স্টাফ রিপোর্টার: ঈদুল আজহা, সাপ্তাহিক ছুটি ও সরকারি ছুটি মিলিয়ে টানা ১৬ দিন বন্ধ থাকার পর আজ রোববার থেকে দেশের প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে আবারও শুরু হচ্ছে নিয়মিত পাঠদান। দীর্ঘ বিরতির পর লাখো শিক্ষার্থী প্রিয় শ্রেণিকক্ষে ফিরছে। ফলে স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় ফিরে আসছে চিরচেনা প্রাণচাঞ্চল্য।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী, ছুটি শেষে আজ থেকে দেশের বেশির ভাগ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে একাডেমিক কার্যক্রম শুরু হচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রতিষ্ঠান প্রধানরা শ্রেণিকক্ষ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা, পাঠদানের প্রস্তুতি নেওয়া এবং শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছেন।
রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ছুটি শেষ হওয়ার আগেই শিক্ষকরা পাঠ পরিকল্পনা চূড়ান্ত করেছেন। পাঠ্যসূচির ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে এবং নির্ধারিত সময়ে সিলেবাস শেষ করতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। বিশেষ করে আগামী বছর পাবলিক পরীক্ষায় অংশ নিতে যাওয়া শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ ক্লাস ও পুনরালোচনার ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে।
শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দীর্ঘ ছুটির পর শিক্ষার্থীদের আবারও পড়াশোনার পরিবেশে ফিরিয়ে আনতে শিক্ষক ও অভিভাবকদের সমন্বিত ভূমিকা জরুরি। ছুটির আমেজ কাটিয়ে পড়াশোনায় মনোযোগ ফেরাতে কিছুটা সময় লাগতে পারে। এজন্য শিক্ষকদের ধৈর্যশীল ও সহায়ক মনোভাব নিয়ে শিক্ষার্থীদের পাঠে আগ্রহী করে তোলার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
রাজধানীর একটি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, দীর্ঘ ছুটির পর শিক্ষার্থীরা নতুন উদ্যম নিয়ে স্কুলে ফিরবে বলে আমরা আশাবাদী। পাঠদানের পাশাপাশি তাদের মানসিকভাবে উজ্জীবিত রাখতে বিভিন্ন সহশিক্ষা কার্যক্রমও চালু রাখা হবে। অভিভাবকদের মধ্যেও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলায় স্বস্তি দেখা গেছে। অনেকের মতে, দীর্ঘ ছুটিতে শিশু-কিশোরদের শিক্ষাজীবনের স্বাভাবিক ছন্দ কিছুটা ব্যাহত হয়েছিল। এখন নিয়মিত ক্লাস শুরু হওয়ায় তারা আবার রুটিনে ফিরতে পারবে।
শিক্ষাবিদদের মতে, শিক্ষা কার্যক্রমে ধারাবাহিকতা বজায় রাখা শিক্ষার্থীদের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দীর্ঘ সময় শ্রেণিকক্ষের বাইরে থাকলে অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনার প্রতি আগ্রহ হারিয়ে ফেলে। তাই ছুটির পর প্রথম কয়েকদিন শিক্ষার্থীদের পাঠে উৎসাহিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে। ছুটির কারণে পাঠদানে যে ঘাটতি তৈরি হয়েছে, তা দ্রুত পূরণে পদক্ষেপ নেওয়া হবে। পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের উপস্থিতি বাড়ানো ও শিক্ষার মানোন্নয়নে নজর দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা।
চলতি শিক্ষাবর্ষের নির্ধারিত একাডেমিক ক্যালেন্ডার অনুযায়ী পাঠদান কার্যক্রম চলবে। আজ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলায় রাজধানীসহ বিভিন্ন শহরে যানবাহনের চাপ কিছুটা বাড়তে পারে। স্কুল-কলেজগামী শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকদের যাতায়াতের কারণে সকালবেলায় সড়কে বাড়তি ব্যস্ততা দেখা যেতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
স্টাফ রিপোর্টার: প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ড ছাড়া দেশের অন্য সব সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা চলবে বলে ...
রাহাদ সুমন,বরিশাল ব্যুরো: বরিশাল-ঢাকা মহাসড়ক দিয়ে সেনাবাহিনীর গ্রীষ্মকালীন প্রশিক্ষণ মহড়া পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এ সময় শিশু নিকেতন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ...
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি: দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া ও ক্যাম্পাসজুড়ে সৃষ্ট জলাবদ্ধতার কারণে আজ সোমবার, ১৩ জুলাই অনুষ্ঠেয় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সব পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। রোববার, ১২ জুলাই রাতে বিশ্ববি ...
ডেস্ক রিপোর্ট: ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকার নতুন ডিরেক্টর হিসেবে সম্প্রতি যোগ দিয়েছেন ড. মাইক মিলার। আন্তর্জাতিক শিক্ষার জগতে তিনি একজন অভিজ্ঞ ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত। তার এই নেতৃত্ব স্কুলটিকে আরও এগিয় ...
সব মন্তব্য
No Comments