দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি : সাংবাদিকদের ওপর হামলার প্রতিবাদে কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সর্বস্তরের সাংবাদিকদের মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার বেলা সাড়ে ১১টায় দৌলতপুর থানার সামনে এ মানববন্ধনের অনুষ্ঠিত হয়। দৌলতপুর প্রেসক্লাব ডিপিসি’র সভাপতি আব্দুল আলীম সাচ্চু’র সভাপতিত্বে মানববন্ধন চলাকালে বক্তব্য রাখেন, দৌলতপুর প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক শরীফুল ইসলাম, আল্লারদর্গা প্রেসক্লাবের সভাপতি খন্দকার জালাল উদ্দিন, সাংবাদিক আহাদ আলী নয়ন, দৌলতপুর রিপোর্টার্স ক্লাবের সভাপতি আহসানুল হক, সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ বিন জোহানী তুহিন, দৌলতপুর প্রেসক্লাবের দপ্তর সম্পাদক সাইদুল আনাম ও ডিপিসি'র যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হেলাল উদ্দিন প্রমুখ। পরিচালনা করেন দৌলতপুর সাংবাদিক ফোরামের আহ্বায়ক তাশরিক সঞ্চয়। বক্তারা সাংবাদিকদের ওপর হামলাকারী সন্ত্রাসী ও হামলা মামলার আসামিদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার দাবী জানান। তা নাহলে আরো বৃহৎ কর্মসূচী দেওয়া হবে বলে বক্তব্যে উল্লেখ করা হয়।
উল্লেখ্য, গত ১৫ ফেব্রুয়ারী দুপুরে দৌলতপুরের সিরাজনগর গ্রামের কামাল হোসেন নামে একজন সরকারী কর্মকর্তা মুক্তিযোদ্ধার সন্তান পরিচয়ে চাকুরী নিয়ে ইউএনও পদে কর্মরত থাকার সংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে সন্ত্রাসী হামলায় আহত হোন ৩জন সাংবাদিক। এসময় ভাংচুর করা হয়েছে সাংবাদিকের ভিডিও ক্যামেরা। হামলায় চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের কুষ্টিয়ার ষ্টাফ রিপোর্টার শরীফ উদ্দিন বিশ্বাস (৪৪), ক্যামেরা পার্সন এস আই সুমন (৩৮) ও তাদের সহযোগী আহসান হাবিব বিদ্যুৎ (২৬) আহত হোন।
এ ঘটনায় দৌলতপুর থানায় মামলা হলেও আসামিরা গ্রেফতার না হওয়ায় কুষ্টিয়ার দৌলতপুরের সর্বস্তরের সাংবাদিক এ মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করে।
সাংবাদিকদের ওপর হামলার মামলা সূত্রে জানাগেছে, দৌলতপুর উপজেলার ফিলিপনগর ইউনিয়নের সিরাজনগর গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে মো. কামাল হোসেন মুক্তিযোদ্ধা কোটায় প্রশাসনিক ক্যাডারে চাকুরী নিয়ে বর্তমানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার পদে খুলানায় কর্মরত আছেন। তিনি তার চাচা মুক্তিযোদ্ধা আহসানুল্লাহ লালুর মুক্তিযোদ্ধা সনদে মুক্তিযোদ্ধা কোটায় সরকারী কর্মকর্তা পদে চাকুরী পান। এসংবাদ সংগ্রহ করতে গিয়ে চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের কুষ্টিয়ার ষ্টাফ রিপোর্টার শরীফ উদ্দিন বিশ্বাস, ক্যামেরা পার্সন এস আই সুমন ও তাদের সহযোগী আহসান হাবিব বিদ্যুৎ সন্ত্রাসী হামলার শিকার হোন। হামলার ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতেই আহত সাংবাদিক শরীফ বিশ্বাস বাদী হয়ে হামলায় জড়িত ৫জনের নাম উল্লেখ সহ ৮/১০ জনকে অজ্ঞাত আসামী করে দৌলতপুর থানায় মামলা করেন যার নং-৩০। মামলা দায়ের পর দৌলতপুর থানা পুলিশ সিরাজনগর গ্রামে অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহার নামীয় দুই আসামী আহসানুল্লাহ লালুর ছেলে শিপন (৩৬) ও মোসতাকের ছেলে মো. মঞ্জু (৩৫) কে গ্রেফতার করে। বাঁকী আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও পুলিশ তাদের গ্রেফতার না করায় সাংবাদিক মহলে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।
মোঃ মহশীন আলী, রংপুর অফিস: আগামী ২৯ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ঠাকুরগাঁও-১ (সদর, রুহিয়া ও ভূল্লী) শূন্য আসনের উপনির্বাচন। রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ছেড়ে দেওয়া এই আসনটির নি ...
রাহাত সুমন, বরিশাল ব্যুরো : বরিশালের গৌরনদীতে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন যুব ও ছাত্রলীগের সাতজন নেতাকর্মীকে আটক করেছে পুলিশ। রবিবার শেষ বিকেলে উপজেলার মাহিলাড়া ইউনিয়ন পরিষদ ...
পঞ্চগড় প্রতিনিধি:পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় ধীরে ধীরে কমতে শুরু করেছে তাপমাত্রা। ভোর ও সকালের দিকে হালকা শীতের আমেজ অনুভূত হচ্ছে। আজ (সোমবার ২৬ অক্টোবর) সকালে তেঁতুলিয়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ...
মহাসিন মিঞা লিটন বরিশাল: বরিশালের উজিরপুর উপজেলা ভূমি অফিসে ঘুষ গ্রহণ ও নানা অনিয়মের অভিযোগের পর দুই কর্মচারীকে প্রত্যাহার করে বরিশালে সংযুক্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে এক গাড়িচালককে চাকরি থেকে অব্যাহতি দে ...
সব মন্তব্য
No Comments