মিসর। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর আবদেলাতি বলেছেন, এমন সংঘাতের প্রভ ...
আন্তর্জাতিক ডেস্ক: উত্তরাখণ্ডের চামোলি জেলায় জোশিমঠ-বদ্রীনাথ রুটে নিখোঁজ হওয়া বেসরকারি হেলিকপ্টারটি বিধ্বস্ত হয়েছে। দুর্ঘটনায় চালক ও ৫ যাত্রীসহ মোট ৬ জনই নিহত হয়েছেন বলে নিশ্চিত করেছে জেলা প্রশাসন। ভা ...
সব মন্তব্য
No Comments