জাবি প্রতিনিধি : জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) হলগুলো থেকে অছাত্রদেরকে বের হতে ৫ কর্মদিবস সময় বেধে দিয়েছে প্রশাসন। তা বাস্তবায়ন করতে ইতিমধ্যেই অছাত্র বের করার কার্যক্রম শুরু করার কথা জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট হলের প্রভোস্টরা। তবে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, ছাত্রলীগের অছাত্রদের নিয়ে সাধারণ শিক্ষার্থীরদের হয়রানি করতেই নন এলোটেট এবং রিপিটারদের (বৈধ শিক্ষার্থী) রুমে যাচ্ছেন প্রভোস্টরা।
ভুক্তভোগী একাধিক শিক্ষার্থীর সাথে কথা বলে জানা যায়, গত ৩ ফেব্রুয়ারি মীর মশাররফ হোসেন হলে বহিরাগত এক দম্পতির স্বামীকে হলে আটকে রেখে পাশের জঙ্গলে স্ত্রীকে ধর্ষণের ঘটনায় হলগুলো থেকে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্লাটফর্মের দাবির প্রেক্ষিতে অছাত্রদের বের করার অভিযানে নামে হল প্রশাসন। বিভিন্ন সময়ে উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যদের হলগুলো পরিদর্শন করতে দেখা গেছে। প্রশাসনের এরকম পরিদর্শনের বিভিন্ন ছবি ও ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। ফলে প্রশাসনের এমন পদক্ষেপের বাহবাও মিলেছে অনেকটাই। তবে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, অছাত্রদের তাড়ানোর নামে ক্ষমতাসীন ছাত্রসংঠনের অছাত্রদের নিয়ে নন এলোটেড ও অনিয়মিত বৈধ (যারা রিপিটার) শিক্ষার্থীদের রুমে যাচ্ছেন প্রভোস্টরা। তাই লোক দেখানো এই পরিদর্শনকে নাটক বলছেন শিক্ষার্থীরা।
এ বিষয়ে ভোগান্তির স্বীকার বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী আ র ক রাসেল বলেন, অছাত্রদের বের করার নামে সাধারণ শিক্ষার্থীদের ভোগান্তি করছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। এটা প্রশাসনের একটা প্রহসন। শিক্ষার্থীরা যে আন্দোলনটি করছে তাদের আন্দোলনটি দমাতে প্রশাসনের এই নাটকীয়তা। অথচ ক্ষমতাসীন রাজনৈতিক দলের অছাত্রদের বের করার মুরোদ নেই প্রশাসনের।
এ বিষয়ে বিকেলে অনুষ্ঠিত সংহতি সমাবেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্টার্ড গ্র্যাজুয়েট সিনেটর ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন বলেন, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন অছাত্রদের বের করার নামে নন-এলোটেড শিক্ষার্থী ও যাদের রাজনৈতিক দলের সাথে সম্পৃক্ততা নেই তাদের বের করার চেষ্টা করছে। প্রশাসন আমাদের এক ধরণের চোখে ধুলো দিচ্ছে। অথচ অনেক ক্ষমতাসীন ছাত্রসংগঠনের নেতা-কর্মীরা একাই হলের একটি করে কক্ষ দখল করে রেখেছে৷’
সরকার ও রাজনীতি বিভাগের প্রফেসর শামছুল আলম সেলিম বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের হলগুলোতে কারা সিট বাণিজ্য করছে তাদের খুঁজে বের করে প্রশাসনকে ব্যবস্থা নিতে হবে৷ কিন্তু সময় ঠিকই ফুরিয়ে যাচ্ছে অথচ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এখন টালবাহানা শুরু করেছে৷ তারা অছাত্রদের বের করার নামে শুধু নন-এলোটেড শিক্ষার্থীদের বের করছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের হয়রানি করে রাজনীত করে হলে অবস্থান করছেন এমন অছাত্রদের রুমে যাচ্ছেন না।
এ বিষয়ে মীর মশাররফ হোসেন হলের প্রভোস্ট সাব্বির আলমকে একাধিকবার ফোন করা হলেও সাড়া মেলেনি।
প্রভোস্ট কমিটির সভাপতি প্রফেসর নিগার সুলতানা বলেন, আমি এ বিষয়ে অবগত নই। তবে এরকম হওয়ার কথা নয়। আগামীকাল প্রভোস্ট কমিটির মিটিংয়ে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করব।
রাহাদ সুমন, বিশেষ প্রতিনিধি: খেলোয়াড় ও শিক্ষার্থীদের অভিযোগের ভিত্তিতে, দায়িত্বে অবহেলায় সাময়িক বরখাস্ত হয়েছেন বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) শারীরিক শিক্ষা দপ্তরের উপ-পরিচালক সেলিনা বেগম। রব ...
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি: ঢাকা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (ডুয়েট) নতুন উপাচার্য নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারির পর তা প্রত্যাখ্যান করে আন্দোলনে নেমেছেন শিক্ষার্থীরা। রবিবার সকালে ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের ...
স্টাফ রিপোর্টার: উচ্চশিক্ষা ও বিদেশে কর্মসংস্থানের স্বপ্ন দেখিয়ে হাজার হাজার শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে রাজধানীতে এক সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। অভিযোগকারীদে ...
ডেস্ক রিপোর্ট: আগামী ২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের পাঠ্যপুস্তকে দীর্ঘদিনের বিচ্যুতি ও একপেশে ইতিহাস সংশোধন করে প্রকৃত সত্য তুলে ধরার উদ্যোগ নিয়েছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর ...
সব মন্তব্য
No Comments