দুর্যোগ পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার ॥ এমপি রশীদুজ্জামান

প্রকাশ : 11 Jun 2024
দুর্যোগ পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার ॥ এমপি রশীদুজ্জামান

প্রকাশিত সংবাদ নিয়ে প্রতিক্রিয়া


স্টাফ রিপোটার: ঘূর্ণিঝড় রেমাল পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবেলায় সরকার প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন খুলনা-৬ আসনের সংসদ সদস্য মো. রশীদুজ্জামান। আজ মঙ্গলবার গণমাধমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি বলেছেন, ঘূর্ণিঝড় রেমালের শুরু থেকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এবং দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী সার্বিক খোঁজ-খবর ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছেন। ফলে এ নিয়ে কোন বিভ্রান্তির সুযোগ নেই।
সংসদ সদস্য রশীদুজ্জামান বলেন, গত ২৯ মে ২০২৪, খুলনা জেলার কয়রা উপজেলা সফর করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী মো. মহিবুর রহমান। তিনি সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের চিত্র স্বচক্ষে দেখেছেন। তিনি কয়রা কলেজ মাঠে ভূক্তভোগী মানুষের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং তাদেরকে পর্যাপ্ত পরিমাণ ত্রাণও দিয়েছেন। ওই সফর নিয়ে একটি গণমাধ্যমে ‘হেলিক্টপারে গিয়ে নামমাত্র ত্রাণ দিলেন দুর্যোগ প্রতিমন্ত্রী’ শিরোনামে খবর প্রকাশিত হয়েছে। ওই খবরে প্রচারিত তথ্য বাস্তবের সাথে মিল নেই। অশুভ উদ্দেশ্যে ওই সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে বলে আমি মনে করি।
তিনি আরো বলেন, গত ২৯ মে প্রতিমন্ত্রী দুর্যোগ কবলিত এলাকা থেকে ফিরে ওই এলাকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন, ক্ষতিগ্রস্থ জনগণকে পূনর্বাসন ও জীবন-জীবিকা রক্ষায় করণীয় সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছেন এবং প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছেন। যা এক সময়ের অবহেলিত পাইকগাছা-কয়রাবাসীর জন্য অনেক বড় প্রাপ্তি।
বিবৃতিতে সংসদ সদস্য বলেন, প্রকাশিত সংবাদে প্রতিমন্ত্রী কায়রায় ভাঙ্গন কবলিত বেড়িবাঁধ দেখতে না যাওয়ায় জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। কিন্তু বাস্তবে ওই এলাকায় যাওয়ার পরিস্থিতি ছিলো না। কারণ সেখানে যাওয়ার পথ একমাত্র নদী। কিন্তু তখন নদী ছিলো উত্তাল। ওই উত্তাল নদীতে প্রতিমন্ত্রীর বহর নিয়ে যাওয়ার প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি গ্রহণও ছিলো সময়সাপেক্ষ। তাই প্রতিমন্ত্রীর সেখানে যাওয়ার প্রবল ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতা ও বিশিষ্টজনদের পরামর্শে সেখানে যাননি। তবে ওই এলাকার ভুক্তভোগী জনগণের সঙ্গে কয়রা কলেজ মাঠে কথা বলেছেন। ফিরে গিয়ে সমস্যা-সংকট নিরসনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছেন। যা জনগণকে ক্ষুব্ধ নয়, খুশী করেছে। এতে সাধারণ মানুষ আস্থা ফিরে পেয়েছে।

সম্পর্কিত খবর

;