স্কুলে ভর্তির আবেদন শেষ হচ্ছে আজ

প্রকাশ : 29 Nov 2024
স্কুলে ভর্তির আবেদন শেষ হচ্ছে আজ

স্টাফ রিপোর্টার: স্কুলে প্রথম থেকে নবম শ্রেনী পর্যন্ত ২০২৫ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির আবেদন আজ ( ৩০ নভেম্বর) শেষ হচ্ছে। আবেদন গ্রহণ করা হবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। লটারি অনুষ্ঠিত হবে ডিসেম্বরে।

বৃহস্পতিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুর পর্যন্ত মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) তথ্যমতে, এ পর্যন্ত আবেদন জমা পড়েছে ৮ লাখ ৬২ হাজার ৪৯০টি। মাউশির সূত্রমতে, এবার সরকারি-বেসরকারি ৩ হাজার ৮৭৮টি বিদ্যালয় মোট আসন রয়েছে ১১ লাখ ১৬ হাজার ৬৩৩টি।

মোট আসনের মধ্যে ৩ হাজার ১৯৮টি বেসরকারি বিদ্যালয় আসন আছে ১০ লাখ ৭ হাজার ৬৭১টি। এর বিপরীতে আবেদন করেছে ২ লাখ ৯১ হাজার ৮১৭ শিক্ষার্থী। এছাড়া সরকারি ৬৮০টি স্কুলে ১ লাখ ৮ হাজার ৬৬২টি আসনের বিপরীতে আবেদন পড়েছে ৫ লাখ ৭১ হাজার ৩৯২টি, যা মোট আসনের প্রায় ছয় গুণ।

ডিজিটাল লটারি শেষে আগামী ১৭ ডিসেম্বর শুরু হবে ভর্তি কার্যক্রম, যা চলবে ২১ ডিসেম্বর পর্যন্ত। প্রথম অপেক্ষামান তালিকা থেকে ভর্তি হবে ২২ ডিসেমআবর থেকে ২৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত। দ্বিতীয় অপেক্ষামান তালিকা থেকে ভর্তি চলবে ২৬ ডিসেম্বর থেকে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত। 

আবদেনের সময় সরকারি স্কুলের ক্ষেত্রে থানাভিত্তিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি স্কুলের ক্ষেত্রে মহাপনগন এলাকা ও জেলার সদর উপজেলা পর্যায়ের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের তালিকা পাওয়া যাবে।

কোনে শ্রেনী শাখার জন্য শিক্ষার্থীর চাহিদা সংখ্যা কোনভাবেই ৫৫ জনের বেশি দেওয়া যাবে না। তথ্য ফরমে ঢাকা মহনগরের প্রতিষ্ঠান প্রধানরা প্রতিষ্ঠান সংলগ্ন সর্বোচ্চ তিনটি থানাকে ক্যাচমেন্ট এলাকা হিসেবে নির্ধারণ করবেন।

বেসরকারি-সরকারি স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্র ৬৮ শতাংশই কোটা। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশী ৪০ শতাংশই ক্যাচমেন্ট এরিয়া কোটা। তা ছাড়া বীর ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ৫ শতাংশ, শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও অধীনস্ত দপ্তর-সংস্থাগুলোর কর্মকর্তা-কর্মচারীদের সন্তানদের জন্য ১ শতাংশ, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা ১০ শতাংশ,  বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিক্ষার্থীরা ২ শতাংশ, অধ্যায়নরত শিক্ষার্থীর যমজ ও সহোদর ভাইবোন ৫ শতাংশ কোটায় সংরক্ষিত আসনে ভর্তির সুযোগ পাবেন।

তবে এবার কোটা পদ্ধতিতে কিছুটা পরিবর্তন আনা হয়েছে। এত দিন মুক্থযোদ্ধা বা শহীদ মুক্থিযোদ্ধাদের পুত্র-কন্যা এবী নাতি-নাতনিদের ভর্তির জন্য ৫ শতাংশ কোটা সংরক্ষিত রাখার নিয়ম ছিল। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, বীর মুক্তিযোদ্ধা বা শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য কেবল ৫ শতাংশ কোটা সংরক্ষিত থাকবে। এ কোটায় শিক্ষার্থী না পাওয়া গেলে মেধা তালিকা থেকে এসব আসনে ভর্তি করা হবে।


সম্পর্কিত খবর

;