সুমন আদিত্য, জামালপুর প্রতিনিধিঃ বিদেশে ভালো চাকরি ও উচ্চশিক্ষার ব্যবস্থা করার প্রলোভন দেখিয়ে জামালপুরের পাঁচ যুবকের কাছ থেকে অর্ধকোটি নিয়ে উধাও হয়েছে একটি চক্র। উচ্চ সুদে ঋনের টাকা দিয়েও দক্ষিণ কোরিয়া যেতে না পেরে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন ভুক্তভোগীসহ তাদের পরিবার।
এ ঘটনায় এলাকায় একাধিকবার গ্রাম্য সালিশি ও থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েও কোনো সুরাহা না পেয়ে টাকা ফেরতের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগীরা।
বৃহস্পতিবার (৬ মার্চ) দুপুরে উপজেলার আদ্রা ইউনিয়নের বড় বাড়ি এলাকায় প্রতারকের বাড়িতেই সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগীরা৷
এসময় ভুক্তভোগীদের মধ্যে লিখিত বক্তব্য রাখেন, হাবিবুর রহমান বাবু, সুলতান মাহমুদ, নজরুল ইসলাম, মমিন মিয়া ও মর্জিনা বেগমসহ অন্যানরা।
সংবাদ সম্মেলনে তারা বলেন, ২০২৩ সালে আদ্রা বড় বাড়ি গ্রামের জালাল উদ্দিনের ছেলে আব্দুল জলিল ওরফে বাদল মাস্টার তাঁর পুত্র রাগিব ইয়াসির সিনজন, পুত্রবধূ রোকেয়া আফরোজ প্রাপ্তি, ভাই রোবেল মিয়া ও স্ত্রী করোনা বেগম কনার যোগসাজসে স্টুডেন্ট ভিসায় দক্ষিণ কোরিয়া কথা বলে আমাদের ৫ জনের থেকে প্রায় অর্ধ কোটি টাকা নেন। পরে আমাদের মধ্যে একজনকে ঢাকাস্থ কোরিয়ান দূতাবাসে পাঠায়। দূতাবাসে গিয়ে জানতে পারি আমাদের কাগজপত্র ভূয়া। পরে আমরা হতাশ হয়ে ফিরে আসি।
তারা জানান, এমন প্রতারণার বিষয়ে আমরা এলাকাবাসিসহ আদ্রা ইউপি চেয়ারম্যান-মেম্বারগণ কয়েক দফা সালিশি করেছেন। একপর্যায়ে আমাদের টাকা ফেরত দেয়ার জন্য সময় নিয়ে তারা বাড়ি-ঘর ছেড়ে পালিয়েছেন। স্বজনরা ফোন করলেও টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানায়। এমনকি আমাদের বিরুদ্ধে মামলাসহ নানা হুমকী ভয়ভীতি প্রদর্শন করছেন। এবিষয়ে আমরা মেলান্দহ থানায় অভিযোগ দিয়েছি।
এসময় তারা আরও বলেন, গৃহপালিত পশু, জমি বিক্রিসহ বিভিন্ন জায়গা থেকে উচ্চসুদে ঋণ নিয়ে আমরা টাকা দিয়েছি। পাওনাদারেরা আমাদের উপর টাকা পরিশোধের জন্য চাপ প্রয়োগ করে আসছে। পরে প্রতারকদের বিচার ও আত্মসাৎকৃত অর্থ ফেরতের দাবি জানান তারা।
ভুক্তভোগীরা আরও বলেন, আমরা এখন পথে বসে গেছি। জমিজমা বিক্রি করেও সুদের টাকা পরিশোধ করতে পারছিনা। আমরা আজ নিরুপায়। আমাদের টাকা ফিরে চাই।
জানা যায়, মাদারগঞ্জ উপজেলার চর গুজামানিকা এলাকার বিল্লাল হোসেনের ছেলে হাবিবুর রহমানের নিকট থেকে ১৪ লাখ ৫০ হাজার, লেবু মিয়ার ছেলে সুলতান মাহমুদের নিকট থেকে ১৫ লাখ, মেলান্দহ উপজেলার আদ্রা এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে রবিন মিয়ার নিকট থেকে ১২ লাখসহ ৫ জনের থেকে প্রায় অর্ধকোটি টাকা নিয়েছেন বলে অভিযোগ করেন ভুক্তভোগীরা।
এ ঘটনায় অভিযুক্তদের বাড়িতে গিয়ে তাদের কাউকে পাওয়া যায়নি। মুঠোফোনে যোগাযোগ করেও তাদের বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
এ বিষয়ে মেলান্দহ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শফিকুল ইসলাম বলেন, 'এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, পুলিশ ঘটনার তদন্তও করেছে। তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত এ বিষয়ে যে ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন তা নেওয়া হবে।’
অনিক রায়, ফরিদপুর অফিস: ফরিদপুরের আলফাডাঙ্গা উপজেলার কুসুমদি গ্রামের শ্রী শ্রী হরি মন্দিরে ব্যতিক্রমী আয়োজনে উদযাপিত হচ্ছে শারদীয় দুর্গোৎসব। একই মন্দির প্রাঙ্গণে স্থাপন করা হয়েছে ২৭৭টি প্রতিমা। পৌরাণি ...
মহসিন মিঞা লিটন: শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বরিশাল-২ (উজিরপুর-বানারীপাড়া) আসনের সংসদ সদস্য সরদার সরফুদ্দিন আহমেদ সান্টু উজিরপুর উপজেলার বিভিন্ন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেছেন।মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) তিনি উপজে ...
মোংলা থেকে মোঃ নূর আলমঃ মুক্তিযুদ্ধের অকৃত্রিম বন্ধু ইতালি নাগরিক কবি—সাহিত্যিক ফাদার মারিনো রিগনের নবম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ২০ মে মঙ্গলবার সকালে মোংলার শেলাবুনিয়াতে র্যালি, স্মরণ সভা ও সমাধিতে শ্ ...
ব্রাহ্মণবাড়িয়া পতিনিধি: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া আইন কলেজের পরীক্ষা কেন্দ্র কুমিল্লা ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজে স্থানান্তরের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছ ...
সব মন্তব্য
No Comments