জাকারিয়া আজাদ বিপ্লব।
সৃষ্টির প্রথম থেকে বর্তমান পর্যন্ত নানা পরিবর্তন, বিবর্তন এর মধ্য দিয়ে মানব সমাজ এগিয়ে চলছে এবং বর্তমান সময় পর্যন্ত এসে পৌছেছে। বর্তমান সময়ের সামান্য কিছু অংশ বাদে সকলের পারিবারিক জীবনের সাথে সম্পৃক্ত পারিবারিক জীবনের রয়েছে নানা গতি প্রকৃতি-
মানুষের সবচেয়ে প্রথম এবং সবার কাছের প্রতিষ্ঠান এবং সবার কাছে প্রতিষ্ঠান পরিবার, এই পরিবারকে নিয়ে সমাজ, রাষ্ট্র এবং আর্šÍজার্তিকতা।
আবার সামাজিক মানুষের দৃষ্টি এক এক সমাজের এক এক প্রকার (একটি গোষ্ঠি) আচরনের সাথে রয়েছে অন্য গোষ্ঠির ভিন্নতা। প্রত্যেক রাষ্ট্রের ভিতর রয়েছে নানা লোকাচার, সাংস্কৃতিক বিকাশ ধারায় রাষ্ট্র সেটাকেই স্বীকৃতি দেয়। যে আচরন বা রীতি রাষ্ট্রের উন্নয়ন এবং বসবাসকারী জনগোষ্ঠীর অধিকাংশের কল্যান নিশ্চিত হয়। আর এভাবেই গড়ে ওঠে আইন যা জনগন স্বেচ্ছায় মান্য করে, ভয়ে নয় আচরনগত স্বভাব প্রকৃতির সাথে মিশে যায়। আর এই রাষ্ট্রীয় স্বীকৃত রীতিকে আইন বলে অবিহিত করা হয়। এ জাতীয় আইনকে বলা হয় স্ব:স্কৃর্ত আইন। এবং সমাজের এক শ্রেনীর আচরন যদি অন্য শ্রেনীর বিরক্তি সৃষ্টি করে এবং সেই শ্রেনী স্বাভাবিক বিকাশে প্রতি বন্ধক হয় তখন প্রথম শ্রেনীকে নিয়ন্ত্রনের জন্য সে আইন করা হয় তা নিয়ন্ত্রিক আইন। এই নিয়ন্ত্রিত আইনে নেয়া যায় প্রথম প্রথম সকলের অভ্যাস এবং প্রকৃতি বীরুদ্ধ হওয়ায় তা সহজে মেনে নিতে পারে না। ফলে প্রথম শ্রেনী এবং ২য় শ্রেনীর মাঝে (তথা ভুক্তভোগী গোষ্ঠী) চলে। দ্বন্ধ এবং ক্ষমতা প্রাপ্ত, তথা হাতিয়ার বাহী এবং হাতিয়ার বিহীন গোষ্ঠীর মধ্যে অবিশ্বাসের সৃষ্টি হয় যা স্বাভাবিক বিকাশে প্রতিবন্ধক। এই অবজ্ঞা এক সময় রূপ নেয় বিপরীতমুখী অর্থনৈতিক তৎপরতার।
আবার উপরের আলোচনার আলোকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক, সামাজিক, প্রশাসনিক, রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশে তথা সমস্ত বিশ্বে বর্তমান অবস্থার দিকে তাকালে এই অত্যন্ত স্পষ্ট দৃষ্টি গোচর হয় যে পুরুষ শ্রেনী নারীদের দ্বারা বিভিন্নভাবে নির্যাতিত, নিগৃহীত, লাঞ্চচনা, গঞ্জনার, হত্যা, যৌণ হয়রানির শিকার হচ্ছে। এই রাষ্ট্র গুলো এই ব্যাপারে বিশেষ কোন ভারসাম্য আইন ও তৈরী হচ্ছেনা। মূলত: পুরুষ তান্ত্রিকতার দোহাই