ব্রতচারী পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্তির দাবি

প্রকাশ : 14 Jun 2026
ব্রতচারী পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্তির দাবি

লুতুব আলি, কলকাতা: পূর্ব বর্ধমান জেলা ব্রতচারী সম্মেলন ২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে বর্ধমানের উপকণ্ঠে বড়শুলে। অনুষ্ঠানের আয়োজনে ছিল বাংলা ব্রতচারী সমিতি ও ব্যবস্থাপনায় বড়শুল ব্রতচারী সংঘ।


অনুষ্ঠানের সূচনায় স্বাগত ভাষণ দেন বাংলা ব্রতচারী সমিতির কার্যকরী কমিটির সদস্য ও বড়শুল ব্রতচারী সংঘের প্রতিষ্ঠাতা নারায়ণ চন্দ্র মহাজন। সম্মেলন থেকে পশ্চিমবঙ্গের স্কুল-কলেজের পাঠ্যসূচিতে ব্রতচারী অন্তর্ভুক্তির দাবি তোলা হয়।


ব্রতচারীর প্রতিষ্ঠাতা আইসিএস গুরুসদয় দত্ত ত্রিশের দশকে ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনের সময় ব্রতচারী আন্দোলন শুরু করেন। তিনি ব্রতচারীর দর্শনকে জ্ঞান, শ্রম, সত্য, ঐক্য ও আনন্দের ১৬টি আলিতে ভাগ করেন। গুরুসদয় দত্ত চেয়েছিলেন শরীর ও মননে বাঙালিকে গড়ে তুলতে।


বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বিজ্ঞানী আচার্য প্রফুল্ল চন্দ্র রায় ও ড. সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণাণ ব্রতচারীর প্রাসঙ্গিকতা নিয়ে লিখেছেন। ড. শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় বলেছিলেন, ব্রতচারী জাতীয় সেবা। প্রত্যেক দেশভক্ত বাঙালির উচিত একে সাহায্য করা।


সম্মেলনে আলোচনা চারটি পর্বে বিভক্ত ছিল। পর্বগুলো হলো সম্মেলনের শুভ সূচনা, সমাজ সংস্কারে গুরুজীর ভাবনা ও বর্তমান প্রাসঙ্গিকতা, শিক্ষা-সংস্কৃতিতে গুরুজীর চিন্তা এবং শিক্ষাক্ষেত্রে ব্রতচারী অন্তর্ভুক্তি।


অনুষ্ঠানে বাংলা ব্রতচারী সমিতির বাণীজী ও তড়িৎ সেন বক্তব্য রাখেন। আরও বক্তব্য দেন শ্যামাপ্রসাদ চৌধুরী, মহাদেব দাস, নব কুমার মল্লিক, বিশ্বজিৎ বণিক, গৌরাঙ্গ লাল বসু ও অভি ঘোড়াই।

সম্পর্কিত খবর

;