কুরবানী মানেই দূরত্বটাকে দূরত্বে রেখে ঐক্যটাকে পাথেয় করে বাঁচা

প্রকাশ : 19 Jun 2024
কুরবানী মানেই দূরত্বটাকে দূরত্বে রেখে ঐক্যটাকে পাথেয় করে বাঁচা


আহমেদ নিহাল:


নিম্নবিত্ত পরিবারের বছর পাঁচেকের ছেলেটার কাছে প্রতিবেশীর কুরবানী দেখে ঠোঁটের কোনে হাসি ফোটানোর অনুভূতি আর যে ছেলেটা সবে বুঝতে শিখেছে তার কুরবানী না দিতে পারার সংকোচের অনুভূতি এক নয়। ঠিক যেমন ভিন্ন হয় নিম্নবিত্ত পরিবারের যুবকটির অনুভূতি, যে হিসেবের খাতায় একটু গরমিলের কারনে এবছর কুরবানী দিতে পারছে না। তার কাছে থাকে আরও একটা বছরের অপেক্ষা আর পরেরবারের প্রতিজ্ঞার অনুভূতি। উচ্চবিত্ত পরিবারের ছোট্ট ছেলেটির কাছে কুরবানী মানে, সবাই একসাথে মিলে ঘুরতে যাওয়া। যে ছেলেটা লেখাপড়ার জন্য পরিবার থেকে দূরে থাকে তার কাছে কুরবানী একটা অজুহাত, যার উপর ভর করে সে আরেকবার নিজের প্রিয়জনের কাছে যাবে। অপরদিকে, প্রবাসীর কাছে কুরবানী মানেই কিছুটা আনন্দের পাশাপাশি জমিয়ে রাখা কষ্টের ভার। আরেকটি ইদ পরিবার থেকে দূরে কাটানোর আফসোস। এতসব, সংকোচ, অপেক্ষা, অজুহাত আর আফসোসের ভিড়ে কুরবানী আসে সকল অভিন্নতাকে ভেঙ্গে ভ্রাতৃত্বের সুর ছড়াতে। তাই, কুরবানী মানেই দূরত্বটাকে দূরত্বে রেখে ঐক্যটাকে পাথেয় করে বাঁচা।



-লেখক: শিক্ষার্থী, মনোবিজ্ঞান বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।

সম্পর্কিত খবর

;