কানাডায় লেবার পার্টির জয়, প্রধানমন্ত্রী থাকছেন কার্নি

প্রকাশ : 28 Apr 2025
কানাডায় লেবার পার্টির জয়, প্রধানমন্ত্রী থাকছেন কার্নি

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: উত্তর আমেরিকার দেশ কানাডার জাতীয় নির্বাচনে ক্ষমতাসীন মার্ক কার্নির দল রেবার পার্টি জয় পেয়েছে। মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এই খবর দিয়েছে বি.বার্তা ডটকম।

প্রতিবেদনে জানান, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের বাণিজ্য যুদ্ধ এবং ভূখন্ড দখলের হুমকি ঘিরে আলোচিত কানাডার জাতীয় নির্বাচনে জয় পেয়েছে ক্ষতাসীন লেবার পার্টি। 

সোমবার (২৮ এপ্রিল) রাতে প্রকাশিত ফলাফলে লিবারেল পার্লামেন্টে ৩৪৩ আসনের মধ্যে বেশী আসনে জয়ের পথে লেবার পার্টি। এর ফলে, প্রধানমন্ত্রী থাকছেন মার্ক কার্নি। তবে এই ফলাফরে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ পাবেন কিনা এখনও নিশ্চিত নয়। তা না হলে ছোট কোন দলের সঙ্গে জোট সরকার করতে হতে পারে।

গত ১৪ মার্চ কানাডার নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন  সাবেক গভর্নর মার্কি কার্নি। 


এরআগে গত ১০ মার্চ দিবাগত রাতে কানাডার বর্তমান ক্ষমতাসীন দল লিবারেল পার্টি মার্ক কার্নিকে নতুন নেতা নির্বাচিত করেছেন। 

এবিসি এক প্রতিবেদনে বলেন, মার্কি কার্নি এমন সময় প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছেন যখন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য যুদ্ধ শুরু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েই কার্ন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত শুল্ক নিয়ে মন্তব্য করেছেন। কানাডিয়ান পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপকে নিজেদের জীবনের সবচেয়ে বড় সংকট হিসেবে অভিহিত করেছেন কার্নি। তিনি বলেছেন, আমরা এই (বাণিজ্য) লড়াই চাইনি। কিন্তু কানাডিয়ানরা সব সময় প্রস্তুত থাকে যখন কেই তার হাতের গ্লাভস ফেলে দেয়। তো মার্কিনিদের, কোন ভুল করা উচিত নয়। হকি খেলার মত বাণিজ্য লড়াইয়েও কানাডা জিতবে। 

দ্বিতীয়বার প্রেসিডেন্ট হয়েই কানাডাকে যুক্তরাষ্ট্রের ৫১তম অঙ্গরাজ্য হিসেবে অভিহিত করে কটাক্ষ করেছেন ট্রাম্প। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোকে 'গভর্নর ট্রুডো' হিসেবে ডেকেছেন তিনি। 

মার্ক কার্নি চলতি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করে এপ্রিলের শেষ দিকে কানাডায় নতুন জাতীয় নির্বাচন ঘোষণা দিতে পারেন বলে আগেই ধারনা করা হয়েছিল।

গত ৬ জানুয়ারি প্রধানমন্ত্রীত্ব ও দলীয় প্রধানের পদ থেকে পদত্যাগ করেন জাস্টিন ট্রুডো। ২০১৫ সালে দেশটির প্রধানমন্ত্রী হন তিনি। কিন্তু সাম্প্রতিক সময় তার জনপ্রিয়তা ভাটা পড়েছে। এমন সময়সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন ট্রুডো।


সম্পর্কিত খবর

;