দিয়ে পুরুষকে কোনঠাসা করার এক হীন চক্রান্তে এই নারী বাদী গোষ্ঠী লিপ্ত রয়েছে। এরা নারীদের ক্ষমতার মুলো দেখিয়ে কৌশলে তাদের হাতের পুতুল বানিয়ে রাখছে। প্রয়োজনমত ভোগ্যপন্যের ন্যায় বাজারজাত করছে। এই রুপ বিশ্ব সুন্দরী প্রতিযোগীতায় ফ্যাশন, মডেলিং সংক্রান্ত গলিকা বৃত্তি। এদর অধিকার বা নারীদের সম অধিকার বলে মনে হয় তা কাঠামোগত শৈল্পিক বিকাশ এবং মানসিকতার পরিবর্তনের নামান্তর। পন্যে রুপান্তর, এই নারীদের গরছে স্বেচ্ছাধীন যৌণ দাসীদের মত। আমাদের দেশে প্রশাসনিক ক্ষেত্রে কোটা পদ্ধিতি বিশেষ করে শিক্ষা ক্ষেত্রে এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে তা রাষ্ট্রের সার্বিক অর্থনৈতিক বৃদ্ধিতো করেই না বরঞ্চ ¯øখ করছে।
এর কারন কোৗঠা এবং নারীদের প্রতি বিশেষ সহানুভতি দেখিয়ে তাদের চাকুরী দেওয়া হচ্ছে যার ফলে পুরুষ পিছিয়ে যাচ্ছে, কম বেকার যুবক হতাশা গ্রস্থ হয়ে বিভিন্ন অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে, বেকার যুবতীর বেলায় এমনটা ঘটতো না। এই কারনে আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে। যেহেতু পরিবারের ভরন পোষনের জন্য পুরুষের উপর রাষ্টীয় আইনে বাধা বাধ্যকতা সেই পুরুষ থাকছে অধিকাংশ বেকার তা হলো আইনের গতি উল্টো দিকে বলে কোন বিবেকবান মানুষ ভুল করবেনা। একজন নারী গর্ভধারন, প্রসব, শিশু পালন জনিত কারনে যে ছুটি ভোগ করে, ছুটিকালীন অবস্থায় সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানে কার্যক্রম বা ব্যঘাত হয় তার প্রতিক্রিয়া রাষ্টের সার্বিক উন্নয়নের উপর বর্তায়, যা উন্নয়নকে পিছনের দিকে টানে। বড় ধরনের যে ক্ষতি হয় তা পরিমাপে কোটি কোটিকে ছাড়িয়ে যাবে। নারী উন্নয়নের নামে রাষ্ট্রে সার্বিক উন্নয়নে ব্যাঘাত ঘটে। সরকারী এবং বেসরকারী চাকুরীতে নিয়োগের বেলায়।
* রাষ্ট্রীয় আইনে যা বলে:
নারী অধিকার রক্ষায় রয়েছে যৌতুক আইন, নারী ও শিশু নির্যাতন আইন, বাল্য বিবাহ আইন, ধর্ষন, শ্লীলতাহানি, ইভটিজিং এ সকল আইন ব্যাতীত বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে অন্যান্য আইনের সাহায্যে নিয়ে আদালত বিচার কার্য পরিচালনা করে থাকে।
এখন প্র¤œ হলো-এই আইনকি মূলত আমাদের জনকল্যান তথা সার্বিক জনগনের কল্যান করে রাষ্টেট্র উন্নয়নে। তথা সমাজের পরিবর্তন ঘটাতে পারছে।
