বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি: ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি(অ্যাক্সেসিবিলিটি) বিগত কয়েক বছরে উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্রমান্বয়ে সর্বোচ্চ গুরুত্ব পাচ্ছে। যদিও তথ্য-প্রযুক্তির বিকাশের জন্য প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা অনেক উপকৃত হচ্ছে তবুও বর্তমানে ডিজিটাল সরঞ্জাম এবং শেখার উপকরণগুলির অপ্রাপ্যতার জন্য অনেক বাধা-বিপত্তির সম্মুখীন হচ্ছে। উচ্চশিক্ষায় নিয়োজিত সম্মানিত শিক্ষকবৃন্দ অন্তর্ভুক্তিমূলক উচ্চশিক্ষা প্রচারের উদ্দেশ্যে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন এবং ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি সম্পর্কে নানামুখী প্রশিক্ষণের প্রয়োজনীয়তার উপর জোর দিতে পারেন।
উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি নিয়ে সচেতনতা তৈরির জন্য যৌথভাবে বুয়েটের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ইন্সটিটিউট এবং গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের আইসিটি বিভাগের সহযোগিতায় গত ১০ ই অক্টোবর, ২০২২-এ " বাংলাদেশে অন্তর্ভুক্তিমূলক বিশ্ববিদ্যালয় গঠনের জন্য ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তির ভূমিকা " শীর্ষক দিনব্যাপী হাইব্রিড সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। বুয়েটের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি ইন্সটিটিউটের পরিচালক অধ্যাপক ড. রুবাইয়াত হোসেন মন্ডলের স্বাগত বক্তব্যের মধ্য দিয়ে সেমিনার শুরু হয়।
উক্ত সেমিনারের প্রধান বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সরকারের আইসিটি বিভাগের এটুআই প্রোগ্রামের ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তির জাতীয় পরামর্শক জনাব ভাস্কর ভট্টাচার্য, যিনি জন্মগতভাবে দৃষ্টিহীন। তিনি বাংলাদেশের উচ্চশিক্ষায় প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য প্রধান বাধা-বিপত্তি এবং নীতিনির্ধারকদের সক্রিয় ভূমিকা নিয়ে আলোচনা করেন। তিনি মাল্টিমিডিয়া টকিং বই, অ্যাক্সেসযোগ্য পড়ার উপকরণ, একটি অ্যাক্সেসযোগ্য অভিধান, ওয়েব অ্যাক্সেসিবিলিটি, DAISY (ডিজিটাল অ্যাক্সেসসিবল ইনফরমেশন সিস্টেম) ইত্যাদির উপর একটি সংক্ষিপ্ত ধারণা দেন এবং সেইসাথে জাতীয় স্তরে ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তির জন্য বিভিন্ন ধরনের গবেষণার দিকনির্দেশনাও দিয়েছেন। পরিশেষে তিনি ডিজিটাল অন্তর্ভুক্তি সম্পর্কিত জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক আইন এবং নীতিমালার উপর একটি সারসংক্ষেপ বক্তব্য প্রদান করেন এবং বাংলাদেশে প্রতিবন্ধীদের সর্বব্যাপী বিকাশের উদ্দেশ্যে একটি ইনোভেশন ইউনিট গঠনের জন্য গুরুত্বারোপ করেন।
প্রধান বক্তার বক্তব্যের পর বুয়েটের প্রফেসর ড. সাইফুল ইসলাম সকল অতিথি, সংগঠক, এবং অংশগ্রহণকারীদের ধন্যবাদ জানিয়ে সেমিনারের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
এই সেমিনানের উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিবর্গের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন যুক্তরাজ্যের নটিংহাম ট্রেন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক ড. মুফতি মাহমুদ, প্রফেসর ডাঃ মোঃ লিয়াকত আলী, ডঃ হোসেন আসিফুল মুস্তাফা, সহযোগী অধ্যাপক, এবং ডঃ মোঃ জারেজ মিয়া, সহকারী অধ্যাপক আইআইসিটি, বুয়েট এবং মানিক মাহমুদ, হেড অফ সোশ্যাল ইনোভেশন ক্লাস্টার, এটুআই।
অদূর ভবিষ্যতে বাংলাদেশে ডিজিটাল অ্যাক্সেসিবিলিটি সংক্রান্ত বিষয়াদি নিয়ে বুয়েট এবং বাংলাদেশ সরকারের আইসিটি বিভাগ আরো কিছু কর্মশালা ও সেমিনার আয়োজন করতে চায়।
উক্ত সেমিনারটি সফলভাবে আয়োজনে কাজ করেন বুয়েটের আইসিটির শিক্ষার্থী ও ডাইভারসএশিয়া প্রকল্পের রিসার্চ সহকারী জনাব শাফাক শাহরিয়ার সজল এবং এটুআই প্রোগ্রামের তরুণ উদ্যোক্তা জনাব এম এম তারিকুল হক, আইসিটি বিভাগ, বাংলাদেশ।
স্টাফ রিপোর্টার: শিক্ষার্থীদের জন্য সাপ্তাহিক ছুটির কাঠামোয় পরিবর্তন এনে শনিবার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সশরীরে ক্লাস চালুর পরিকল্পনা করছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ ক্ষেত্রে রোববার অনলাইনে শিক্ষা কার্যক্রম পরি ...
বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি: বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল অনকোলজি বিভাগে বিদেশি ফ্যাকাল্টির অংশগ্রহণে নিয়মিত অনলাইন ক্লাস কার্যক্রমের উদ্বোধন করেছেন বিএমইউ এর মাননীয় উপাচার্য অধ্যাপক ...
রাহাদ সুমন বিশেষ প্রতিনিধি: শিক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে কঠোর অবস্থানের কথা জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।
...
বিশ্বিবদ্যালয় প্রতিনিধি: বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় বিএমইউ এর নবনিযুক্ত উপাচার্য প্রখ্যাত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী রবিবার ৫ এপ্রিল ২০২৬ইং তারিখ অপরাহ্নে অ ...
সব মন্তব্য
No Comments