ট্রাম্প ও জেলেনস্কি ফের বৈঠক অনুষ্ঠিত

প্রকাশ : 26 Apr 2025
ট্রাম্প ও জেলেনস্কি ফের বৈঠক অনুষ্ঠিত

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির সাথে এক বৈঠকের পর যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে ভ্লাদিমির পুতিনের সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। পোপ ফ্রান্সিসের শেষ কৃত্যাষ্ঠানে যোগ গিয়ে তারা ওই বৈঠক করেছেন। বিবিসি বাংলা এক পতিবেদনে একথা জানিয়েছেন।

রোম ছাড়ার পর সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া পোষ্টে ট্রাম্প বলেন, চলতি সপ্তাহে কিয়েভে মস্কোর হামলার পর তার মনে হচ্ছিল যে পুতিন তাকেও ঘোরাচ্ছেন। না হলে বেসামরিক এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়ার কোন কারণ ছিলো না।

ট্রাম্প ও জেলেনস্কিকে সেন্ট পিটার্স ব্যাসিলিকায় পোপের শেষ কৃত্যানুষ্ঠান শুরুর আগে গভীর আলোচনায় মগ্ন দেখা যায়। 

হোয়াইট হাউজ পনের মিনিটের এই বৈঠকে খুবই ফলপ্রসূ হিসেবে উল্লেখ করেছে। আর ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বলেছেন, এটি ঐতিহাসিক হবার মতো।

গত ফেব্রুয়ারিতে ওভাল অফিসে উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়ের পর এটাই ট্রাম্প ও জেলেনস্কির মুখোমুখি বৈঠক।

ট্রাম্প লিখেছেন, ইউক্রেনের শহরগুলোতে রাশিয়ার হামলার ঘটনায় তার মনে হয়েছে 'তিনি (পুতিন) হয়তো যুদ্ধ বন্ধ চান না, তিনি শুধু আমাকে ঘোরাতে চান। এটা ভিন্নভাবে মোকাবেলা করতে হবে , ব্যাংকিং বা নিষেধাজ্ঞার সম্প্রসারণ?

এর আগে ট্রাম্পের দূত স্টিভ উইটকফ ও রাশিয়ার প্রেসিডেন্টের মধ্যে বৈঠকের পর ট্রাম্প বলেছিলেন , রাশিয়া ইউক্রেন চুক্তির খুব কাছাকাছি পৌঁছেছে।

ক্রেমলিন শনিবার বলেছ, ইউক্রেনের সাথে কোন পূর্বশর্ত ছাড়াই আরোচনায় বসার বিষয়টি উইটকফকে নিশ্চিত করা হয়।

এরআগে হোয়াইট হাউজের বৈঠকে ট্রাম্প জেরেনস্কিকে উদ্দেশ্য করে বলেছিলেন 'আপনার হাতে কোন কার্ড নেই' এবং তিনি রাশিয়ার বিরুদ্ধে বিজয়ী হতে পারবেন না। 

ট্রাম্প যুদ্ধ শুরু জন্য ইউক্রেনকে দোষারোপ করেছেন এবং অনেকবারই শান্তি আলােচনায় বাধা হওয়ার জন্য জেলনস্কিরকে অভুযুক্ত করেছেন।

তবে শনিবারের বৈঠক নিয়ে হোয়াইট হাউজের দিক থেকে ইতিবাচক সুর পাওয়া গেছে।

এরআগে ফেব্রুয়ারিতে হোয়াইট হাউজের উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়ের সময় ট্রাম্প ওয়াশিংটনের যুদ্ধবিরতি প্রস্তাব গ্রহণ না করায় জেরেনস্কির বিরুদ্ধে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ নিয়ে জুয়া খেলার অভিযোগ করেছিলেন।

পরে ট্রাম্পের ক্রমাগত চাপের মুখে কিয়েভ যুদ্ধ অবসানে মস্কোর সাথে ভূখন্ড ছাড়া দিয়েও সমঝোতায় পৌঁছানোর বিষয়টি গ্রহণ করে। 

এই ছাড় দেয়ার মধ্যে একটি বড় অংশের ভূমি এবং ২০১৪ সালে রাশিয়ার দখল করে নেওয়া ক্রাইমিয়া উপত্যকার বিষয়টি রয়েছে।

সম্পর্কিত খবর

;