স্টাফ রিপোটারঃ বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, আওয়ামী সন্ত্রাস ও অপকীর্তির শেষ নেই। বিরোধী দলকে নিশ্চিহ্ন করতে ওরা রক্তাক্ত পথে হাঁটছে। আওয়ামী লীগের দুস্কর্মের কর্মধারা সম্পন্ন করে অত্যন্ত নিখুঁতভাবে।
আজ ১২ নভেম্বর এক প্রেস ব্রিফিং এ কথা বলেন তিনি।
তিনি অভিযোগ করে বলেন, গতরাতে আওয়ামী দুস্কৃতিকারিরা বাগেরহাট জেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরে আলম ভুঁইয়া তানুকে বাগেরহাট শহরে গুলি করে নির্মমভাবে হত্যা করেছে। আওয়ামী লীগ হত্যায় উৎসাহী একটি রাজনৈতিক দল। বিরোধী দলের নিরপরাধ লোকজনদের হত্যার শাস্তি না হওয়ায় দুর্বৃত্তরা সহিংস কার্যাবলী অব্যাহত রেখেছে। ছাত্রলীগ-যুবলীগের মানুষ হত্যার বীরত্বে আওয়ামী শাসকগোষ্ঠী দারুণ উল্লসিত ও উত্তেজিত। মানুষ হত্যায় এদের কলঙ্কের তীব্রতা এতটাই বেশী যে, তারা আর কোন কিছু লুকিয়ে রাখতেও লজ্জা পাচ্ছে না। এদের সময়ে পিলখানার বিডিআর হত্যা, সাংবাদিক হত্যা, শিক্ষক হত্যা, ছাত্র হত্যা, শ্রমিক হত্যা থেকে শুরু করে বিরোধী রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের হত্যা কোনটিরই কমতি করেনি। যাদেরকেই তারা সরকারের বিরোধী মনে করে তাদেরকেই ধরাতল থেকে অদৃশ্য করতে দ্বিধা করে না। সেই ধারাবাহিকতায় গতকাল হত্যা করা হলো স্বেচ্ছাসেবক দল নেতা নুরে আলম ভুঁইয়া তানুকে। শাসকগোষ্ঠী নিজেদের সমষ্টিগত সুখময় জীবন গড়ে তুলতেই বিরোধী পক্ষকে নিশ্চিহ্ন করার এজেন্ডা বাস্তবায়ন করছে। আইন শৃঙ্খলার ধ্বজাধারীরা সরকারের প্রাইভেট বাহিনীর ভূমিকা পালন করতেই ব্যস্ত রয়েছে। সাধারণ গণতান্ত্রিক নিয়ম পদ্ধতি এবং নির্বাচনী রায়ের মধ্য দিয়ে জনগণের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেয়ার ক্ষমতাকে আটকিয়ে দিয়ে খুন ও অত্যাচারের পথে হাঁটছে আওয়ামী সরকার। সারাদেশে বিভিন্ন জনপদে যুবলীগ-ছাত্রলীগকে দিয়ে তারা খুনে বাহিনী তৈরী করেছে।
তিনি আরও বলেন, নির্বিচারে গ্রেফতার, ব্যাপকভাবে নির্যাতন, নারকীয় অত্যাচার এবং ভয়ঙ্কর আতঙ্ক সৃষ্টিকারী গুমের নীতির ওপর দেশ চালাচ্ছে অবৈধ সরকার। এক শ্বাসরুদ্ধকর গুমোট পরিবেশের মধ্যে গোটা জাতি হাসফাঁস করছে। দেশে এখন জঙ্গলের রাজত্ব কায়েম করা হয়েছে। দেশের ভোটারদের প্রতি চরম বিশ^াসঘাতকতা করে বিরোধী দলকে নতি স্বীকার করানোর জন্য সরকার গুমের মতো একটি অমানবিক পন্থা চালু রেখেছে। কিন্তু সব স্বৈরাচারী সরকার’রা ভুলে যায় যে, জনগণের শক্তি কত প্রবল। গতকাল শুক্রবার সকালে কক্সবাজার জেলার রামু থেকে র্যাব পরিচয়ে তুলে নিয়ে যায় যুবদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি ইউসুফ বিন জলিলসহ তার সাথে থাকা কয়েকজন বিএনপি কেন্দ্রীয় নেতাকে। সবাইকে ছেড়ে দেয়া হলেও ইউসুফ বিন জুয়েলকে আটকে রাখে র্যাব-১৫। কিন্তু পরবর্তীতে ইউসুফকে আটকিয়ে রাখার কথা র্যাব-১৫ অস্বীকার করতে থাকে। বারবার খোঁজ নিলেও র্যাব-১৫ ইউসুফের কোন হদিস দিতে চান না। এটি আওয়ামী আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর এক নির্মম চিরচেনা সংস্কৃতি। আজ সকালে ইউসুফ বিন জলিলকে ডিবির কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে বলে আমরা জানতে পেরেছি।
ডেস্ক রিপোর্ট: হাসানুল হক ইনুর পক্ষের সাফাই সাক্ষী অ্যাডভোকেট জয়দেব বিশ্বাসের ওপর কুষ্টিয়ায় বিএনপির হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ।আজ বুধবার ১ জুলাই জাসদ কেন্ ...
স্টাফ রিপোর্টার: জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের স্মরণে রায়ের বাজারের গণকবর জিয়ারত করেছেন। মঙ্গলবার ১ জুলাই বিকেলে রায়ের বাজার শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধ স ...
রাহাদ সুমন, বরিশাল ব্যুরো: জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর ভাটারা থানায় করা হত্যাচেষ্টা মামলায় বরিশাল-৫ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য জেবুন্নেছা আফরোজকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেছেন আদালত। বুধব ...
ডেস্ক রিপোর্ট: ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারের পরিবর্তে বিদ্যমান সংকটকে আরও দীর্ঘায়িত করবে বলে মন্তব্য করেছে আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি)। জাতীয় বাজেট পাস হওয়ার পর এক তাৎক্ ...
সব মন্তব্য
No Comments