দৌলতপুর সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফ সৌজন্য সাক্ষাৎ : বাংলাদেশ ফেরত পাচ্ছে ২০০ একর জমি

প্রকাশ : 17 Sep 2024
দৌলতপুর সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফ সৌজন্য সাক্ষাৎ : বাংলাদেশ ফেরত পাচ্ছে ২০০ একর জমি


দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি : কুষ্টিয়ার দৌলতপুর সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফ ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়েছে। বিএসএফ এর আহ্বানে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। সৌজন্য সাক্ষাত অনুষ্ঠানে ভারতের দখলে থাকা প্রায় ২০০ একর জমি বাংলাদেশ ফেরত পাচ্ছে এমন সিদ্ধান্ত হয়েছে। রোববার দুপুরে কুষ্টিয়া সেক্টরের ৪৭ বিজিবি ব্যাটালিয়ন অধীনস্থ জামালপুর বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ এলাকার সীমান্ত পিলার ১৫২/৭-এস হতে আনুমানিক ১৫০ গজ ভারতের অভ্যন্তরে এ সৌজন্য সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বাংলাদেশের কুষ্টিয়া সেক্টরের ৪৭ বিজিবি ব্যাটালিয়ন কমান্ডার এবং ভারতের ১৪৬ বিএসএফ ব্যাটালিয়ন কমান্ডার উপস্থিত ছিলেন।

সৌজন্য সাক্ষাতে উভয় দেশের ব্যাটালিয়ন কমান্ডার বিজিবি-বিএসএফ এর মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সুসম্পর্ক এবং সহযোগিতার মনোভাব বজায় রেখে, গত ১০ ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশের চল্লিশপাড়া বিওপি’র দায়িত্বপূর্ণ সীমান্ত পিলার ১৫৭/এমপি হতে ৮৫/১০-এস পিলার এলাকায় উভয় দেশের সার্ভেয়ার এবং বিজিবি-বিএসএফ সীমানা পরিমাপের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বাংলাদেশের জমি ভারতের অভ্যন্তরে আনুমানিক ২০০ একর এবং ভারতের জমি বাংলাদেশের অভ্যন্তরে আনুমানিক ৪০ একর বিদ্যমান রয়েছে। এসব জমি আগামী অক্টোবর  মাসে সুবিধাজনক সময়ে উভয় দেশের সার্ভেয়ার এবং বিজিবি-বিএসএফ এর উপস্থিতিতে জমির প্রকৃত মালিকদের নিকট বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য হস্তান্তর/গ্রহণ কার্যক্রম সম্পন্ন করার বিষয়ে উভয় দেশের ব্যাটালিয়ন কমান্ডারগণ একমত পোষণ করেন।

এছাড়াও মরণঘাতী অস্ত্র ব্যবহার করে সীমান্ত হত্যা বন্ধ, ভারত হতে বিভিন্ন ধরনের মাদকদ্রব্য এবং নিষিদ্ধ পণ্য বাংলাদেশের অভ্যন্তরে প্রবেশ না করা, বিএসএফ’র হাতে নিরীহ বাংলাদেশী নাগরিককে সীমান্ত হতে আটক না করা এবং আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে সীমান্তবর্তী জনসাধারণ অবৈধভাবে সীমান্ত পার হয়ে পূজা ম-পে আসতে না পারে সে বিষয়েও আলোচনা হয়।

সৌজন্য সাক্ষাত অনুষ্ঠানে বিজিবির পক্ষে নেতৃত্ব দেন কুষ্টিয়া সেক্টরের ৪৭ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মাহবুব মুর্শেদ রহমান পিএসসি এবং বিএসএফর পক্ষে নেতৃত্ব দেন ভারতের রওশনবাগ ১৪৬ বিএসএফ ব্যাটালিয়ন কমান্ডার কমান্ডেন্ট বিক্রম দেব সিং। সীমান্তরক্ষীদের সৌজন্য সাক্ষাতে উভয় দেশের শান্তি ও কল্যাণ কামনা করে অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষ হয়।

সম্পর্কিত খবর

;