পঞ্চগড়ে যুব মহিলা লীগ নেত্রী কারাগারে

প্রকাশ : 29 Jun 2026
পঞ্চগড়ে যুব মহিলা লীগ নেত্রী কারাগারে

পঞ্চগড় প্রতিনিধি: পঞ্চগড়ে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের ৭৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করে কেক কাটা ও ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় যুব মহিলা লীগের দুই নেত্রীর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেছেন আদালত। পরে তাদের কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


সোমবার, ২৮ জুন ২০২৬ দুপুরে পঞ্চগড় জেলা ও দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করেন কেন্দ্রীয় যুব মহিলা লীগের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মেজর কাজী মৌসুমী ও জেলা যুব মহিলা লীগের সভাপতি নিলুফার ইয়াসমিন। শুনানি শেষে জেলা ও দায়রা জজ মাহবুব আলী মুয়াদ তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। মেজর কাজী মৌসুমী পঞ্চগড়-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নাঈমুজ্জামান মুক্তার স্ত্রী।


মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, সাবেক সংসদ সদস্য নাঈমুজ্জামান মুক্তাকে এক নম্বর এবং মেজর কাজী মৌসুমীকে দুই নম্বর আসামি করা হয়েছে। এ মামলায় মোট ১১০ থেকে ১২০ জনকে আসামি করা হয়েছে।


আসামিপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট সারোয়ার আদালতে বলেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এবং অর্থায়নের অস্পষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের মামলায় জড়ানো হয়েছে। আদালতের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে তিনি বলেন, আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পরবর্তী লড়াই অব্যাহত থাকবে।


অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অ্যাডভোকেট নাজমুল ইসলাম কাজল বলেন, নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের কার্যক্রম গোপনে পরিচালনার অংশ হিসেবে পঞ্চগড় সদরে সাবেক এমপি নাঈমুজ্জামান মুক্তার একটি খামারবাড়িতে দলের ৭৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালন করা হয়। সেখানে কেক কাটা, ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়া এবং জনমনে বিভ্রান্তি ও ভীতি সৃষ্টির অভিযোগ রয়েছে। এসব বিষয় আদালতের সামনে তুলে ধরে জামিনের বিরোধিতা করা হলে আদালত তা আমলে নিয়ে জামিন আবেদন নামঞ্জুর করেন।

সম্পর্কিত খবর

;