মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা শিশু শিক্ষার্থী

প্রকাশ : 04 May 2026
মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ, ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা শিশু শিক্ষার্থী

নেত্রকোণা প্রতিনিধিঃ ​নেত্রকোণার মদন উপজেলায় এক মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে ১২ বছর বয়সী এক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। বর্তমানে শিশুটি প্রায় সাত মাসের অন্তঃসত্ত্বা। এ ঘটনায় অভিযুক্ত শিক্ষক আমান উল্লাহ সাগরের বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার। ঘটনার পর থেকেই সপরিবারে পলাতক রয়েছেন ওই শিক্ষক।


​অভিযুক্ত আমান উল্লাহ সাগর উপজেলার কাইটাইল ইউনিয়নের পাঁচহার বড়বাড়ি গ্রামের বাসিন্দা। তিনি স্থানীয় ‘হযরত ফাতেমাতুজ জোহুরা মহিলা কওমি মাদ্রাসা’র পরিচালক ও শিক্ষক।


​মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, শিশুটির মা সিলেটে গৃহপরিচারিকার কাজ করেন। শিশুটি নানির বাড়িতে থেকে ওই মাদ্রাসায় পড়াশোনা করত। অভিযোগ অনুযায়ী, গত বছরের (২০২৫) নভেম্বর মাসে শিক্ষক আমান উল্লাহ ওই শিশুকে ধর্ষণ করেন এবং কাউকে কিছু জানালে প্রাণনাশের হুমকি দেন। লোকলজ্জা ও ভয়ে শিশুটি বিষয়টি গোপন রাখে। সম্প্রতি শিশুটির শারীরিক পরিবর্তন নজরে এলে মা সিলেট থেকে ফিরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেন এবং বিষয়টি প্রকাশ পায়। পরে পরীক্ষা-নিরীক্ষায় শিশুটির অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়।


​চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, শিশুটির গর্ভের বয়স প্রায় ২৭ সপ্তাহ। তার শারীরিক গঠন অনুযায়ী এই গর্ভাবস্থা অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। রক্তে হিমোগ্লোবিন কম থাকায় স্বাভাবিক প্রসব বা অস্ত্রোপচার—উভয় ক্ষেত্রেই বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকি রয়েছে।


​মদন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম জানান, "আসামিকে গ্রেপ্তারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ভুক্তভোগী শিশুর পরিবারকে সব ধরনের আইনি সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।"


সম্পর্কিত খবর

;