শুল্কনীতি: ট্রাম্প না জিনপিং

প্রকাশ : 12 Apr 2025
শুল্কনীতি: ট্রাম্প না জিনপিং

আন্তর্জাতিক ডেস্ক: এক দিকে ১৪৫, আর এক দিকে ১২৫ । শতাংশের বিচারে কোনওটাই নেহাত কম নয়। প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেওয়ার পর আমেরিকার বাজার যাবতীয় চীনা পণ্যের উপর শুল্কের পরিমাণ ১৪৫ শতাংশ হয়ে গিয়েছে। মার্কিন পণ্যে পাল্টা শুল্ক আরোপ করেছে চীন। 

ভারতের গণমাধ্যম আনন্দ বজার ্ক প্রতিবেদনে জানান, চীনের অর্থমন্ত্রী এক প্রকার মেনেই নিয়েছেন, নতুন শুল্কনীতিতে মার্কিন পণ্যে আমদানী কার্যত অসম্ভব। ফলে চিনে আমেরিকার পণ্যের আমদানি বন্ধ হতে বসেছে। আমেরিকার বাজারেও এই নতুন শুল্কনীতির প্রবাব পড়ছে। শেয়ার বাজারের দর কমছে লাগাতার। তবে কোন পক্ষই আপাতত ঝুঁকতে রাজি নয়। ট্রাম্পের হুঙ্কারের সঙ্গে গলা মিলিয়েই পাল্টা দিয়ে চলেছেন চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। মার্কন পণ্যে ১২৫ শতাংশ শুল্ক শনিবার থেকেই কার্যকর করার কথা জানিয়েছেন তিনি।

সমঝোতার কথা ভবছেন না ট্রাম্প। চীন পাল্টা শুল্ক আরোপের পর একটি পোষ্টে তিনি লিখেছেন, শুল্কনীতি নিয়ে আমরা খুব ভালো কাজ করছে। এটা আমেরিকা তথা বিশ্বের জন্য খুব উত্তেজক পরিস্থিতি। দ্রুত আমরা এগিয়ে চলছি। 

যদিও অন্য এক প্রসঙ্গে হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, চীনের সঙ্গে শুল্ক নিয়ে সমঝোতায় আসতে আগ্রহী প্রেসিডেন্ট। বৃহস্পতিবার ট্রাম্প নিজে সংবাদমাধ্যমে বলেছেন, শি জিনপিং আমার অনেক দিনের বন্ধু। আমার ম,নে হয়, আমরা এমন কোনও সিদ্ধঘান্তে আসতে পারব, যা দুই দেশের  পক্ষেই লাভজনক।

শুল্ক নিয়ে উদ্বেগের আবহে শুক্রবার প্রথমে এ প্রসঙ্গে মন্তব্য করছেন জিনপিং। সাপেনের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের সময় তিনি জানিয়েছেন, চীন এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নকে একজোট হতে হবে।

চীনসহ একাধিক বাণিজ্যসঙ্গীর বিরুদ্ধে চড়া হারে শুল্ক ঘোষণা করেছিলেন ট্রাম্প। ৯ এপ্রিল থেকে বর্ধিত শুল্ক কার্যকর করার কথা ছিল। তার ঠিক আগে ৯০ দিনের জন্য নয়া  শুল্কনীতি স্থগিত রাখার কথা জানান তিনি। তবে বাকি দেশগুলির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হলেও স্থগিতাদেশ চীনের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হয়নি। বরং চীনের উপর শুল্কের পরিমাণ ট্রাম্প আরও বৃদ্ধি করে দেন। মোট পরিমাণ পৌঁছোয় ১৪৫ শতাংশ। বিশ্বের দুই বুহত্তম অর্থনীতির মধ্যে এই শুল্কযুদ্ধ সার্বিক ভাবে বিশ্ব বাজারে প্রভাব ফেলছে। 

সম্পর্কিত খবর

;