ইসরাত জাহান: বিশ্বজুড়ে যেসব পানীয় জনপ্রিয়, তার অন্যতম চা। ছোট–বড় সবার কমবেশি পছন্দের পানীয় এটি। বিশ্বজুড়ে নানা রকম চা উৎপাদিত হয়। বিভিন্ন উপায়ে চা প্রক্রিয়াকরণ করা হয়, যার ওপর নির্ভর করে এর গুণাগুণ। যেমন কালো চা, সবুজ চা, ইষ্টক চা, উলং বা ওলোং চা ও প্যারাগুয়ে চা। এ ছাড়া সাদা চা, হলুদ চা, পুয়ের চাসহ আরও বিভিন্ন ধরনের হারবাল চা রয়েছে।
চা অনেক আগে থেকেই স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হিসেবে বিবেচনা করা হয়ে থাকে। বলা হয়, চা পান করলে শরীরের রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বাড়ে, দেহের কোষের ক্ষয় রোধ হয়। চা যেমন হৃদ্রোগের ঝুঁকি কমিয়ে দেয়, তেমনি আবার ক্যানসার প্রতিরোধেও এর ভূমিকা রয়েছে।
কিন্তু কোন ধরনের চা স্বাস্থ্যের জন্য বেশি উপকারী? দুধ চা, নাকি রং চা? চিকিৎসকদের মতে, যাঁরা নিয়মিত চা খান, তাঁদের অবশ্যই জানা প্রয়োজন যে দুধ চায়ের চেয়ে রং চা শরীরের জন্য বেশি উপকারী।
জার্মানির বার্লিন বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক এক পরীক্ষায় ১৬ জন নারীকে একবার রং চা, আরেকবার দুধ চা পান করতে দেন। তারপর প্রতিবারই আলট্রাসাউন্ড পদ্ধতিতে তাঁদের রক্তনালির প্রসারণ মাপা হয়। এই পরীক্ষায় দেখা যায়, রং চা রক্তনালির প্রসারণ ঘটায়। রক্তনালির প্রসারণ উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদ্রোগ নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত জরুরি। চায়ে থাকা ক্যাটেচিন রক্তনালির প্রসারণের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।
অন্যদিকে দুধ চা রক্তনালির প্রসারণ ঘটাতে ব্যর্থ। কারণ, দুধের মধ্যে থাকে ক্যাসেইন নামের একটি পদার্থ, যা চায়ের মধ্যে থাকা ক্যাটেচিনকে বাধাগ্রস্ত করে। এতে চায়ে দুধ মেশালে চায়ের রক্তনালি প্রসারণের ক্ষমতা একবারেই চলে যায়। ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব অ্যাগ্রিকালচারের গবেষকেরা পরীক্ষা করে দেখেন, চায়ের প্রভাবে কোষগুলো থেকে সাধারণের তুলনায় ১৫ গুণ বেশি ইনসুলিন নির্গত হয়।
ডায়াবেটিস রোগ নিয়ন্ত্রণে ইনসুলিন নির্গত হওয়া জরুরি। কিন্তু চায়ে দুধ মেশালে এই ইনসুলিন নির্গমনের হার কমতে থাকে। চায়ে যদি ৫০ গ্রাম দুধ মেশানো হয়, তাহলে ইনসুলিনের নির্গমন ৯০ শতাংশ কমে যায়। রং চা উচ্চ রক্তচাপ, হৃদ্রোগ, ডায়াবেটিস ও ওজন নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত কার্যকর। কিন্তু দুধ চা ততটা নয়।
কয়েক বছর আগে এক গবেষণায় দেখা গেছে, চায়ের মধ্যে ট্যানিন নামের একটি উপাদান খাদ্যনালির ক্যানসারের কারণ হতে পারে। চুলায় চা পাতা ঘণ্টার পর ঘণ্টা জ্বাল দিলে চায়ের ট্যানিন বেশি বের হয়।
সাধারণ চায়ের দোকানে চা–পাতা ঘণ্টার পর ঘণ্টা জ্বাল দেওয়ার ফলে ট্যানিন বেশি বের হয়, এ রকম চায়ের ক্ষেত্রে কিছু দুধ দরকার। এই দুধ চায়ের ট্যানিনকে আঁকড়ে ধরে এবং তাকে শরীরে মিশতে দেয় না।
এ জন্য বেশি জ্বালের চায়ের ক্ষেত্রে দুধ মেশালে উপকার পাওয়া যেতে পারে। কিন্তু দৈনন্দিন পানের জন্য জ্বাল না দিয়ে টি ব্যাগ দিয়ে রং চা ভালো।
প্রথম আলো
স্টাফ রিপোর্টার: দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৮৮৬ জন। বৃহস্পতিবার (২৯ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্ ...
স্টাফ রিপোর্টার: গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামে সন্দেহজনক ও নিশ্চিত মিলিয়ে মোট ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে ২৯ অক্টোবর সকাল ৮টা পর্যন্ত হামে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ২৪৯ জনে ...
স্টাফ রিপোর্টার: দেশে মশাবাহিত ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৯৮২ জন। বুধবার (২৮ অক্টোবর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ...
স্টাফ রিপোর্টার: বিগত সময়ে দুর্নীতি ও লুটপাটের মাধ্যমে দেশের স্বাস্থ্যখাতকে ধ্বংস করে দেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মোঃ সাখাওয়াত হোসেন। তিনি বলেন, স্বাস্থ্যখা ...
সব মন্তব্য
No Comments