ডেস্ক রিপোর্ট: সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকগুলোতে বাংলাদেশিদের জমানো অর্থের পরিমাণ বেড়েছে। এক বছরের ব্যবধানে এই অর্থের পরিমাণ প্রায় ৫৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০২১ সালে সুইজারল্যান্ডের বিভিন্ন ব্যাংকে বাংলাদেশি নাগরিকদের আমানতের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৮৭ কোটি ১১ লাখ সুইস ফ্রাঁ। দেশীয় মুদ্রায় এর পরিমাণ ৮৩৩১ কোটি ৬৮ লাখ টাকা (প্রতি সুইস ফ্রাঁ ৯৫.৬৫ টাকা হিসাবে)। এক বছর আগে অর্থাৎ ২০২০ সালে এর পরিমাণ ছিল ৫৬ কোটি ২৯ লাখ ফ্রাঁ (৫৩৮৩.৮৯ কোটি টাকা)। সে হিসাবে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের জমানো অর্থের পরিমাণ প্রায় ৫৪ দশমিক ৭৯ শতাংশ বেড়েছে।
বৃহস্পতিবার সুইজারল্যান্ডের কেন্দ্রীয় ব্যাংক সুইস ন্যাশনাল ব্যাংক (এসএনবি) বার্ষিক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে দেশটিতে থাকা বিদেশিদের আমানতের পরিমাণ উল্লেখ করা হয়েছে। তবে কোনো বাংলাদেশি যদি তার নাগরিকত্ব গোপন রেখে টাকা জমা করে থাকে, তার তথ্য এই প্রতিবেদনে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি।
একইভাবে সুইস ব্যাংকে গচ্ছিত রাখা মূল্যবান শিল্পকর্ম, স্বর্ণ বা দুর্লভ সামগ্রীর আর্থিক মূল্যমান হিসাব করে এখানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়নি। দীর্ঘকাল যাবৎ নাম পরিচয় গোপন রেখে অর্থ জমা রাখার জন্য ধনীদের আকর্ষণীয় গন্তব্য হলো সুইজারল্যন্ড। সুইস ব্যাংকে থাকা এই অর্থের একটি অংশ পাচার হয়ে থাকে বলে ধারণা করা হয়। নাম পরিচয় গোপন থাকায় সুইস ব্যাংকগুলোতে সারাবিশ্ব থেকেই বিপুল পরিমাণ অবৈধ অর্থ রাখা হয়।
সুইজারল্যান্ডের ব্যাংকিং আইন অনুযায়ী সেখানে ব্যাংক গ্রাহকদের গোপনীয়তা কঠোরভাবে রক্ষা করা হয়। তবে ২০০২ সাল থেকে বিশ্বব্যাপী অর্থ পাচার রোধে মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ব্যাপকভাবে কার্যকর হওয়ার পর বার্ষিক ভিত্তিতে জমা টাকার হিসাব দিচ্ছে সুইজারল্যান্ড। বছর ভিত্তিতে কোন দেশের কত টাকা জমা আছে সে তথ্য তারা প্রকাশ করছে। তবে কারো ব্যক্তিগত তথ্য প্রকাশ করা হয় না।
বাংলাদেশ ব্যাংকের এক কর্মকর্তা জানান, সুইস ব্যাংকগুলোতে অনেক প্রবাসী বাংলাদেশি অর্থ জমা রাখতে পারেন। তবে সরাসরি বাংলাদেশ থেকে টাকা নিয়ে সে দেশে জমা করার সুযোগ নেই। কঠোর গোপনীয়তার কারণে অর্থ গচ্ছিত রাখার নিরাপদ স্হান হিসেবে সুইজারল্যান্ড অর্থ পাচারকারীদেরও নিরাপদ আশ্রয়স্হল হিসেবে বিবেচিত হতো। কিন্তু বিশ্বের বিভিন্ন দেশের চাপের মুখে সুইস ব্যাংকগুলোর এই কঠোর গোপনীয়তার নীতি সাম্প্রতিক বছরগুলোতে অনেক শিথিল করতে বাধ্য হয়েছে। সেখানে গচ্ছিত অর্থ যদি কোন অপরাধের সঙ্গে সম্পর্কিত হয়, সেক্ষেত্রে গ্রাহকের পরিচয় সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট দেশগুলোকে তারা তথ্য দিতে বাধ্য।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০১৯ সালে সুইস ব্যাংকে বাংলাদেশিদের আমানত ছিল ৬০ কোটি ৩০ লাখ ফ্রাঁ। ২০১৮ সালে ছিল ৬১ কোটি ৭৭ লাখ ফ্রাঁ। প্রতিবেদন অনুযায়ী, এবার ভারতীয়দের জমানো অর্থের পরিমাণ বেড়েছে। ২০২০ সালে তাদের ২৫৫ কোটি ফ্রাঁ থাকলেও সেটি ২০২১ সালে ৩৮২ কোটি ৮৯ লাখে উন্নীত হয়েছে। বেড়েছে রাশিয়া ও মার্কিন নাগরিকদের জমানো অর্থের পরিমাণও। ২০২০ সালে মার্কিন নাগরিকদের জমানো অর্থের পরিমাণ ছিল ১৫১৪৩ কোটি ফ্রাঁ সেটি ২০২১ সালে হয়েছে ১৬৭৩৩ কোটি ফ্রাঁ। রাশিয়ার নাগরিকদের জমানো অর্থের পরিমাণ ১৫০২ কোটি ফ্রাঁ থেকে বেড়ে ২১৩৭ কোটিতে উন্নীত হয়েছে। তবে প্রতিবেশী দেশগুলোর মধ্যে পাকিস্তানের জমানো অর্থের পরিমাণ বাড়লেও ব্যাপকভাবে কমেছে শ্রীলঙ্কার নাগরিকদের জমানো অর্থ। ২০২০ সালে শ্রীলঙ্কার জমানো অর্থের পরিমাণ ১৩ কোটি ডলার থেকে কমে ৫ কোটি ৬০ লাখে নেমেছে।-ইত্তেফাক
স্টাফ রিপোর্টার: দেশের বাজারে আবারো স্বর্ণের দাম বাড়ানো হয়েছে। বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) বুধবার (২৮ অক্টোবর, ২০২৬) থেকে নতুন এই দাম কার্যকর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। বাজুসের স্ট্যান্ড ...
স্টাফ রিপোর্টার: ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংক পিএলসির (ইউসিবি) সহযোগী প্রতিষ্ঠান এবং বাংলাদেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় মোবাইল আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান উপায় এবং ইংরেজি ভাষায় দক্ষতা অর্জন, পরীক্ষার প ...
ডেস্ক রিপোর্ট: দেশের গৃহঋণ প্রদানকারী স্পেশালিস্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠান ডিবিএইচ ফাইন্যান্স পিএলসি সম্প্রতি রাজধানীর মিরপুরে তাদের নতুন শাখার উদ্বোধন করেছে। ডিবিএইচ-এর ১৯তম শাখাটি মিরপুর সেকশন-১১ এর ব্লক- ...
স্টাফ রিপোর্টার: শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে শপিং মল, মার্কেট ও দোকানপাট রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা রাখার বিশেষ সুবিধা শেষ হয়েছে। ফলে শুক্রবার (২৩ অক্টোবর) থেকে আগের নিয়মে বেলা ১১টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ ...
সব মন্তব্য
No Comments