রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের ছোবলে গোটা দেশকে আক্রান্ত করা হয়েছে--রিজভী

প্রকাশ : 06 Feb 2022
No Image

সুব্রত সানা: বিএনপি'র সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব এ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী বলেছেন, রাষ্ট্রীয় সন্ত্রাসের ছোবলে গোটা দেশকে আক্রান্ত করা হয়েছে। এরপরেও কেউ যাতে টু শব্দ করতে না পারে সেজন্য পুলিশ প্রতিনিয়ত তাদের পেশী প্রদর্শন করে যাচ্ছে। আজকের ঘটনা সেটিরই একটি বর্ধিত রুপ। বিরুদ্ধমত পেশের কোন পথ না রাখা, বিরোধী দলকে উৎপীড়ণের শৃঙ্খলে আবদ্ধ রাখা, মুক্তকন্ঠের ব্যক্তির বাকস্বাধীনতার ওপর আক্রমণ করা এবং কালাকানুনের বিষাক্ত বৃত্তের মধ্যে মানুষের নাগরিক অধিকারকে বন্দী করে রাখতেই অবৈধ সরকার আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে নির্লজ্জভাবে ব্যবহার করছে। মানুষের গণতান্ত্রিক সহজাত অধিকারগুলোকে নির্দয় দমনের কষাঘাতে ‘শয্যাশায়ী ও মরণাপন্ন’ করেছে সরকার। রোববার রাতে এক জরুরী প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, আজ সন্ধ্যায় ( রোববার) মাগরিবের নামাজের পরপরই নয়াপল্টনস্থ বিএনপি কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের প্রধান ফটকের সামনে পুলিশ বিনা উস্কানিতে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর অতর্কিতে হামলা করে। এই হামলায় বিএনপি এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের অসংখ্য নেতাকর্মী গুরুতর আহত এবং অসংখ্য নেতাকর্মীকে গ্রেফতার করা হয়। কোন কারণ ছাড়াই পুলিশের এই হামলা কাপুরুষোচিত ও পূর্ব পরিকল্পিত। বিএনপি’র কর্মসূচিতে পুলিশী হামলা আওয়ামী শাসকগোষ্ঠীর চিরচেনা সংস্কৃতি।
রিজভী অভিযোগ, ঘটনার পরে রাত ৮ টার সময় বাসায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে দলীয় কার্যালয় থেকে বের হওয়ার সময় ঢাকা মহানগর দক্ষিণ বিএনপি’র সদস্য সচিব ও গত জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-১ আসনের বিএনপি থেকে মনোনীত ধানের শীষের প্রার্থী রফিকুল আলম মজনুকে আটক করে পুলিশ।
সাবেক ছাত্র নেতা বলেন, আজকের পুলিশের সহিংস তান্ডবের মূল উদ্দেশ্যই ছিল বাংলাদেশ যে একটি পুলিশী রাষ্ট্র তা জানান দেয়া।
ক্ষমতাসীনদের উগ্র ক্ষমতালোভের জন্য তারা জনগণের প্রতি অমানবিক অবজ্ঞা করছে। ক্ষমতায় টিকে থাকার জন্য বিবেক, সুচিন্তা, নৈতিকতা ইত্যাদিকে জলাঞ্জলি দিয়ে শাসকগোষ্ঠী এখন বেপরোয়া হয়ে উঠেছে।
তিনি পুলিশী এই হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে এবং অবিলম্বে রফিকুল আলম মজনুসহ আটককৃত নেতাকর্মীদের নিঃশর্ত মুক্তির দাবী জানাচ্ছি।

সম্পর্কিত খবর

;