ডেস্ক রিপোর্ট: সরকারি আয় বৃদ্ধি করতে সব চাকরির (ক্যাডার পদ বাদে) আবেদন ফি এবার নির্ধারণ করেছে সরকার। এই ফি সব মন্ত্রণালয়, বিভাগ, অধিদপ্তর, পরিদপ্তর, দপ্তর ও স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের চাকরির জন্য প্রযোজ্য হবে। এ ব্যাপারে অর্থ মন্ত্রণালয় একটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের উপ-সচিব মোছা. নারগিস মুরশিদা স্বাক্ষরিত ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ৯ম গ্রেড বা এর বেশি গ্রেডভুক্ত (নন–ক্যাডার) পদে আবেদন ফি ৬০০ টাকা করা হয়েছে। এ ছাড়া, ১০ম গ্রেডের পদে আবেদন ফি ৫০০ টাকা, ১১ থেকে ১২তম গ্রেডের জন্য ৩০০ টাকা, ১৩ থেকে ১৬তম গ্রেডের জন্য ২০০ টাকা এবং ১৭ থেকে ২০তম গ্রেডের জন্য ১০০ টাকা ফি নির্ধারণ করা হয়েছে।
চাকরির আবেদন ফি বৃদ্ধির তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন। সংগঠনের কেন্দ্রীয় সংসদের সভাপতি মোঃ ফয়েজ উল্লাহ এবং সাধারণ সম্পাদক দীপক শীল আজ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেন, "বর্তমান বাংলাদেশে আর্থসামাজিক অবস্থা এমন যে, শিক্ষা জীবনেই একজন শিক্ষার্থীকে উপার্জনের পথ খুঁজতে হয়, যা করোনা পরবর্তীতে আরও প্রকট আকার ধারণ করছে। অধিকাংশ শিক্ষার্থী টিউশনি অথবা বিভিন্ন খণ্ডকালীন চাকরি করে নিজের পড়াশোনার খরচ বহন করে, পাশাপাশি কখনো কখনো পরিবারের ভারও বহন করতে হয়। এই পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের জন্য চাকরির আবেদনের ফি বহন করা কষ্টসাধ্য হয়ে দাঁড়ায়। যার কারণে যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অনেকে সরকারি চাকরির জন্য আবেদন করতে পারেননা। এছাড়াও অধিকাংশ সরকারি চাকরির পরীক্ষা ঢাকা শহরে হওয়ার কারণে মফস্বল থেকে আসা চাকরি প্রার্থীদের যাতায়াত এবং থাকা খাওয়া বাবদ প্রায় ৩ থেকে ৪ হাজার টাকা খরচ হয়ে যায়। অসংখ্য বেকার এবং শিক্ষার্থীর জন্য এত টাকা খরচ করে সরকারি চাকরির পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করা অসম্ভব হয়ে দাঁড়ায়। লক্ষ লক্ষ শিক্ষিত বেকারের দেশে যেখানে চাকরিকে সহজলভ্য করার কথা, সেখানে চাকরিকে কুক্ষিগত করে ফেলছে সরকার। চাকরির আবেদন ফি বৃদ্ধির মাধ্যমে, সরকার বেকারত্ব নিরসন না করে বেকারত্বকে কাজে লাগিয়ে আয় বাড়ানোর সুযোগ খুঁজছে। উন্নয়নের নামে সরকারের বিভিন্ন ধরনের যে মেগা প্রজেক্ট গুলো চলছে এবং সেই মেগা প্রজেক্ট গুলোকে কেন্দ্র করে আমলা মন্ত্রীসহ আওয়ামীলীগের নেতাকর্মীরা যে দুর্নীতির মহোৎসব চালাচ্ছে, সেই টাকার উৎস হিসেবে জনগণের উপরে চাপিয়ে দেওয়া হচ্ছে অতিরিক্ত ভ্যাট, ট্যাক্সসহ নানাবিধ অতিরিক্ত ব্যয়ের বোঝা। বৃহত্তর বেকার জনগোষ্ঠীর কাছে থেকে অযৌক্তিকভাবে আদায় করা হচ্ছে চাকরির আবেদন ফি। যা ছাত্র-যুব সহ সকলের কাছে বোঝা হিসাবে পরিণত হয়েছে। আমরা চাকরির আবেদন ফি বৃদ্ধির তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। আমরা দাবি জানাই, চাকরি প্রার্থীর কাছে থেকে সকল প্রকার ফি আদায় বন্ধ করতে হবে, শিক্ষা শেষে কাজের নিশ্চয়তা দিতে হবে, সকল বিভাগীয় শহরে চাকরির পরীক্ষা কেন্দ্র নির্ধারণ করতে হবে।"
স্টাফ রিপোর্টার: জাতীয় চার নেতার নাম এবং ‘জয় বাংলা’ নামে থাকা বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের পাঁচটি জাহাজের নাম পরিবর্তন করেছে সরকার। পূর্বের নাম পরিবর্তন করে জাহাজগুলোর জন্য নতুন নাম অনুমোদন দিয়ে কোস্টগার্ডে ...
স্টাফ রিপোর্টার: কঠোর নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে রাশিয়া থেকে আনা ইউরেনিয়ামের আরেকটি চালান রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে পৌঁছেছে। প্রথমবারের মতো ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক ও বঙ্গবন্ধু সেতুর প্রচলিত রুট ব্যবহার ...
স্টাফ রিপোর্টার: মৌসুমের স্বাভাবিক লঘুচাপ দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে, যার বর্ধিতাংশ উত্তর-পূর্ব বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের শুক্রবার (৬ নভেম্বর) সকাল ৯টা থেকে প ...
স্টাফ রিপোর্টার: আগামী ১৯ নভেম্বর থেকে ঢাকা-পাবনা-ঢাকা রুটে নতুন এক জোড়া আন্তঃনগর ট্রেন চালু হচ্ছে। রেলপথ মন্ত্রণালয় বাংলাদেশ রেলওয়ের এ সংক্রান্ত প্রস্তাব ৪ নভেম্বর অনুমোদন করেছে।অনুমোদিত প্রস্তাবনা ...
সব মন্তব্য
No Comments