স্টাফ রিপোর্টার: ঋণনির্ভর বাজেট আর্থিক শৃঙ্খলার ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ও সম্মাননীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। বৃহস্পতিবার ১১ জুন বিকেলে জাতীয় সংসদ থেকে বাজেট অধিবেশন শেষে বের হয়ে তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে বৈদেশিক ঋণের ওপর তুলনামূলক বেশি নির্ভরতা এবং বিভিন্ন খাতে বড় অঙ্কের থোক বরাদ্দ রাখা হয়েছে, যা ভবিষ্যতে আর্থিক শৃঙ্খলার ক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ তৈরি করতে পারে। বড় বড় ধরনের থোক বরাদ্দের বিষয়ে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করে বলেন, যদি আর্থিক বিপত্তি দেখা যায় তাহলে এসব খাতে কাটছাঁট হতে পারে।
দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য আরও বলেন, বাজেটের মূল সাফল্য নির্ভর করবে এর কার্যকর বাস্তবায়নের ওপর। তবে তিনি মনে করেন, অন্যান্য সময়ের তুলনায় এবারের বাজেটটি তুলনামূলকভাবে চিন্তাশীল হয়েছে।
প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটের আকার ধরা হয়েছে ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে ঘাটতি ধরা হয়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা, যা জিডিপির ৩.৬ শতাংশ। এই ঘাটতি মেটাতে অভ্যন্তরীণ উৎস থেকে ১ লাখ ২৭ হাজার কোটি টাকা এবং বৈদেশিক উৎস থেকে ১ লাখ ১৬ হাজার কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। অভ্যন্তরীণ ঋণের মধ্যে ব্যাংক ব্যবস্থা থেকে নেওয়া হবে ১ লাখ ১২ হাজার কোটি টাকা এবং সঞ্চয়পত্রসহ অন্যান্য উৎস থেকে ১৫ হাজার কোটি টাকা।
চলতি ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে ব্যাংকখাত থেকে ১ লাখ ৪ হাজার কোটি টাকা ঋণের লক্ষ্য থাকলেও জুলাই থেকে ১০ মে পর্যন্ত সরকার ব্যাংক খাত থেকে নিট ১ লাখ ৯ হাজার ৫৫৮ কোটি টাকা ঋণ নিয়েছে। অর্থবছর শেষে এ ঋণের পরিমাণ ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। আগামী অর্থবছরে ব্যাংকঋণের লক্ষ্যমাত্রা আরও ৬ হাজার কোটি টাকা কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।
এছাড়া আগামী অর্থবছরে সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি, প্রণোদনা ও নগদ ঋণ খাতে বড় অঙ্কের ব্যয় নির্ধারণ করা হচ্ছে। এসব খাতে ২ লাখ ৫৯ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের পরিকল্পনা করা হচ্ছে, যা মোট বাজেটের প্রায় ২৭ দশমিক ৮৫ শতাংশ। চলতি অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে এ খাতে বরাদ্দ ছিল ২ লাখ ৩৯ হাজার কোটি টাকা। সেই তুলনায় আগামী অর্থবছরে ব্যয় বাড়ছে ২০ হাজার কোটি টাকা বা ৮ দশমিক ৩৭ শতাংশ।
অর্থনীতিবিদরা মনে করছেন, বাজেটঘাটতি মেটাতে ব্যাংকঋণের ওপর বেশি ভরসা রাখলে বেসরকারি খাতের ঋণপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হতে পারে। দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, গত সরকারের রেখে যাওয়া বিদেশি ঋণের চাপ খুবই ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় ছিল। বর্তমান সরকারের এই সময়ে অন্যতম সাফল্য ৫ বিলিয়ন ডলার পরিশোধ করে বিদেশি ঋণের চাপ কমিয়ে আনা। তবে নতুন বাজেটে আবারও বৈদেশিক ঋণের ওপর নির্ভরতা বাড়লে আর্থিক শৃঙ্খলা রক্ষা কঠিন হতে পারে।
ডেস্ক রিপোর্ট: রাজধানীতে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) নিয়মিত অভিযানে গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৪২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। একই সময়ে ৫১টি মামলা দায়ের করা হয়েছে।ঢাকা, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬ খ্রি. তারিখে ডি ...
স্টাফ রিপোর্টার: ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় আজ বৃষ্টি বা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। একই সঙ্গে দিনের তাপমাত্রা সামান্য কমতে পারে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। শুক্রবার ১১ সেপ্টেম্বর সকাল ৭টা ...
খুলনা থেকে মোঃ নূর আলমঃ বাংলাদেশের জ্বালানি খাত জীবাশ্ম জ্বালানি ও আমদানি নির্ভরতার বেড়াজালে আটকা। এলএনজি আমদানি ও ক্যাপাসিটি চার্জের মাধ্যমে যে বিপুল পরিমাণে টাকা খরচ হচ্ছে তার একাংশ নবায়নযোগ্য জ্বাল ...
স্টাফ রিপোর্টার: জাতীয় সংসদে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়; প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়; সরকারি প্রতিষ্ঠান এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত এই চারটি সংসদীয় স্থায়ী কমিটি গঠন করা হয়েছে।ব ...
সব মন্তব্য
No Comments