জাতিসংঘের মানবা অধিকার সনদে মানব অধিকার বলতে সকল মানুষের সমান মানুষের সমান ভাবে বসবাস করা ও সমান সুযোগ সুবিধা ভোগ করবে। একজন অন্যজনের অধিকারের উপর হস্তক্ষেপ করবে না।
একক্ষেত্রে আমরা মহান দার্শনিক প্লেটোর একটি কথা উল্লেখ করতে পারি-প্লোটো তার কল্যান ত্বত্তে উল্লেখ করেছেন- যার যা প্রাপ্ত তাকে তাই দেয়া হল ন্যায়।
আমাদের দেশের আইনে নারীদের অধিকার নিশ্চত করছে, তাদেরকে শক্তিশালী করেছে। এবং নির্যাতিত হইলে প্রতিকারের ব্যবস্থা করেছে। একথা যে ভাবে সত্য সে বাবে নারী ও পুরুষের মধ্যে শক্তির ভারসাম্য নষ্ট করেছে। যেহেতু প্রশ্নটা নারী ও পুরুষকে নিয়ে সেহেতু একজনের অধিক ক্ষমতা অন্য জনকে ভিতু এবং হেয় করে। এ ক্ষেত্রে আমরা এক আধুনিক দার্শনিকের কথা উল্লেখ করতে পারি। তিনি বলেছেন ক্ষমতা মানুষকে শক্তিশালী করে। নিরষ্কুশ ক্ষমতা মানুষকে স্বেচ্ছাচারী করে। নারীদেরকে একই রুপে, ক্ষমতায়ন করেছে।
উপরোক্ত আইন গুলোয় এবং বাংলাদেশের পুরুষ নিয়াতনের অবস্থার উপরে ২০০৬ সালে আমি একটি সমীক্ষা ও গবেষনা করি। আমার সমীক্ষা ১০,০০০ পরিবারের উপর জরিপ কাজ করা হয় এবং আদালতে বিচারাধীন নারী নির্যাতন মামলা গুলোর উপর জরিপ কর হয়, এবং প্রচলিত দৈনিক পত্রিকা গুলোর উপর জরিপ করা হয়। আদালতে নারী সম্পৃক্ত যে সকল মামলা গুলে হয় তার ৯১% হয় মিথ্যা ও হয়রানিমূলক। এবং ৯% হয় সত্য ঘটনা। সত্য ঘটনা নিয়ে যে ৯% মামলা হয় তার অধিকাংশই কলহ বা জমি সংক্রানত অথবা অন্য কোন স্বার্থ নিয়ে। যৌতুম ও নারী নির্যাতন সত্য ঘটনা রয়েছে মাত্র ২%। আমরা জরিপে বাংলাদেশের বিভিন্ন আদালতে ২০০০ মামলার উপর পরিচালনা করা হয়। সত্য ঘটনার উপর ৩% পুরুষের সাজা হয়। ৮০% পুরুষ পার পেয়ে যায়। এবং বাকী সংখ্যক পারস্পারিক সমঝোতায় পৌছায়। সর্বক্ষেত্রে দেখো যায় নারীদের আইনী ক্ষমতা তাদেরকে সবচেয়ে বেশী সংখ্যক আবেগী এবং উগ্র করে গড়ে তোলে । যার ফলে পরিবারে মধ্যে তারা ঔদ্ধত্যপূর্ন আচরন করে। স্বামী এবং অন্য পক্ষের অন্য আত্মীয়ের সঙ্গে। ফলে পরিবারিক শান্তি বিনষ্ট হয়। এবং স্বামী হতাশা গ্রস্থ হয়ে পড়ে। যার ফলে তার কর্মক্ষেত্রে থাকে উদাসীন। এবং সার্বিক উৎপাদন কমে যায় এবং উন্নয়ন ব্যাহত হয়। রাষ্ট্রীয় অর্থনীতির এর উপর ক্ষতির প্রভাব যেভাবে পড়ে সেভাবে সমাজের সঠিক সৃজনশীল বিকাশ হয়ে ওঠে অসম্ভব। এবং পরবর্তী প্রজন্ম আমরা পাচ্ছি এবং অস্থিরতার মাঝে। যা রাষ্ট্রের ভবিষ্যতকে নষ্ট করে।
