ডাকসু নির্বাচনে সময় বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে শিক্ষক নেটওয়ার্ক

প্রকাশ : 07 Sep 2025
ডাকসু নির্বাচনে সময় বাড়ানোর দাবি জানিয়েছে শিক্ষক নেটওয়ার্ক

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর কেন্টিনের সামনে আজ (৭ সেপ্টেম্বর) আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলেনে ডাকাসু নির্বাচনের ভোটগ্রহণের সময় বিকেল ৫টা পর্যন্ত বাড়ানো, ভোটের দিন প্রবেশপথ বন্ধ না কার এবং পোলিং এজেন্ট নেয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক নেটওয়ার্ক।

সংগঠনটি বলেন, বিকেল ৪টার মধ্যে কেন্দ্রে প্রবেশ করা শিক্ষার্থীরাই কেবল ভোট দিতে পারবেন-নির্বাচন কশিশনের এমন সিদ্ধান্ত গণতান্ত্রিক অধিকার সীমিত করছে। এজন্য তারা ভোটের সময়সীমা বিকেল ৫টা পর্যন্ত করার আহবান জানান।


তারা আরও দাবি করেন, নির্বাচনের দিন ক্যাম্পাসের প্রবেশপথ বন্ধ রাখলে অনাবাসিক শিক্ষার্থীরা ভোট দিতে নিরুৎসাহিত হবেন। এ কারণে প্রবেশপথ খোলা রাখার আহবান জানান শিক্ষক নেটওয়ার্কের সদস্যরা।

এছাড়া পোলিং এজেন্ট নিয়োগ প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতার অভাব রয়েছে বরেও অভিযোগ করেন তারা। তাদের মতে, বিভাগীয় পর্যায়ে প্রভাষক ও সহকারী অধ্যাপকদের এজেন্ট নিয়োগ দেওয়া হলে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সবার আস্থা বাড়বে।


সংবাদ সম্মেলনে তারা, নারী শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্য মহিলা শিক্ষদের ভোটকেন্দ্রে নেয়োগ, পর্যবেক্ষক ও সাংবাদিকদের জন্য গাইডলাইন প্রকাশ, বুথের বাইরে শৃঙ্খলা রক্ষায় সহকারী কর্মকর্তা নিয়োগসহ একাধিক দাবি উত্থাপন করেন ।


সংবাদ সম্মেলনে দাবিগুলো পড়ে শোনান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক কামাল উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী ও তাসনিম সিরাজ মাহবুব।


শিক্ষকদের  ১০ দফা দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে–


১. প্রবেশপথ বন্ধ না করে নিরাপত্তা জোরদার করতে হবে; কারা প্রবেশ নিয়ন্ত্রণ করবে তা প্রকাশ করতে হবে।


২. নারী শিক্ষার্থীদের পরিচয় যাচাইয়ে নারী শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।


৩. পোলিং অফিসার নিয়োগে স্বচ্ছতা আনতে হবে।


৪. ভোট গ্রহণের সময় বিকেল ৫টা পর্যন্ত বাড়াতে হবে।


৫. পোলিং এজেন্টদের ভেতরে থাকার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে।


৬. গণমাধ্যমকর্মী ও পোলিং এজেন্টদের জন্য গাইডলাইন প্রকাশ করতে হবে।


৭. বুথের বাইরে লাইন ব্যবস্থাপনায় শিক্ষক ও অফিসার নিয়োগ দিতে হবে।


৮. গুজব বা ভুয়া তথ্য ছড়ালে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।


৯. পর্যবেক্ষক ও এজেন্টদের জন্য বিশ্রামকক্ষ রাখতে হবে।


১০. অস্বচ্ছতার ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনকে জবাবদিহি করতে হবে।


সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক মোশাহিদা সুলতানা, তাহমিনা খানম ও কাজলী শেহরিন ইসলাম।

সম্পর্কিত খবর

;