স্টাফ রিপোর্টার: ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ বাংলাদেশের প্রত্যাশিত আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে আইনি প্রক্রিয়ার পাশাপাশি ভারতের রাজনৈতিক সদিচ্ছা প্রয়োজন বলে মন্তব্য করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
রোববার (৪ অক্টোবর) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, আসামিদের ফেরত আনার জন্য যে প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া চলছে, তা দ্রুত সম্পন্ন করতে ভারত সরকার নজর দেবে বলে বাংলাদেশ আশা করে।
সম্প্রতি ঢাকায় এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর বক্তব্যের প্রসঙ্গ তুলে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করেন। হাইকমিশনার বলেছিলেন, ২০২৪ সালে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ভারত আশ্রয় দিয়েছে এবং বিষয়টি আইনি ও রাজনৈতিক, প্রত্যর্পণের বিষয়ে নির্দিষ্ট সময়সীমা দেওয়া সম্ভব নয়। এমন অবস্থানের পর প্রত্যর্পণ কিভাবে হবে জানতে চাওয়া হয়।
জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, আইনি প্রক্রিয়ার বিষয় তো রয়েছেই, তবে এর পাশাপাশি রাজনৈতিক সদিচ্ছাও থাকতে হবে। তিনি বলেন, রাজনৈতিক সদিচ্ছা, কূটনৈতিক সদিচ্ছা, সব ধরনের সদিচ্ছার প্রয়োজন। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বিদ্যমান প্রত্যর্পণ চুক্তির ভিত্তিতে আসামিদের ফেরত আনা সম্ভব কি না এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, অবশ্যই চুক্তি অনুযায়ী আসামিদের ফেরত আনা সম্ভব এবং সেই প্রক্রিয়াই এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।
প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, শেখ হাসিনাকে ফেরানোর বিষয়টি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করবে না। ভারতের রাজনৈতিক সদিচ্ছা থাকলে আইনি প্রক্রিয়া দ্রুততর হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি। উল্লেখ্য, জুলাই গণঅভ্যুত্থান দমনে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে বর্তমানে দিল্লিতে অবস্থান করছেন শেখ হাসিনা। ২০১৩ সালে স্বাক্ষরিত এবং ২০১৬ সালে সংশোধিত বাংলাদেশ-ভারত প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় তাকে ফেরত চেয়ে কূটনৈতিক চ্যানেলে ইতোমধ্যে চিঠি দিয়েছে ঢাকা।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সাম্প্রতিক যুক্তরাষ্ট্র সফর নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া গুঞ্জনও নাকচ করেন শামা ওবায়েদ। প্রধানমন্ত্রী স্যান ফ্রান্সিসকো যাওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন, কিন্তু এফবিআইয়ের মামলা বা ভিসা জটিলতার কারণে যেতে পারেননি এমন গুঞ্জনের বিষয়ে তিনি বলেন, গুঞ্জনে কান দেওয়া ঠিক নয়। আপনারা মিডিয়ার প্রতিনিধিরা সত্য যাচাই করে খবর প্রকাশ করবেন, এটাই আমাদের প্রত্যাশা।
তিনি বলেন, গত ছয় মাসে প্রধানমন্ত্রী অত্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করেছেন। চীন ও মালয়েশিয়া সফরের পাশাপাশি জাতিসংঘ সফরও তিনি সংক্ষিপ্ত ও প্রয়োজনীয়ভাবে সম্পন্ন করেছেন। স্যান ফ্রান্সিসকোতে প্রধানমন্ত্রীর যাওয়ার কোনো পরিকল্পনাই ছিল না। বরং সেখানে আইসিটি উপদেষ্টা, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী, অর্থ উপদেষ্টা ও তিনি নিজে সমন্বয়ে একটি প্রতিনিধিদল পাঠানোর পরিকল্পনা ছিল। ইউসি বার্কলে ও অ্যারিজোনা স্টেট ইউনিভার্সিটিসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সমঝোতা স্মারক হলে শিক্ষা ও প্রযুক্তি খাতে নতুন সম্ভাবনার দ্বার খুলবে এবং হাই-টেক কোম্পানিগুলোর বিনিয়োগ এলে দেশ উপকৃত হবে।
প্রধানমন্ত্রীর আগামী তুরস্ক সফর প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর তুরস্ক সফর রয়েছে। তবে কখন কোথায় সফর হবে, তা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিকভাবে জানাবে।
স্টাফ রিপাের্টার: সৌদি আরবে হুতিদের চলমান বিমানবন্দর-কেন্দ্রিক হামলার পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকা-দাম্মাম ও ঢাকা-রিয়াদ রুটে ফ্লাইট স্থগিতের মেয়াদ আগামী ৪ নভেম্বর পর্যন্ত বৃদ্ধি করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন ...
স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চীফ হুইপ মোঃ নূরুল ইসলাম বলেছেন, মানসিক সুস্থতা নিশ্চিত করতে চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি দারিদ্র্য, বেকারত্ব ও ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মতো সামাজিক ও অর্থনৈতিক সংকট মোকাবিলা ...
স্টাফ রিপোর্টার: পূর্ব-মধ্য এবং তৎসংলগ্ন দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি ঘনীভূত হয়ে সুস্পষ্ট লঘুচাপ আকারে পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে। এটি আরও পশ্চিম-উত্ ...
স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীর মেট্রোরেল স্টেশনগুলোতে যাত্রীদের নিরাপত্তা তল্লাশিতে যুক্ত হচ্ছে বিমানবন্দরের আদলে আধুনিক ব্যবস্থা। স্টেশনে প্রবেশের সময় যাত্রীদের শরীরে ধাতব বস্তু শনাক্ত করতে বসানো হবে আর ...
সব মন্তব্য
No Comments