অনিক রায়, ফরিদপুর অফিস: আসন্ন বিশ্বকাপ ফুটবলকে ঘিরে ফরিদপুর শহরে শুরু হয়েছে উৎসবের আমেজ। শহরের বিভিন্ন সড়ক, মোড় ও জনবহুল এলাকায় এখন দেখা মিলছে নানা দেশের পতাকা, জার্সি, ব্যাজ, স্টিকার ও ক্রীড়া সামগ্রীর অস্থায়ী দোকান। বিশ্বকাপ যত ঘনিয়ে আসছে, ততই বাড়ছে এসব পণ্যের চাহিদা ও বেচাকেনা।
বিশেষ করে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা যাচ্ছে। শহরের গুরুত্বপূর্ণ মোড় ও বাজারগুলোতে ফুটবলপ্রেমীদের ভিড় বাড়ছে প্রতিদিন। এতে একদিকে যেমন ফুটবলপ্রেমীদের আনন্দ বাড়ছে, অন্যদিকে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জন্যও তৈরি হয়েছে বাড়তি আয়ের সুযোগ।
ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সামনে কথা হয় ভ্রাম্যমাণ বিক্রেতা মোহাম্মদ নাসিরের সঙ্গে। তিনি জানান, গত কয়েকদিন ধরে শহরের বিভিন্ন স্থানে বিশ্বকাপ উপলক্ষে নানা ধরনের সামগ্রী বিক্রি করছেন। প্রতিদিনই ক্রেতাদের ভিড় বাড়ছে এবং অন্যান্য সময়ের তুলনায় আয়ও ভালো হচ্ছে।
তিনি আরও জানান, তার দোকানে ব্রাজিল ও আর্জেন্টিনার ব্যাজ ২০ টাকায়, চাবির রিং ৫০ টাকায়, হাতে পরার ব্যাজ ৪০ টাকায় এবং বিভিন্ন খেলোয়াড়ের স্টিকার ৫ থেকে ২০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া ছোট পতাকা ১০ টাকা এবং বড় পতাকা ২০০ থেকে ৪০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে।
মোহাম্মদ নাসির বলেন, “বিশ্বকাপ যত কাছে আসবে, বেচাকেনা আরও বাড়বে বলে আশা করছি। বিশেষ করে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের পণ্যের চাহিদা সবচেয়ে বেশি। তবে বাংলাদেশের পতাকাও অনেকেই কিনছেন।”
এদিকে শহরের জনতা মোড়ের বড় মার্কেটের ক্রীড়া সামগ্রীর দোকানগুলোতেও বেড়েছে ক্রেতাদের উপস্থিতি। সকাল থেকে রাত পর্যন্ত ফুটবল জার্সি, বুট, পতাকা ও বিভিন্ন দলের সমর্থকদের সামগ্রী কিনতে ভিড় করছেন তরুণরা।দোকানিরা বলছেন, বিশ্বকাপকে ঘিরে বছরের এই সময়টিই তাদের জন্য সবচেয়ে জমজমাট মৌসুম।
জনতা মোড়ের একটি ক্রীড়া সামগ্রীর দোকানের ব্যবসায়ী সোহেল মিয়া বলেন, “বিশ্বকাপ এলেই বিক্রি কয়েকগুণ বেড়ে যায়। বিশেষ করে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের জার্সির চাহিদা সবচেয়ে বেশি। এবারও ভালো বেচাকেনা হচ্ছে।” আরেক ব্যবসায়ী রফিকুল ইসলাম জানান, “ছোট বাচ্চা থেকে শুরু করে তরুণ-যুবক সবাই জার্সি ও পতাকা কিনতে আসছেন। অনেকেই প্রিয় খেলোয়াড়ের নাম লেখা জার্সিও খুঁজছেন। আশা করছি বিশ্বকাপ শুরু হলে বিক্রি আরও বাড়বে।”
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বিশ্বকাপ ফুটবল ঘিরে প্রতি বছরই এ ধরনের উৎসবমুখর পরিবেশ তৈরি হয়। ফুটবলপ্রেমীদের উচ্ছ্বাসকে কেন্দ্র করে ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা কিছুটা হলেও আর্থিকভাবে লাভবান হন। শহরের তরুণদের মধ্যেও এখন বিশ্বকাপ নিয়ে চলছে ব্যাপক আলোচনা ও প্রস্তুতি।
বিশ্বকাপ ফুটবলকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরে তৈরি হওয়া এই প্রাণচাঞ্চল্য কেবল খেলাপ্রেমীদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি স্থানীয় অর্থনীতিতেও ইতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
স্টাফ রিপোর্টার: বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের ব্যাটিং কোচের দায়িত্বে পরিবর্তন এনেছে বিসিবি। মোহাম্মদ আশরাফুলকে এই দায়িত্ব থেকে সরিয়ে নতুন ভূমিকায় দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বোর্ড। আপাতত জ ...
পঞ্চগড় প্রতিনিধি:ক্রীড়াঙ্গনের হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনা এবং তরুণ প্রজন্মকে খেলাধুলায় উদ্বুদ্ধ করতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ নিয়েছেন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী আলহাজ্ব ফরহাদ হোসেন আজাদ। তিনি ...
স্টাফ রিপোর্টার: সংযুক্ত আরব আমিরাতে ত্রিদেশীয় ওয়ানডে সিরিজটা মোটেও ভালো কাটেনি বাংলাদেশের। জিম্বাবুয়ে ও আফগানিস্তানের বিপক্ষে দুই ম্যাচেই হেরেছেন তাওহীদ হৃদয়রা। ওয়ানডের সেই হতাশা ভুলে এবার টেস্ ...
রাহাদ সুমন,বরিশাল ব্যুরো : মাত্র নয় বছর বয়সে ফুটবল মাঠে নিজের প্রতিভা তুলে ধরে ইংল্যান্ডের ক্লাব ফুটবলে অনূর্ধ্ব-৯ দলে খেলার সুযোগ পেয়েছে বরিশালের গৌরনদীর সন্তান জায়েদ ইসলাম সাবিদ। সে (সাবিদ) ইংল্যান্ ...
সব মন্তব্য
No Comments