বিভিন্নমুখী পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়েছে পায়রা বন্দরকে ঘিরে: উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন

প্রকাশ : 20 Jul 2025
বিভিন্নমুখী পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়েছে পায়রা বন্দরকে ঘিরে: উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন


কলাপাড়া(পটুয়াখালী)প্রতিনিধি।। নৌ পরিবহন, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রনালয়ের উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) এম শাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, পায়রা বন্দরকে ঘিরে বিভিন্নমুখী পরিকল্পনা গ্রহন করা হয়েছে। এ বন্দরের কার্যক্রম এগিয়ে নিয়ে যাবে।পায়রা বন্দরকে গ্রীণ পোর্ট হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। রবিবার বেলা ১১টায় পর্যটন কেন্দ্র কুয়াকাটায় সিকদার রিসোর্ট এন্ড ভিলাস’র হলরুমে পায়রা বন্দরের মাস্টার প্লান সম্পর্কিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, ভৌগলিক অবস্থান, সরলরৈখিক ও প্রশস্ত চ্যানেল, বহুমুখী যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং দেশের মধ্য-দক্ষিণাঞ্চলে একটি সম্ভাবনাময় অর্থনৈতিক করিডোর গড়ে তোলার লক্ষ্যে দেশের তৃতীয় সমুদ্র বন্দর হিসেবে পায়রা বন্দর প্রতিষ্ঠা করা হয়। বাংলাদেশের মোট আমদানি-রপ্তানির প্রায় ৯৩% চট্টগ্রাম বন্দরের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে দেশের শিল্পায়ন ও রপ্তানি খাত সম্প্রসারিত হচ্ছে। যার ফলে আগামী ২০৫০ সাল নাগাদ দেশের বৈদেশিক বাণিজ্য প্রায় দ্বিগুণ বৃদ্ধি পাবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

নৌ পরিবহন উপদেষ্টা আরও বলেন, বেসরকারি এবং বিদেশীদের বলছি তাঁরা যেন বিনিয়োগে আগ্রহী হয়। বরিশালে যদি আমরা কনটেইনার টার্মিনাল করি, তাহলে হয়তো ভালো হবে। আমাদের দেশের নদী পথ যেন আরও সচল হয়, সে জন্যও চেষ্টা করছি। পায়রা বন্দর পর্যন্ত যদি রেল লাইন চলে আসে, তাহলে এ বন্দর আরও কার্যকর হবে।

পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল মাসুদ ইকবাল’র সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রকল্পের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পায়রা বন্দরের মাস্টার প্ল্যান প্রকল্পের নেদারল্যান্ডস ভিত্তিক পরামর্শক প্রতিষ্ঠান রয়্যাল হাসকোনিং ডিএইচভি এর টিম লিডার মেনো মুইজ। অনুষ্ঠানে পায়রা বন্দরের মাস্টার প্ল্যান প্রকল্পের উপর সূচনা বক্তব্য উপস্থাপন করেন বুয়েট টিমের লিড কনসালটেন্ট অধ্যাপক ড.ইশতিয়াক আহমেদ। পায়রা বন্দরের উন্নয়ন, অগ্রগতি এবং ভবিষৎ পরিকল্পনা নিয়ে প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন, পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের সদস্য (প্রকৌশল ও উন্নয়ন) কমডোর মোহাম্মদ আব্দুল কাদের।

সেমিনারে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, দপ্তর, সামরিক ও বেসামরিক সংস্থার উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, ব্যবসায়ী নেতৃবৃন্দ, বন্দর ব্যবহারকারী-অংশীজন, মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়নকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ও নেদারল্যান্ডের রয়্যাল হাসকোনিং ডিএইচভি এর প্রতিনিধিগণ এবং ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার প্রতিনিধিগণ উপস্থিত ছিলেন।

সম্পর্কিত খবর

;