দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সত্যানুসন্ধান কমিটি গঠন

প্রকাশ : 13 Nov 2024
দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে সত্যানুসন্ধান কমিটি গঠন

স্টাফ রিপোর্টার: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে বিগত সরকারের আমলে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে জুলাই ২০১২ থেকে জুলাই ২০২৪ পর্যন্ত বিভিন্ন সময় সকল প্রকার ক্রয়-বিক্রয়, অবকাঠামো নির্মাণ, বাড়ি-ভাড়া গাড়ি ব্যবহার, প্রকাশনাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আর্থিক ও প্রশাসনিক চরম দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে। আর এই অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে বিশ্ববিদ্যালয়টি সত্য অনুসন্ধান কমিটি (Truth  Finding Committee) গঠন করেছে৷ গত ৩ নভেম্বর জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সিন্ডিকেটের ২৬৩ তম সভায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।


গঠিত কমিটি ২০১২ জুলাই থেকে ২০২৪ জুলাই পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ে যেকোন প্রকার আর্থিক ও প্রশাসনিক অনিয়ম-দুর্নীতি থাকলে তা চিহ্নিত করবে। প্রশাসনি, একাডেমিক ও আর্থিক কর্মকান্ড পরিচালনার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন, সংবিধি/রুলস-রেগুলেশন ও সরকারি বিধিবিধান লংঘিত হয়ে থাকলে তা নিশ্চিত করবে এই সত্যানুসন্ধান কমিটি।


১১- সদস্যের এই কমিটিতে আহবায়ক হিসেবে রয়েছেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর মো: লুৎফর রহমান। এছাড়া, এই কমিটির সদস্যরা হলেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভাইস চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মো: নুরুল ইসলাম,  জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার প্রফেসর ড. এ টি এম জাফরুল আযম, প্রফেসর ড: মো: কামরুল হাসান, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, ব্যারিস্টার সারাহ হোসেন, সিনিয়র আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, ব্যারিস্টার জ্যোতির্ময় বড়ুয়া, সিনিয়র আইনজীবী, বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট, সৈয়দ আবদাল আহমদ, সাবেক সভাপতি, জাতীয় প্রেসক্লাব, প্রফেসর ড: মো: সাব্বির মোস্তফা খান, পানি সম্পদ বিভাগ, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা, জনাব কাজী মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান, সহযোগী অধ্যাপক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং ড: মো: আনোয়ার হোসেন ভূঁঞা, সহযোগী অধ্যাপক, ব্যবস্থাপনা বিভাগ, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।


জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড: এ এস এম আমানুল্লাহ এই কমিটির উপদেষ্টা হিসেবে কাজ করবেন।

সম্পর্কিত খবর

;