সহিংসতার সংস্কৃতির অবসান ঘটাতে জাতীয় ঐক্য ধরে রাখতে হবে

প্রকাশ : 15 Feb 2026
সহিংসতার সংস্কৃতির অবসান ঘটাতে জাতীয় ঐক্য ধরে রাখতে হবে

ডেস্ক রিপোর্ট: গত ১৩ সেপ্টেম্বর জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও এর পরবর্তী দিনে দেশে ৩০টি জেলায় দুই শতাধিক সহিংসতার ঘটনা ঘটে, যাতে তিনজন নিহত এবং তিন শতাধিক আহত হয়েছেন, এমন তথ্য সামনে এসেছে। কোন সহিংস পরিস্থিতি মোটেও কাম্য নয়। এগুলো সমাজে ভয়, বিভ্রান্তি ও বিভাজন সৃষ্টি করে গণতান্ত্রিক উত্তরণকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা।


এই প্রেক্ষাপটে গণসংহতি আন্দোলন দেশের শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে এবং সহিংসতা প্রতিরোধে নাগরিকদের আরও ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানাচ্ছে। গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জননেতা জোনায়েদ সাকি বলেন, “দেশের প্রতি আমাদের দায়িত্ব হলো সন্ত্রাসকে প্রত্যাখ্যান করে শান্তিপূর্ণ উপায়ে আমাদের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা নিশ্চিত করা। রাজনৈতিক দলগুলো এবং নাগরিকেরা যদি নিজেদের মধ্যে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্ববোধকে শক্তিশালী না করে, তবে কোন বাস্তব পরিবর্তন সম্ভব নয়।”


তিনি আরও বলেন, “বর্তমান রাজনৈতিক উত্তেজনা ও সহিংসতার বদলে সংলাপ, সমঝোতার মাধ্যমে সমাধানের পথ খুঁজে বের করতে হবে, যাতে দেশের সামাজিক ও অর্থনৈতিক জীবনে স্থিতিশীলতা ফিরে আসে।”


নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল বলেন, “গণসংহতি আন্দোলন বিশ্বাসযোগ্য গণতান্ত্রিক সংস্কার, মানবিক মর্যাদা ও সমাজের ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠায় অটল। এই অগ্রযাত্রায় সহিংসতা কোনোভাবে সমাধান নয়; বরং সামাজিক সংহতি ও একাত্মতার মধ্য দিয়ে দেশকে নতুন উচ্চতায় নেওয়া সম্ভব।”


গণসংহতি আন্দোলন দৃঢ়ভাবে মনে করে যে, কোন আইনী ও নিয়মতান্ত্রিক পন্থায় যেকোনো অভিযোগ নিষ্পত্তি করা সম্ভব। বাংলাদেশে নতুন বন্দোবস্ত কায়েম করতে হল জনগণের মাঝে ঐক্য, সংলাপ এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের সংস্কৃতি গড়ে তুলতে হবে।


সম্পর্কিত খবর

;