নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রচারাভিযান শুরু

প্রকাশ : 12 Sep 2026
নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রচারাভিযান শুরু

স্টাফ রিপাের্টার: জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত ও আমদানিনির্ভরতা কমাতে ‘নবায়নযোগ্য জ্বালানি, এখনই’ শীর্ষক মাসব্যাপী প্রচারাভিযান শুরু হয়েছে। পরিবেশ ও জলবায়ুবিষয়ক নাগরিক সংগঠন ধরিত্রী রক্ষায় আমরা (ধরা) ও ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশের নেতৃত্বে ৩৭টি সংগঠন যৌথভাবে এ কর্মসূচি নিয়েছে।


শনিবার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে প্রচারাভিযানের উদ্বোধন করেন বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ। তিনি বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানির পথে সবচেয়ে বড় বাধা প্রযুক্তি নয়, পরিবর্তনের মানসিকতা। বিদ্যুৎকেন্দ্র বলতে এখনো থার্মাল পাওয়ার প্ল্যান্টই বোঝা হয়। এই মানসিকতা বদলাতে হবে। মাতারবাড়ীর মতো বিদ্যমান জমি কাজে লাগিয়ে বড় পরিসরে সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব। রেলের জমি, চিনিকলের জমি ও চা বাগানের জমি সোলারের কাজে ব্যবহার করা যেতে পারে। তবে মানসম্মত ব্যাটারি ও সোলার প্যানেল নিশ্চিত করা বড় চ্যালেঞ্জ।


অনুষ্ঠানে ধরা’র সহ-আহ্বায়ক এম এস সিদ্দিকী বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি এখন শুধু পরিবেশ রক্ষার বিষয় নয়, এটি জ্বালানি নিরাপত্তা, অর্থনৈতিক স্বনির্ভরতা ও সার্বভৌমত্বের প্রশ্ন। আমদানিনির্ভরতা থেকে বেরিয়ে নিজেদের জ্বালানি নিজেদেরই উৎপাদন করতে হবে।


ওয়াটারকিপার্স বাংলাদেশের সমন্বয়ক শরীফ জামিল বলেন, নবায়নযোগ্য বিদ্যুতের লক্ষ্য অর্জনে এখনই সুস্পষ্ট পথনকশা ও দৃঢ় রাজনৈতিক অঙ্গীকার প্রয়োজন। এই পরিবর্তন সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়।


অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন আইইইএফএ’র বাংলাদেশ বিষয়ক লিড এনার্জি অ্যানালিস্ট শফিকুল আলম, অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জামান মজুমদার, বাংলাদেশ সাসটেইনেবল অ্যান্ড রিনিউএবল এনার্জি অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোস্তফা আল মাহমুদসহ অন্যরা।


আয়োজকরা জানান, ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন, জনসচেতনতা বৃদ্ধি ও জনসম্পৃক্ততা তৈরির লক্ষ্যে মাসব্যাপী কর্মসূচির আওতায় সচেতনতামূলক সভা, সাইকেল ও নৌ-র‌্যালি, সড়ক শোভাযাত্রা, উপকূলীয় পদযাত্রা, সাংস্কৃতিক পরিবেশনা, সেমিনার ও জাতীয় সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে।


সম্পর্কিত খবর

;