বাংলাদেশে প্রতি ১০০ পরিবারের মধ্যে হতে ৪০ জন পুরুষ কোন না কোন সময় স্ত্রীর দ্বারা শারীরিক অথবামানসিক ভাবে নির্যাতিত হয়। ৮০% পুরুষ সরাসরি স্ত্রীর দ্বারা মানসিক ভাবে নির্যাতিত হয় এবং চলতে থাকে দীর্ঘ মেয়াদী। ৩০০০ হাজার পরিবারের উপর আমরা এক জরিপে এই তথ্য পাওয়া যায়।
আবার ১০০০০ পুরুষের উপর আমরা এক মতামত জরিপ করি। তারা প্রত্যেকে মনে করে প্রতি ১০০ জন পুরুষের মধ্যে হতে ৯৬% পুরুষদের মিথ্যা হয়রানি এবং গৃহ নির্যাতনের স্বীকার হয়। এ অবস্থা থেকে বাচার জন্য ভারসাম্য আইন থাকা প্রয়োজন। যা পুরুষদের রক্ষা করবে। এটা মুসলিম আইনের ভরন-পোষন, দেন-মোহর থেকে পুরুষদের মুক্তি দেয়া দরকার।
গ্রামে ও শহরে মিলে প্রতি ১০০০ (পুরুষ) তরুন যাদের বয়স ১৪-১৭ তাদের মধ্যে হতে একজন কোন না কোন সময় বয়স্ক নারীদের দ্বারা যৌণ হয়রানির স্বীকার হয়। প্রতি ৩০০ প্রবাসী স্বামীদের মধ্যে হতে তাদের বাংলাদেশে থাকা স্ত্রীরা ২% স্বামীর টাকা আত্মসাৎ করে অনত্র বিয়ে করে। মেয়েদের দ্বারা টিজিং স্বীকার হয় ৬০% তরুণ। গত ১০ বছরে ৮ জন পুরুষ স্ত্রী দ্বারা হত্যার শিকার হয়। (প্রচরিত দৈনিক পত্রিকা রিপোর্ট অনুযায়ী)।
বাংলাদেশে পুরুষ নির্যাতনের উপর সর্ব প্রথম তানজারআরা ইমাম পুরুষ নির্যাতন নামে একটি বই লেখেন ৯০ এর দশকে। (পুরুষ নির্যাতন) নামে তার বইয়ে শুধুমাত্র কয়েকটি কেস ষ্ট্যাডির উল্লেখ করা হয়।
আমরার গবেষনার ক্ষেত্রে যাদের কাছে স্বাক্ষাতকার নেয়া হয় তরা হলেন সামরিক কর্মকর্তা, প্রশাসনিক কর্মকর্তা, সাধারণ শ্রমিক, ছাত্র এবং বেসরকারী ক্ষেত্রে কর্মকর্তাদের । স্ত্রীদের কাছে সবচেয়ে বেশি অসহায় সামরিক কর্মকর্তাগণ।
আমি এই সমীক্ষা কাজ পরিচালনা করি এই জন্য যে, সারাবিশ্বে যখন মানবাধিকার পরিবেশ আন্দোলন, প্রাণী ও উদ্ভিদ সংরক্ষণ আন্দোলন। এ সকল আন্দোলন গুলো জোরদার হচ্ছে সে সময় সমাজের এক শ্রেনীর মানুষ রাষ্টীয় আইন এবং সামাজিক দৃষ্টি ভঙ্গির কারনে ক্রমান্বয়ে অসহায় হয়ে পড়ছে। আর সে জন্য আমি প্রশ্নের উত্তর খুজতে চেষ্টা করি। যদি ও এর বিষয়টা অনেকটা অস্বচ্ছ ও পিচ্ছিত কিন্তু অনেকেই বিষয়টা এমনভাবে ধামাচাপা দিয়ে রেখেছে যা এটাকে আরো ধোয়াটে ও কুয়াশাচ্ছন্ন করেছে।
