কাঠালিয়ায় ৫ মাসে ৬০ সড়ক নির্মাণ

প্রকাশ : 20 Jul 2026
কাঠালিয়ায় ৫ মাসে ৬০ সড়ক নির্মাণ

কাঠালিয়া (ঝালকাঠি) প্রতিনিধি: ঝালকাঠি জেলার কাঠালিয়া উপজেলায় ২০২৫-২০২৬ অর্থবছরের প্রথম কিস্তিতেই গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নে দৃশ্যমান অগ্রগতি হয়েছে। টিআর, কাবিখা ও কাবিটা কর্মসূচির আওতায় মাত্র পাঁচ মাসে উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নে নির্মাণ করা হয়েছে ৬০টি গ্রামীণ সড়ক। ঝালকাঠি-১ (রাজাপুর-কাঠালিয়া) আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামালের নির্বাচনী এলাকায় এসব উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন হয়েছে।


প্রকল্পগুলোর আওতায় ইট সলিং, মাটির রাস্তা উন্নয়ন এবং সিসি ঢালাই সড়ক নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ইউনিয়নভিত্তিক বাস্তবায়িত সড়কের মধ্যে চেঁচরীরামপুরে ৯টি, পাটিখালঘাটায় ১১টি, আমুয়ায় ১১টি, কাঠালিয়া সদরে ৯টি, শৌলজালিয়ায় ৯টি এবং আওরাবুনিয়ায় ১১টি সড়ক রয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের অল্প সময়ের মধ্যেই এত সংখ্যক কাজ দৃশ্যমান হওয়ায় তারা সন্তুষ্ট। বিগত বছরগুলোর তুলনায় চলতি অর্থবছরের প্রথম কিস্তির কাজ অনেক বেশি চোখে পড়ার মতো।


শুরুতে কিছু প্রকল্পের কাজের মান নিয়ে অভিযোগ উঠলেও উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা যোবায়ের রহমান দ্রুত সরেজমিনে পরিদর্শন করে সংশ্লিষ্টদের মাধ্যমে ত্রুটি সংশোধন ও মানোন্নয়নের ব্যবস্থা নেন। ফলে প্রকল্পের কাজ এখন সন্তোষজনক মানে সম্পন্ন হয়েছে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মকবুল হোসেনও বিভিন্ন প্রকল্প সরেজমিনে পরিদর্শন করে কাজের অগ্রগতি ও মান তদারকি করেছেন।


এ বিষয়ে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা যোবায়ের রহমান বলেন, “সরকারি অর্থের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করা এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য। কোথাও কাজের মান নিয়ে অভিযোগ পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় সংশোধনের ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। প্রতিটি প্রকল্প নির্ধারিত মান বজায় রেখে বাস্তবায়নে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি।”


স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, সংসদ সদস্য রফিকুল ইসলাম জামালের উন্নয়ন পরিকল্পনা, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মকবুল হোসেনের তদারকি এবং উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা যোবায়ের রহমানের নিয়মিত মাঠ পর্যায়ের নজরদারির কারণে অল্প সময়েই উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় উন্নয়ন কার্যক্রম দৃশ্যমান হয়েছে। প্রতি অর্থবছরে এই কর্মসূচির আওতায় সাধারণত তিন কিস্তিতে প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হয়। তারা আশা করছেন, পরবর্তী দুই কিস্তির কাজও একই মান বজায় রেখে বাস্তবায়িত হলে কাঠালিয়ার গ্রামীণ যোগাযোগ ব্যবস্থায় আরও ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।


সম্পর্কিত খবর

;