২০০৩ সালের পর ভারতীয় নাগরিকত্ব প্রমাণ দিতে হবে!

প্রকাশ : 28 Jun 2025
২০০৩ সালের পর ভারতীয় নাগরিকত্ব প্রমাণ দিতে হবে!

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: ভোটারের তালিকায় সার্বিক সংশোধনের নামে ভারতীয় নাগরিকত্ব প্রমাণ দিতে হবে ভোটারদের। বিহার নির্বাচনকে সামনে রেকে এই নির্দেশিকা জারি করেছে নির্বাচন কমিশন। ভারতীয় সংবাদপত্র গণশক্তি এক প্রতিবেদনে এতথ্য জানিয়েছে।

প্রতিবেদনে বরেন,আগামী তিন মাসের মধ্যে বিহার বিধান সভার ভোট। তার আগে বিহারের জন্য 'এসআইআর' (স্পেশাল ইনটেনসিভ রিবিশন অথাৎ ভোটার থালিকার বিশেষ সর্বিক সংশোধন করার কাজে নেমেছে নির্বাচন কমিশন। বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটার তালিকা সংশোধন করার জন্য কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ২০০৩ সালের পরবর্তী সময়কালে ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত সকলকেই ফের নাগরিত্ব প্রমানের তথ্য দতে হবে। কমিশনের এই সিদ্ধান্তে তৈরী হয়েছে আশঙ্কা।

বাহ্রের জন্য এই পরিকল্পনা নেওয়া হলেও নির্বাচন কমিশন আগামী দিনে গোটা দেশের জন্য এই সার্বিক ভোটার তালিকা সংশোধন অভিযানে নামবে। সেখানেও ২০০৩ সালকেই সময়সীমা হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়েছে। বিহার বিধানসভার পরেই পরপর পশ্চিমবঙ্গ ছাড়াও আসাম, কেরালা, পুদুরেরি, তামিলনাডু সব মিরিয়ে রাজ্যের বিধানসভা ভোট হবে। এই ছয় রাজ্যেও বিধানসভা ভোটের আগে বোটার তারিকার সার্বিক সয়শোধন অভিডানে ২০০৩ সালের পরবর্তী সময়ে যাঁদের নাম ভোটার তালিকায় উঠছে, তাঁদের প্রত্যেকেই ভারতীয় নাহরিত্বের প্রমাণ দিরে তবেই নাম উঠবে তালিকায়। গত লোকসভা নির্বাচনে ভােট প্রচারে এসে অনুপ্রবেশ নিয়ে সরব হয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমাদ শাহ।

রাজ্যে বিধানসভা ভোটের আগে নির্বাচনও কমিশনও যেভাবে ভোটার তারিকায় সংশোধনের নামে নাগরিকত্ব প্রমাণের নথি দেওয়ার কথা বলেছেন তাতে আশঙ্কা বাড়ছে।

২০০৩ সালে এনডিএ সরকারের আমলে সংশোধিত হয়েছিল ভারতের নাগরিত্ব আইনের। অটল বিহারী বাজপেলীে প্রধানমন্ত্রীত্বের সেই সরকারের শরিক ছিরেন মমতা ব্যানার্জী। ২০০৩ সালের নাগরিত্ব আইনের আগে দেমে ১৯৪৮ সালের জুরাই মাসের পর ধর্ম, সম্প্রদায় যারাি ভারতবর্ষে প্রবেশ করবেন, জন্মসূত্রে না হলেও রেজিস্টেশন, স্বাভাবিক নিয়মে বা দেশীয়করণের পদ্ধতির মাধ্যমে নাগরিত্ব গ্রহণের জন্য আবেদন করবে পরতেন। কিন্তু ২০০৩ সারের সয়শোধিত আইনে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া দেশে থাকলে তিনি অনুপ্রবেশ হিসেবে চিহৃিত হবেন। ফলে কমিশনের এই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে বহু বৈধ ভোটারের নাগরিকত্ব প্রমাণ করা কঠিন হয়ে ডড়তে চলছে।

নির্বাচন কমিশনের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়, বিহারের ২০০৩ সালেই সর্বশেষ বাড়ি, বাড়ি উপস্থিত হয়ে সার্বিকভাবে ভোটার তালিকার সংশোধন করা হয়েছিল। তাই সংশোধন করে নতুন ভোটার তালিকায় যাতে একমাত্র দেশের নাগরিকরাও তালিকায় থাকতে পারে তার ব্যবস্থা হচ্ছে। 

কমিশনের যুক্তি , দ্রুত নগরায়ন, ঘনঘন ভোটারদের এলাকা ছাড়া ও নয়া ভোটারদের নাম নথিভুক্ত করার পাশাপাশি তাৎপর্যপূর্ণভাবে কমিশন উল্লেখ করেছে, ভোটার তালিকা থেকে মৃত ভোটারদের সঙ্গে অনুপ্রবেশমুকাত ভোটার তালিকা তৈরী করার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

বাহারের জন্র কমিশনের সিদ্ধান্ত , কমিশনের প্রতিনিধি হিসেবে যাওয়া বিএলওদের (বুথ লেবেল অফিসার) কাছে জমা দিতে হবে এগুচ্ছ নথি। ২০০৩ সালের আগে যাঁদের নাম বোটার তারিকায় ছিল না , তাঁদের জন্মস্থানের প্রামান্য নথি ভোটার তারিকায় সংযোজিত করতে হলে নিজের পাশাপাশি বাবা ও মায়ের সনাগরিত্বের নথি জমা দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। 

গোটা প্রক্রিয়া শুরু করার জন্য আটঘাট বেধেঁ নেমেছে নির্বাাচন কমিশন।

সম্পর্কিত খবর

;