স্টাফ রিপোর্টার: ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার হোটেল অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৭ বাংলাদেশি নাগরিকের মধ্যে ৬ জনের মরদেহ আজ দেশে ফেরত আনা হয়েছে। শনিবার (২২ আগস্ট) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, নিহতদের মরদেহ সরকারি খরচ ও ব্যবস্থাপনায় দেশে আনার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হচ্ছে। কলকাতাস্থ বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশনের তত্ত্বাবধানে মরদেহগুলো সংরক্ষণ ও হস্তান্তর প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আজ ৬ জনের মরদেহ দেশে আনা হয়েছে এবং অবশিষ্ট মরদেহ দ্রুততম সময়ের মধ্যে আনার প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার গভীর রাতে কলকাতার নিউমার্কেট এলাকার ১৫জি মির্জা গালিব স্ট্রিটের ‘শিখা ইন’ আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। রাত আনুমানিক ২টা ৫০ মিনিটে হোটেলটির দ্বিতীয় তলায় আগুনের সূত্রপাত হয়। প্রাথমিকভাবে এসি মেশিনে বিস্ফোরণ বা শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগে থাকতে পারে বলে পুলিশ জানিয়েছে। আগুন দ্রুত হোটেলের অন্তত চারটি কক্ষে ছড়িয়ে পড়ে এবং ঘন কালো ধোঁয়ায় পুরো ভবন ঢেকে যায়। এতে ৯ জনের মৃত্যু হয়। নিহতদের মধ্যে সাতজন বাংলাদেশি ও দুজন ভারতীয় নাগরিক। তাদের মধ্যে ছয়জন পুরুষ, দুজন নারী ও একটি শিশু রয়েছে।
নিহত বাংলাদেশিরা হলেন আকরাম আলী, দেবাশীষ দত্ত, আফসানা শিরমিন, সর্নাশীষ দত্ত, বাবু আহমেদ, রেবতী সরকার ও এস এম আলিমুজ্জামান। নিহত দুই ভারতীয় নাগরিক হলেন ঝাড়খণ্ডের সন্দীপ পাশওয়ান ও শিলিগুড়ির যোগ নারায়ণ আগারওয়াল। নিহতদের অধিকাংশই চিকিৎসা ও ভ্রমণের উদ্দেশ্যে ভারতে গিয়েছিলেন এবং ওই হোটেলে অবস্থান করছিলেন।
বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) কলকাতা মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের পুলিশ মর্গে ৯ জনের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। ময়নাতদন্ত শেষে দুই ভারতীয় নাগরিকের মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হলেও সাত বাংলাদেশির মরদেহ মর্গে সংরক্ষিত রাখা হয়। বাংলাদেশ উপ-হাইকমিশন সূত্রে জানা গেছে, মরদেহগুলো ভারত থেকে বাংলাদেশে আনার খরচ বাংলাদেশ সরকার বহন করছে। সাতক্ষীরার বাসিন্দাদের মরদেহ ঘোজাডাঙ্গা-ভোমরা সীমান্ত এবং বাকিদের মরদেহ গেদে-দর্শনা সীমান্ত দিয়ে দেশে আনার পরিকল্পনা করা হয়েছিল।
এ ঘটনায় কলকাতা পুলিশ তিনজনকে গ্রেফতার করেছে। হোটেলটির ইজারাদার আবু জাফরকে এন্টালি থানার মেইন মার্কেট এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে। হোটেলটির অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না এবং সরু প্রবেশপথসহ নানা অনিয়মে চলছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে। ঘটনার তদন্তে কলকাতা পুলিশের ডেপুটি কমিশনার ডিটেকটিভ ডিপার্টমেন্টের নেতৃত্বে বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হয়েছে। পাশাপাশি মির্জা গালিব স্ট্রিট ও সংলগ্ন এলাকার হোটেল ও লজগুলোর অগ্নিনিরাপত্তা পরীক্ষা শুরু করেছে পুলিশ।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নিহতদের পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে এবং মরদেহ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনার পাশাপাশি আহতদের চিকিৎসা ও অন্যান্য সহায়তায় কলকাতা মিশন সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখছে।
স্টাফ রিপোর্টার: লিবিয়ার বেনগাজির গানফুদা ডিটেনশন সেন্টারে বন্দি ১৭৪ জন বাংলাদেশি নাগরিককে দেশে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। আজ ভোর ৬টায় বুরাক এয়ারের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তাদের বাংলাদেশে আনা হয়। পররাষ্ট্র ম ...
স্টাফ রিপোর্টার: সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে সোফা তৈরির একটি কারখানায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ১৬ বাংলাদেশি শ্রমিক নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ১৩ জনের বাড়ি নওগাঁ, দুজনের বাড়ি নাটোর এবং একজনের বাড়ি রাজশাহী জেলা ...
স্টাফ রিপোর্টার: সিঙ্গাপুরে বসবাসরত প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য ভোটার নিবন্ধন ও জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সেবা চালু করেছে বাংলাদেশ হাইকমিশন। এখন থেকে সিঙ্গাপুরে অবস্থানরত বাংলাদেশি নাগরিকরা দেশে না গিয়েই ...
ডেস্ক রিপোর্ট: দক্ষিণ আফ্রিকার ইস্টার্ন কেপ প্রদেশের কুইন্সটাউনে একটি দোকানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৬ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় আরও একজন দগ্ধ হয়েছেন। আহত ব্যক্তিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।স্ ...
সব মন্তব্য
No Comments