বকেয়া পাবেন সরকারি চাকরিজীবীরা
স্টাফ রিপোর্টার: সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বহুল প্রতীক্ষিত নতুন বেতন ও ভাতার প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ নামে এই প্রজ্ঞাপন প্রকাশিত হয়। অর্থ বিভাগের বাস্তবায়ন-১ অনুবিভাগ থেকে গত ১৭ সেপ্টেম্বর জারি করা এই আদেশ বাংলাদেশ গেজেটের অতিরিক্ত সংখ্যায় এসআরও নম্বর ৩৪৭-আইন/২০২৬ হিসেবে প্রকাশ করা হয়েছে এবং শনিবার তা উন্মুক্ত করা হয়।
প্রকাশিত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী নতুন বেতনকাঠামো গত ১ জুলাই থেকেই কার্যকর হিসেবে গণ্য হবে। তবে পুরো সুবিধা একসঙ্গে না দিয়ে তা ধাপে ধাপে বাস্তবায়ন করা হবে। ফলে সরকারি চাকরিজীবীরা প্রজ্ঞাপন জারির তারিখ পর্যন্ত সময়ের বকেয়া বেতনও পাবেন।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ২০২৬ সালের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত প্রথম ধাপে ৯ম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা নতুন স্কেলে বাড়তি মূল বেতনের ৪০ শতাংশ এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীরা ৫০ শতাংশ হারে সুবিধা পাবেন। এই অংশটি গত ৩০ জুন আহরিত বা প্রাপ্য বেতনের সঙ্গে যুক্ত হবে। দ্বিতীয় ধাপে ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ৯ম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা বাড়তি মূল বেতনের ৭০ শতাংশ এবং ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীরা ৭৫ শতাংশ হারে পাবেন। এরপর ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে নতুন বেতন বৃদ্ধির শতভাগ কার্যকর হবে। নতুন বেতনকাঠামোর অন্যান্য যাবতীয় ভাতা ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে দেওয়া শুরু হবে এবং একইভাবে পেনশন সুবিধাভোগীরাও নতুন কাঠামোর পূর্ণ সুবিধা পাবেন।
নতুন জাতীয় বেতন স্কেল-২০২৬ অনুযায়ী বিদ্যমান ২০টি গ্রেডই বহাল থাকছে। ২০তম গ্রেডের প্রারম্ভিক মূল বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ হাজার টাকা এবং ১ম গ্রেডের সর্বোচ্চ মূল বেতন নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৫৬ হাজার টাকা। নতুন এই স্কেলে ১ম থেকে ১১তম গ্রেড পর্যন্ত কর্মকর্তাদের প্রারম্ভিক মূল বেতন ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে এবং ১২তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের ক্ষেত্রে জীবনযাত্রার ব্যয় বিবেচনায় ১১৫ শতাংশ থেকে সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি করা হয়েছে। মূল বেতনের সঙ্গে আনুপাতিক হারে বাড়ি ভাড়াসহ অন্যান্য ভাতাও বৃদ্ধি পাবে।
সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮-এর ১৫ ধারায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই আদেশ জারি করা হয়েছে এবং এর মাধ্যমে ২০১৫ সালের চাকরি (বেতন ও ভাতা) আদেশ, ২০১৫ রহিত করা হয়েছে। নতুন বেতন নির্ধারণের প্রক্রিয়া আইবাস ডাবল প্লাস (iBAS++) এর মাধ্যমে অনলাইনে সম্পন্ন করা হবে বলে অর্থ বিভাগ জানিয়েছে।
উল্লেখ্য, অষ্টম বেতন কমিশনের প্রায় এক যুগ পর ২০২৫ সালের ২৭ জুলাই তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানকে প্রধান করে ২৩ সদস্যের ‘নবম জাতীয় বেতন কমিশন’ গঠন করে। ওই কমিশন চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি প্রতিবেদন দাখিল করে। পরে চলতি বছরের ২১ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনিকে সভাপতি করে ১০ সদস্যের সুপারিশ কমিটি গঠন করা হয়। সব পর্যালোচনা শেষে গত ৩১ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন বেতনকাঠামোর অনুমোদন দেওয়া হয় এবং আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়া শেষে আজ প্রজ্ঞাপন জারি করা হলো।
স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানী ঢাকাসহ দেশের ৮ বিভাগেই অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বৃষ্টি ও বজ্রসহ বৃষ্টির আশংকা রয়েছে। একইসঙ্গে দেশের কোথাও কোথাও মাঝারী ধরনের ভারী বর্ষণ হতে পারে। এদিকে ...
স্টাফ রিপোর্টার: রাজধানীতে শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) দুপুর থেকে গভীর রাত পর্যন্ত একের পর এক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। মালিবাগ থেকে শুরু হয়ে মহাখালী, আগারগাঁও, যাত্রাবাড়ী, বাবুবাজার, মগবাজার, কাফরুল ...
বিশেষ প্রতিনিধ, নিউইয়র্ক: উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য সাশ্রয়ী, নায্য ও ঝুঁকি-সংবেদনশীল অর্থায়ন নিশ্চিত করতে বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামোর ব্যাপক সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্ট ...
স্টাফ রিপোর্টার: সাবেক শেখ হাসিনার সরকারের আমলে ভারতের সঙ্গে সই হওয়া ১০১টি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক (MoU) পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ। বিষয়টি নিয়ে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া দ ...
সব মন্তব্য
No Comments