ডেস্ক রিপোর্ট: আজ ৫ জুন ২০২৬, শুক্রবার, বিশ্ব পরিবেশ দিবস। পরিবেশ সুরক্ষা ও জলবায়ু সচেতনতার জন্য জাতিসংঘের সবচেয়ে বড় বৈশ্বিক প্ল্যাটফর্ম হিসেবে প্রতি বছর এই দিনটি পালিত হয়। ১৯৭২ সালে জাতিসংঘের মানবিক পরিবেশ সম্মেলন শুরুর দিনটিকে স্মরণ করে ১৯৭৪ সালের ৫ জুন থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দিবসটি পালন শুরু হয় এবং বর্তমানে বিশ্বের ১৪৩টিরও বেশি দেশে রাজনৈতিক কর্মোদ্যোগ ও জনসচেতনতার মাধ্যমে এটি উদযাপিত হচ্ছে।
বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬-এর বৈশ্বিক আয়োজক দেশ আজারবাইজান। রাজধানী বাকুতে ৫ জুন মূল অনুষ্ঠান হচ্ছে। এ বছরের অফিসিয়াল থিম “Inspired by Nature. For Climate. For Our Future.” অর্থাৎ “প্রকৃতি থেকে অনুপ্রেরণায়। জলবায়ুর জন্য। আমাদের ভবিষ্যতের জন্য”। জাতিসংঘ পরিবেশ কর্মসূচি UNEP-এর বৈশ্বিক ক্যাম্পেইনের বার্তা #NowForClimate। এবারের আয়োজনে বিশেষভাবে জোর দেওয়া হচ্ছে জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় সমাধান ও স্থিতিস্থাপকতার ওপর, যেখানে বলা হচ্ছে প্রকৃতি কোনো বিকল্প নয়, বরং জলবায়ু সহনশীলতা ও সম্মিলিত ভবিষ্যতের কেন্দ্রবিন্দু।
UNEP জানিয়েছে, পৃথিবী এখন তিনটি বড় সংকটের মুখে: জলবায়ু পরিবর্তন, জীববৈচিত্র্য হ্রাস ও দূষণ। বিশ্ব পরিবেশ দিবস ২০২৬ তাই পৃথিবী যে জরুরি সংকেত পাঠাচ্ছে এবং আমরা তার জবাবে কী সংকেত ফেরত দিচ্ছি, সে বিষয়টিকে সামনে আনছে। ক্যাম্পেইন সবাইকে আহ্বান জানাচ্ছে এখনই জলবায়ুর জন্য পদক্ষেপ নিতে এবং ইতোমধ্যে গতিশীল বিশ্বকে সঠিক পথে চালিত করতে। আজারবাইজানের জাতীয় ক্যাম্পেইনে জলবায়ু পরিবর্তন ও বাস্তুতন্ত্রের অবক্ষয়ের আন্তঃসম্পর্কিত প্রভাব মোকাবিলায় পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে দেশব্যাপী কোটি গাছ রোপণ, ‘জিরো ওয়েস্ট’ উদ্যোগ এবং কাস্পিয়ান সাগরের পরিবেশগত ভারসাম্য রক্ষায় আঞ্চলিক চুক্তির প্রস্তুতি চলছে।
বাংলাদেশেও বিশ্ব পরিবেশ দিবস পালিত হচ্ছে। তবে ৫ জুন সরকারি ছুটি থাকায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, রাষ্ট্রীয়ভাবে মূল অনুষ্ঠান হবে ২৫ জুন। ওইদিন শেরেবাংলা নগরের বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে পরিবেশ মেলা ও জাতীয় বৃক্ষরোপণ অভিযানের উদ্বোধন হবে। পরিবেশ মেলা চলবে ২৫ থেকে ২৭ জুন এবং বৃক্ষমেলা চলবে ২৫ জুন থেকে ২৪ জুলাই পর্যন্ত, প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা।
বিশ্ব পরিবেশ দিবসের মূল লক্ষ্য পরিবেশগত সমস্যা সম্পর্কে বৈশ্বিক সচেতনতা তৈরি, নীতিনির্ধারণে গুরুত্ব দেওয়া এবং টেকসই উন্নয়নের জন্য সক্রিয়তা বাড়ানো। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে উজবেকিস্তানে অনুষ্ঠেয় আন্তর্জাতিক সম্মেলনে ৪২টি নতুন বিপন্ন প্রজাতিকে সুরক্ষা তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার কথা রয়েছে, যেখানে পরিযায়ী পাখি ও সামুদ্রিক প্রাণীদের আবাসস্থল রক্ষায় বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। UNEP ও আয়োজক দেশগুলো ব্যক্তিগত পর্যায়ে কার্বন নিঃসরণ কমানো, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার এবং প্রকৃতিভিত্তিক সমাধানে জনগণকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান জানিয়েছে।
স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি এমপি বলেছেন, সম্পত্তি হস্তান্তর বিল নিয়ে বিরোধী দলের সদস্যরা শরিয়া আইনের দোহাই দিয়ে এর বিরোধিতা করেছেন। অথচ তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে শরি ...
ডেস্ক রিপোর্ট: রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৪২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে ৫১টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।ঢাকা, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রি. তারিখে ডি ...
স্টাফ রিপোর্টার: ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় আজ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। শুক্রবার ১১ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা ...
খুলনা থেকে মোঃ নূর আলমঃ বাংলাদেশের জ্বালানি খাত জীবাশ্ম জ্বালানি ও আমদানি নির্ভরতার বেড়াজালে আটকা। এলএনজি আমদানি ও ক্যাপাসিটি চার্জের মাধ্যমে যে বিপুল পরিমাণে টাকা খরচ হচ্ছে তার একাংশ নবায়নযোগ্য জ্বাল ...
সব মন্তব্য
No Comments