স্টাফ রিপোটার: বাংলার মানুষের স্বপ্নের পদ্মা সেতু নিয়ে নির্মিত বড়ুয়া মনোজিত ধীমন প্রযোজিত এবং আলী আজাদ পরিচালিত 'পদ্মা সেতু' সিনেমাটি দীর্ঘ দিন যাবত সেন্সরে আটকে থাকায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন প্রযোজক। রবিবার (২৮ আগস্ট) মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বরাবরে লিখিত আবেদনে এই হস্তক্ষেপ চাওয়া হয়।
এতে লেখা হয়েছে, পূর্ণদৈর্ঘ্য বাংলা চলচ্চিত্র ‘পদ্মা সেতু’ এর প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শনের অনুমতির জন্য গত ০৬.০৭.২০২২ তারিখ বাংলাদেশ ফিল্ম সেন্সর বোর্ডে জমা দেয়া হয়। সেন্সর বোর্ডের সদস্যগণ গত ২১.০৭.২০২২ইং তারিখ চলচ্চিত্রটি পরীক্ষা করেন।
আবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশ ফিল্ম সেন্সর বোর্ডের সম্মানিত সদস্যগণ চলচ্চিত্রটির সেন্সর সনদ প্রদানের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্প কতৃপক্ষের মতামত নেয়ার পক্ষে মত দেন। পরিপ্রেক্ষিতে , বাংলাদেশ ফিল্ম সেন্সর বোর্ডের প্রজেকশন হলে ০৭.০৮.২০২২ইং তারিখ পদ্মা সেতু চলচ্চিত্রটি প্রদর্শনের ব্যবস্থা গ্রহণ করেন।
সেন্সর বোর্ডের সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তে বলা হয়েছে, পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্প কর্তৃপক্ষের মনোনীত প্রতিনিধি/প্রতিনিধিবৃন্দ চলচ্চিত্রটি পরীক্ষা করে ২টি বিষয়ে মতামত প্রদান করবেন : (১) চলচ্চিত্রটিতে উপস্থাপিত পদ্মা সেতু সম্পর্কিত তথ্য-উপাত্তে কোনো ধরনের ভুল আছে কিনা? (২) মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের ইস্পাত-কঠিন আঙ্গীকারের বাস্তবরূপ পদ্মা সেতুর উপর নির্মিত চলচ্চিত্রটি প্রদর্শনের অনুমতি দেওয়া হলে এ সেতু নিয়ে জনমতে কোন বিরূপ প্রতিক্রিয়ার আশঙ্খা আছে কিনা?
সেন্সর বোর্ড সূত্রে জানা যায়, পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্প কর্তৃপক্ষের মনোনীত প্রতিনিধি পদ্মা সেতু চলচ্চিত্রটি দেখেছেন। কিন্তু অফিসিয়ালি এখনো কোনো মতামত না আসায় সিনেমাটি সেন্সরে আটকে আছে। কিন্তু পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্প কেন মতামত দেননি, তা এখনও আমাদের জানায় নাই।
আমারা দৃঢ়তার সঙ্গে বলতে পারি, বাংলার মানুষের স্বপ্নের পদ্মা সেতু নিয়ে নির্মিত হয়েছে ‘পদ্মা সেতু’ চলচ্চিত্রটি। কোনো ধরনের ভুল তথ্য নেই এই চলচ্চিত্রে। এই ব্যাপারে আমরা যথেষ্ট সচেতন। সিনেমায় যা কিছু দেখানো হয়েছে তা দেশের বিভিন্ন জাতীয় গণমাধ্যমের সংবাদ থেকেই তথ্য নিয়ে সিনেমাটি নির্মাণ করেছি। বরং এই সিনেমাটিতে পদ্মা সেতুকে নিয়ে প্রত্যয় এবং অহংকারের একটি গল্প সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে।
আরও বলা হয়, পদ্মা সেতু কালের ইতিহসা। পদ্মা সেতু বাংলাদেশের নিজ অর্থায়নে নির্মিত বঙ্গবন্ধু কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগে এই সেতুটির নির্মাণক্ষণে কালের সাক্ষী দেশের আপমর জনগণ। আগামী প্রজন্মের জন্য এই স্মৃতি ধরে রাখার জন্য পদ্মা সেতু পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রটি মুক্তি দেয়া আশু প্রয়োজন। শুধু প্রধানমন্ত্রী হিসেবেই নয়, একজন চলচ্চিত্র প্রেমী হিসেবে, বিষয়টি বিশেষ বিবেচনা করার আকুল আবেদন জানাই।
কাজী সাইমুল হক নিবেদিত ‘পদ্মা সেতু’ সিনেমার পুরো শুটিং হয়েছে পদ্মা সেতু এলাকায়। এ সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন সাঞ্জু জন ও অলিভিয়া মাইশা। এতে আরও অভিনয় করেছেন আনোয়ার সিরাজী, শান্তা পাল, রায়হান মুজিব প্রমুখ।
স্টাফ রিপোর্টার: সংশোধিত ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার (নিয়ন্ত্রণ) আইন-২০০৫’ অনুসরণ করে চলচ্চিত্র নির্মাণ ও প্রচারের আহ্বান জানিয়েছেন চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক, শিল্পী ও সংশ্লিষ্টরা।বাংলাদেশ চল ...
স্টাফ রিপোর্টার: চর্যাগান, পাপেট শো, আবৃত্তি এবং কবি রাজীব কুমার দাশের কবিতা নিয়ে প্রবন্ধ পাঠ ও আলোচনার মধ্য দিয়ে আজ ২৫ জুলাই ২০২৬, শনিবার সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বাংলা একাডেমির কবি ...
ডেস্ক রিপোর্ট: প্রথমবারের মতো বাংলাদেশের গান নিয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে বিশ্বের অন্যতম প্রধান এবং ঐতিহাসিক পরিবেশনা প্রতিষ্ঠান ওয়ার্নার ব্রাদার্স মিউজিক। তারা আমন্ত্রণ জানিয়েছে বাংলাদেশের জনপ্রিয় ব্যান্ ...
স্টাফ রিপোর্টার: পূর্ণিমা এক সময়ের হার্টথ্রব নায়িকা। মান্না, রিয়াজ এবং শাকিব খানের সঙ্গে অসংখ্য চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। পূর্ণিমা চ্যানেল আইতে বিভিন্ন সময়ে এসেছেন। কিন্তু সে আসাটা ছিল একেবারেই সাদামাট ...
সব মন্তব্য
No Comments