কিন্তু আমি যখন এ বিষয় নিয়ে মানুষের কাছে যাই তখন মাঝে ব্যাপক উৎসাহ পাওয়া গেছে। বেশী সংখ্যক লোক জোর দিয়ে আমাকে এর উপরের কাজ করে যাওয়ার অনুরোধ করেছে।
আমার প্র¤œ ছিল ১৪-৭০ বছরের মাধ্যে বেশ কয়েকটা ভাগে বিভক্ত করে বিবাহিত এবং অবিবাহিত কে আলাদা করে। * প্রশ্নগুলোর তালিকা নি¤œরুপ:
ক) আপনি কখন কোন নারী দ্বারা নির্যাতিত হয়েছেন? খ) সেটাকি শারীরিক না কী মানসিক? গ) আপনি কি পুরুষ নির্যাতন বিরোধী কোন আইনের প্রয়োজনীয়তা বোধ করেন? ঘ) পরিবার ভাঙ্গনের জন্য কে বেশী দায়ী? ঙ) রাষ্ট্রীয় আইন এবং নীতির ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষের বৈষম্য অনুভব করেন? চ) আপনি কি ভাবে এর প্রতিকারের কথা ভাবেন?
* তরুনদের কাছে প্রশ্ন:
ক) তুমি কি কখন কোন নারীর দ্বারা যৌণ হয়রানির শিকার হয়েছ? খ) কখন কোন মেয়ে কি তোমাকে টিজ করেছে? বিশেষ কোন মন্তব্য থাকলে উল্লেখ করা জন্য একটি খালি জায়গা ছিল। কেস ষ্ট্যাডির ক্ষেত্রে শুধু পত্রিকার রিপোর্ট গুলোর উপর বিস্তারিত জানার চ্ষ্টো করেছি। সেখানে দেখা যায় লিঙ্গ (যৌনাঙ্গ) কর্তন, শরীরে মরিচ ঘসে দেয়া, ঝাড়– অথবা বটি দিয়ে আঘাত, হাতদিয়ে মারধর এমনকি হত্যার ঘটনা দেখা যায়।
এসকল ঘটনা এবং সমীক্ষার মালামাল এটাই প্রমান করে যে, পুরুষ নির্যাতন হচ্ছে এবং এর প্রতিকার দরকার। ভরণ-পোষন, দেন-মোহন, খোরপোষের মত বোঝা বা শৃঙ্খলা হতে পুরুষদের মুক্তি দরকার।
সমানাধিকার বলতে যদি সকলের সমান সুযোগ সুবিধা বোঝানো হয় তার অর্থ এই নয় কোন গোষ্ঠীর জন্য বিশেষ অতিরিক্ত সুযোগ দিয়ে আরেক গোষ্ঠীকে কোনঠাসা করা এবং বিশেষ দায় ভার চাপিয়ে দেয়া।
আজ নারীদের চাকরী প্রাপ্তির ক্ষেত্রে রয়েছে কোটা। আর এই কোটার কারনে নারী যত সহজে চাকরী পাচ্ছে ততই পুরুষ পিছিয়ে পড়েছে। যেহেতু বিবাহিত পুরুষগণ স্ত্রীর ভরপোষনের এবং দেনমোহর পরিশোধের জন্য আইনের কাছে ন্যায়বদ্ধ। অথচ সে চাকরী পাচ্ছে না। পাচ্ছে তার চেয়ে কম যোগ্যতা হওয়া স্বত্তেও নারী। অথচ পুরুষ যথেষ্ট বয়সের কারনে, মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য বিবাহ করা প্রয়োজন।
