ডেস্ক রিপোর্ট: দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার তোড়জোড় চলছে। গেল ১৮ আগস্ট দ্রুত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে প্রধানমন্ত্রীর এমন নির্দেশনার পর পরই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার তোড়জোড় শুরু হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রীর নিদের্শনার পর শিক্ষামন্ত্রী এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে সংশ্লিষ্ট সকলকে নির্দেশনা প্রদান করেন।
সবশেষ সোমবার (২৩ আগস্ট) মন্ত্রিপরিষদের মিটিংয়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা নিয়ে আলোচনা হয়।
এরপরই সারাদেশের ৬৫ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলার নির্দেশ দেয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব। সচিবের এমন নির্দেশনা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
তারই ধারাবাহিকতায়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের নির্দেশনায় প্রত্যেক উপজেলার প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারের নির্দেশক্রমে দেশের প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অফিস খুলতে শুরু করেছে। প্রতিদিন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের স্ব-শরীরে উপস্থিত হয়ে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে।
নির্দেশনায় বলা হয়েছে, শিক্ষকদের ওয়ার্কসিট বিতরণ, মূল্যায়ন ও গুগল মিট ক্লাস নিয়মিত পরিচালনা করতে হবে। শিখন ঘাটতি পূরণে উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে পাওয়া পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের সফট কপি নিয়ে যেতে হবে।
তবে অফিস খোলার নির্দেশনা আসলেও শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। এ সময় প্রত্যেক শিক্ষক বিদ্যালয়ে আসার সময় একজন শিক্ষার্থীর বাড়ি গিয়ে পাঠ মূল্যায়ন করবে।
এতে আরো বলা হয়, শিক্ষকরা উপস্থিত হয়ে বিদ্যালয়ের আঙ্গিনা পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন কার্যক্রম তদারকি করবে এবং শ্রেণিকক্ষ প্রস্তুত রাখবে। যে কোনো সময় প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পরিদর্শনে যেতে পারে বলে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক জানায় “স্কুল খোলার বিষয়ে মৌখিকভাবে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। তবে কোন ধরনের পরিপত্র এখনো জারি হয়নি।”
এর আগে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার ব্যাপারে ২ টি বিষয় বিবেচনার কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। এই দুই বিষয়ের মধ্যে আছে করোনা সংক্রমণের পরিস্থিতি সুবিধাজনক অবস্থায় আসা এবং টিকা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনায় আনা।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, শুধু বিশ্ববিদ্যালয় নয় দ্রুত সময়ে স্কুলগুলোও খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করুন। কারণ, শিশুরা ঘরে থাকতে থাকতে অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে। তারা মানসিকভাবেও অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ার জন্য সব পদক্ষেপ নিতে হবে। সবার জন্য টিকা নিশ্চিত করতে হবে। জরুরি ভিত্তিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিতে হবে।
গত বছরের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণ দেখা দেয়ায় ১৭ মার্চ থেকে সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ছুটি ঘোষণা করা হয়। এ পর্যন্ত গত দফায় দফায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি বাড়ানো হয়। করোনা সংক্রমণ অব্যাহত থাকায় সবশেষ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান সাধারণ ছুটি আগামী ৩১ আগস্ট পর্যন্ত বাড়ানো হয়।-আমাদের সময়.কম
স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএমইউ) এর এ ব্লক অডিটোরিয়ামে অত্র বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্ট্রাল সেমিনার উপ-কমিটির উদ্যোগে আজ ১৫ জুন ২০২৬ইং তারিখে ‘ আর্টিফিশিয়াল ইন্টিলিজেন্স: এ নিউ ...
বকশীগঞ্জ প্রতিনিধি: জাল সনদে চাকরি নেওয়া বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া শুরু করেছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। পরিদর্শন ও নিরীক্ষা অধিদ ...
স্টাফ রিপোর্টার: শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, স্মার্ট বাংলাদেশ গড়তে হলে প্রাথমিক স্তর থেকেই শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতা, নেতৃত্ব ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করতে হবে। ...
লুতুব আলি, কলকাতা: পূর্ব বর্ধমান জেলা ব্রতচারী সম্মেলন ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে বর্ধমানের উপকণ্ঠে বড়শুলে। অনুষ্ঠানের আয়োজনে ছিল বাংলা ব্রতচারী সমিতি ও ব্যবস্থাপনায় বড়শুল ব্রতচারী সংঘ।অনুষ্ঠানের সূচনায় স্বা ...
সব মন্তব্য
No Comments