মোংলায় একুশের অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী ড. ফরিদ

সংস্কৃতির বিকাশে শহীদ রাস্ট্রপতি জিয়াউর রহমান একুশে পদক প্রবর্তন করেন

প্রকাশ : 21 Feb 2026
সংস্কৃতির বিকাশে শহীদ রাস্ট্রপতি জিয়াউর রহমান একুশে পদক প্রবর্তন করেন

মোংলা থেকে মোঃ নূর আলমঃ বাংলা ভাষা, সাহিত্য ও সংস্কৃতির বিকাশে শহীদ রাস্ট্রপতি জিয়াউর রহমান একুশে পদক প্রবর্তন করেন। দেশের শিল্প-সাহিত্য, শিক্ষা ও সংস্কৃতির সমৃদ্ধির ক্ষেত্রে বাংলা একাডেমির এই একুশে পদক প্রদান অনন্য ভূমিকা রেখে চলেছে। বাংলাদেশ পৃথিবীর মধ্যে একটি অনন্য দেশ যার জন্মের মূলে কাজ করেছে ভাষা। বিষ্ময়কর ব্যাপার হচ্ছে বাংলাদেশই সম্ভবতএকমাত্র দেশ, যার নাম ভাষার নামে। ২১ ফেব্রুয়ারি শনিবার সকালে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ও শহীদ দিবস উপলক্ষে পৌর শহীদ মিনার চত্বরে মোংলা উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী লায়ন ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম একথা বলেন।

শনিবার সকাল ৯টায় আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তার সুমী। আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলামের পতœী হালিমা নুশরাত, সহকরি কমিশনার (ভূমি) ন্ওসীনা আরিফ, মোংলা সার্কেল’র সহকারি পুলিশ সুপার মোঃ রিফাত হোসেন, থানা অফিসার ইনচার্জ শেখ শাহিনুর রহমান, সাবেক পৌর মেয়র মোঃ জুলফিকার আলী, উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার এস এম মাসুদ রানা, বিএনপি নেতা আব্দুল মান্নান হ্ওালাদার, আবু হোসেন পনি, মাহবুবুর রহমান মানিক, শেখ রুস্তুম আলী ও সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সাধারণ সম্পাদক মোঃ নূর আলম শেখ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনায়  ছিলেন সাংস্কৃতিক সংগঠক জানে আলম বাবু। আলোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তার সুমী বলেন চিন্তা করার শক্তিই মানুষকে পশু থেকে ভিন্ন বানায় বটে, কিন্তু চিন্তার আধার হচ্ছে মানুষের ভাষা। ভাষা ছাড়া চিন্তা করা অসম্ভব। মনুষ্যত্ব অর্জনের জন্য মানুষকে নতুন করে জন্ম নিতে হয়। এই নতুন জন্মের জন্য ভাষা নামক মায়ের গর্ভে মানুষকে আশ্রয় নিতে হয়। এই ভাষা মা-ই তাকে পশু থেকে আলাদা করে, মানুষ রুপে তাকে নতুন জন্ম দেয়। আলোচনা সভার আগে একুশে ফেব্রুয়ারি বিষয়ক কুইজ, চিত্রাংকন ্ও রচনা প্রতিযোগিতা হয়। সবশেষে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। আলোচনা সভার আগে সকাল সাড়ে ৭টায় উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে উপজেলা পরিষদ চত্বর হতে প্রভাত ফেরী বের হয়ে পৌর শহীদ মিনার চত্বরে এসে শেষ হয়। প্রভাত ফেরীর নেতৃত্ব দেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ড. শেখ ফরিদুল ইসলাম ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তার সুমী। প্রভাত ফেরী শেষে প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম পৌর শহীদ মিনারে শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পন করেন।

সম্পর্কিত খবর

;