আমরা যদি এসকল জটিলতার গুলোর দিকে সঠিকভাবে লক্ষ্য করি তবে দেখা যাবে সমাজের বিকাশ বাধাগ্রস্থ হচ্ছে এবং বিক্রীত হচ্ছে বা নতুন সংস্কৃতির নামে অপ সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠা পাচ্ছে।
দুঃখের বিষয় শুধু আমাদের দেশে নয়, সারা বিশ্বে অধিকাংশ রাষ্ট্রগুলো বিশেষ করে দাতা গোষ্ঠী এবং তাদের উপর নির্ভরশীল রাষ্ট্র। তারা সমস্যাকেই নিজেদের চোখে না দেশে দাতাদের ছোখে দেখে। যার জন্য নিজেদের কাঠামো এবং ভিত্তি সম্পদ এবং যার মানুষকে মধ্য যুগের দাসের ন্যায় মানুষকে মানব সম্পদ বলে উল্লেখ করে। এই সকল রাষ্ট্রগুলোর সমুদয় সম্পদ তথ্য মানব। সম্পদ কৌশলে দীর্ঘ মেয়াদী পরিকল্পনায় ধ্বংষ করা হয়। এবং এই একই কৌশল পুরুষ নির্যাতন লালন করে। এবং উষ্কে দেয়। যার জন্য রাষ্ট্র বৃহৎ একটি কম শক্তি হারায়। যা রাস্ট্রের মোট উৎপাদনের উপর প্রভাব পড়ে।
যে কৌশলে তারা কর্মশক্তি নষ্ট করে একই কৌশলে ভূয়া অণ্য কর্মশক্তি সৃষ্টির চেষ্টায় নারীদের প্রক্রিয়াজাত করে, পন্যে রূপান্তরিত করে। আর এপর্যায় থেকে উত্তরণ এবং উপায় খোজা জরুরী বলে মনে করেন নির্যাতিত পুরুষগণ। বর্তমান সময়ে যদি এই বিষয়ে সিদ্ধান্ত না নেয়া হয়, সমাজ বিবর্তনের উপর যদি ছেড়ে দেয়া হয়। এই সময় ক্ষেপনের জন্য সমাজ বড় ধরনের ক্ষতির সম্মুখীণ হবে।
-লেখক: বিএসএস (অনার্স), এম,এম,এস কবি ও গবেষক।
মো. মামুন হাসান:
ইলিশ আমাদের জাতীয় মাছ এবং দেশের অর্থনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত। এটি শুধু আমাদের নদী ও সাগরের সম্পদই নয়, বরং দেশের কৃষ্টি, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে নিবিড়ভাবে জড়ি ...
ইমদাদ ইসলাম:
বিষাক্ত বাতাসে নিঃশ্বাস নিচ্ছে দেশের মানুষ। প্রায় প্রতিটি গণমাধ্যমেই প্রতিদিনই দেশের বায়ু মান গুরুত্বের সাথে উল্লেখ করা হয়।গত ৪ মার্চ বুধবার সকাল ১০টার দিকে রাজধানী ঢা ...
মানিক লাল ঘোষ: ইতিহাসের পাতায় কোনো কোনো দিন আসে যা কেবল একটি তারিখ নয়, বরং একটি জাতির ভাগ্যবদল ও আত্মপরিচয়ের চূড়ান্ত দলিল হয়ে দাঁড়ায়। ১৯৭১ সালের ২৩ মার্চ ছিল তেমনই এক মাহেন্দ্রক্ষণ। সেদি ...
আতিকুল ইসলাম টিটু:
বাংলাদেশকে নয়া উপনিবেশিক আধাসামন্তবাদী রাষ্ট্র হিসেবে বোঝার জন্য কেবল রাষ্ট্র গঠনের পরবর্তী সময় নয়, বরং বিশ্ব ইতিহাসের বৃহত্তর শ্রেণি সংগ্রাম এবং সাম্রাজ্যবাদ ...
সব মন্তব্য
No Comments