ডেস্ক রিপোর্ট: বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের কেন্দ্রীয় সভাপতি অঙ্কন চাকমা ও সাধারণ সম্পাদক অমল ত্রিপুরা আজ রবিবার (৬ আগস্ট ২০২৩) সংবাদ মাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে হাইকোর্ট থেকে জামিনে মুক্তিপ্রাপ্ত সংগঠনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি কুনেন্টু চাকমাকে সেনাবাহিনী কর্তৃক রাঙামাটি জেলগেট থেকে পুনঃগ্রেফতারের ঘটনাকে মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন মন্তব্য করে এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন।
বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় বলেন, ছাত্রনেতা কুনেন্টু চাকমা দীর্ঘ চার বছরের অধিক মিথ্যা মামলায় রাঙামাটি জেলা কারাগারে বন্দি অবস্থায় থাকার পর মহামান্য হাইকোর্ট থেকে তিনি জামিন পান। হাইকোর্টের দেয়া উক্ত জামিনের আদেশনামা দেখিয়ে গত ৩ আগস্ট ২০২৩ রাঙামাটি জেলা কারাগার থেকে বের হওয়ার সময় অন্যায়ভাবে সেনাবাহিনীর সদস্যরা পুনরায় তাকে গ্রেফতার করে রাঙামাটি সেনা ব্রিগেডে নিয়ে যায়। সেখানে তিনদিন আটকে রেখে নানা নিপীড়নের পর ৬ আগস্ট সকাল আনুমানিক ৮টায় তাকে কাউখালী থানায় হস্তান্তর করে আরেকটি মিথ্যা অস্ত্র মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। এর আগে ২০২১ সালের ২২ সেপ্টেম্বরে একইভাবে তাকে জেলগেট থেকে সেনাবাহিনী কর্তৃক তুলে নিয়ে নতুন মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে প্রেরণ করা হয়েছিল। এভাবে জেলগেট থেকে গ্রেফতার করে একটি রাজনৈতিক ছাত্র সংগঠনের নেতা-কর্মীর ওপর নির্যাতন চালানো মানবাধিকারের চরম লঙ্ঘন।
নেতৃদ্বয় আরো বলেন, দেশের একজন নাগরিক হিসেবে আদালতের জামিন নিয়ে কারাগার থেকে মুক্তি লাভের অধিকার সবার রয়েছে। কিন্তু সেনাবাহিনী দেশের উচ্চ আদালত ও বিচার ব্যবস্থার প্রতি বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে নাগরিকের সাংবিধানিক অধিকারকে ভূলুণ্ঠিত করে জামিনে মুক্তপ্রাপ্ত নেতা-কর্মীদের জেলগেট থেকে গ্রেফতার করছে, যা আইনের প্রতি অবমাননা ছাড়া আর কিছুই নয়।
নেতৃদ্বয় বলেন, রাষ্ট্রীয় বাহিনী পার্বত্য চট্টগ্রামে অমানবিকভাবে দমন পীড়ন জারি রেখেছে। রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের গ্রেফতার, খুন, গুম ও অপহরণ করে জনগণের ন্যায্য আন্দোলন দমন করার পাঁয়তারা চালানো হচ্ছে। পার্বত্য চট্টগ্রামের মুক্তিকামী জনগণকে তাদের ন্যায্য অধিকার থেকে বঞ্চিত করার জন্য রাষ্ট্রীয় বাহিনী প্রতিনিয়ত এ ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে।
বিবৃতিতে নেতৃদ্বয় পার্বত্য চট্টগ্রামে রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের অন্যায়ভাবে গ্রেফতার, নির্যাতন ও জেলগেট থেকে পুনঃগ্রেফতার বন্ধসহ সকল মানবাধিকার লঙ্ঘন বন্ধ করা এবং হাইকোর্টের জামিন আদেশ মেনে অবিলম্বে ছাত্র নেতা কুনেন্টু চাকমাকে মুক্তি দেয়ার দাবি জানান।
উল্লেখ্য, বিগত ২০১৯ সালের ২ ফেব্রুয়ারি রাঙামাটির কুদুকছড়িতে সাংগঠনিক কাজে থাকা অবস্থায় সেনাবাহিনী পিসিপি’র কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি কুনেন্ট চাকমাকে অন্যায়ভাবে গ্রেফতার করে থানায় হস্তান্তর করে। এ সময় অস্ত্র ও চাঁদাবাজির মিথ্যা মামলা দিয়ে তাকে রাঙামাটি কারাাগরে পাঠানো হয়। এরপর ২০২১ সালের ২২ সেপ্টেম্বর ও গত ৩ আগস্ট ২০২৩ দু’দফায় আদালতের জামিন আদেশের পর কারাগার থেকে মুক্তি পেলেও সেনাবাহিনী সম্পূর্ণ অন্যায়ভাবে জেলগেট থেকে তাকে গ্রেফতার করে নতুন মিথ্যা মামলা দিয়ে পুনরায় জেলে প্রেরণ করেছে।
স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর গুলিস্তানে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জাসদ) প্রধান কার্যালয়ে অভিযান চালিয়ে আটক ২৭৮ জনের মধ্যে ২৫১ জনকে ছেড়ে দিয়েছে পুলিশ। এরমধ্যে ২৭ জনকে আজ রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্য ...
ডেস্ক রিপোর্ট: রাজধানীতে রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টার গুঁড়িয়ে দেওয়া, নয়া পল্টনের ইসলামী ব্যাংক স্পেশালাইজড অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালে ভাঙচুর এবং ইসিবি চত্বরে কন্টেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের স ...
ডেস্ক রিপোর্ট: রাজধানীর মিরপুর-১-এর রাড্ডা এমসিএইচ-এফপি সেন্টারে মধ্যরাতে হামলা, ভাঙচুর, লুটপাট ও স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও গভীর উদ্বেগ জানিয়েছেন এবি পার্টির সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান ...
ডেস্ক রিপোর্ট: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এবং কেন্দ্রীয় প্রচার ও মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি এডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের আজ ২৬ সেপ্টেম্বর প্রদত্ত এক বিবৃতিতে বলেন, সম্প্রতি ...
সব মন্তব্য
No Comments